ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঈদ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ সরকার: গত ঈদের তুলনায় এবার সড়কে প্রাণহানি বেড়েছে ৮.২৬%
ইউনূস অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টিকা কিনতে গিয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ: এখন দেশে হাম মহামারি
সংসদ ভবনে ঘোলা পানি খেয়ে আমার নিজেরও পেট খারাপ হয়েছে : চিফ হুইপ
মারা যাওয়ার ২৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি
সংসদ সদস্য আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা
৭ এপ্রিল দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের ৭০ হাজার শিশু কোনো টিকাই পায়নি: ইউনিসেফ
ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশুদের গণহারে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ
দেশের ইতিহাসে টিকাদান কর্মসূচিতে এমন ভয়াবহ ধস আগে কখনো দেখা যায়নি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত এবং জনস্বাস্থ্য নিয়ে ‘ব্যবসায়িক নীতি’র কারণে দেশের লাখো শিশুর জীবন এখন চরম ঝুঁকির মুখে।
সরকারের নিজস্ব তথ্য বলছে, বিগত সরকারের আমলে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টিকাদানের হার যেখানে ছিল ঈর্ষণীয়, সেখানে ২০২৫ সালে তা নেমে এসেছে মাত্র ৫৯.৬ শতাংশে। এই বিশাল ঘাটতি এবং এর ফলে শতাধিক শিশুর মৃত্যুকে ‘পরিকল্পিত গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করছেন ক্ষুব্ধ নাগরিক ও বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, গত ৮ বছর দেশে টিকাদান হয়নি। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও সরবরাহকৃত তথ্যই মন্ত্রীর এই দাবিকে ভিত্তিহীন প্রমাণ করছে। তথ্য অনুযায়ী, পূর্ববর্তী সরকারের
আমলে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে চলেছে। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরই দৃশ্যপট বদলে যায়। মিথ্যা তথ্যের আড়ালে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই টিকা কেনার পূর্ববর্তী কার্যকর প্রজেক্টগুলো বাতিল করে দেয়। পরিবর্তে নিজেদের ঘনিষ্ঠ এনজিওগুলোর মাধ্যমে টিকা সরবরাহের নতুন এক ‘ব্যবসায়িক মডেল’ চালু করা হয়। সরকারি ব্যবস্থার বদলে বেসরকারি বা এনজিওনির্ভর এই প্রক্রিয়ার কারণে টিকার নিয়মিত চেইন ভেঙে পড়ে এবং সরকারি রিজার্ভে টান পড়ে। মূলত এই ব্যবসায়িক উচ্চাভিলাষের কারণেই দেশের প্রান্তিক শিশুরা সময়মতো জীবনরক্ষাকারী টিকা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারি পরিসংখ্যান মতে, ২০২৫ সালে টিকাদানের হার ভয়াবহভাবে কমে
৫৯.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু টিকার আওতার বাইরে রয়ে গেছে। এর ফলে রাজধানীসহ ১২টি জেলায় হামের মতো সংক্রামক ব্যাধি মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। রাজশাহী ও ঢাকায় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনাকে সাধারণ ‘অব্যবস্থাপনা’ বলতে নারাজ ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। তাদের দাবি, এটি সরকারের ভুল নীতির কারণে সৃষ্ট ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’। জনসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে যে, স্রেফ ব্যবসায়িক মুনাফা আর এনজিওদের সুবিধা করে দিতে গিয়ে শিশুদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে দাবি উঠেছে, এই শিশু মৃত্যুর দায় তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে নিতে হবে। রাষ্ট্রীয় অবহেলা ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে
ঝরে যাওয়া এই প্রাণগুলোর জন্য তাদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি সফল টিকাদান কর্মসূচিকে ধ্বংস করে এনজিওনির্ভর করে তোলা কেবল অব্যবস্থাপনা নয়, বরং একটি অপরাধমূলক সিদ্ধান্ত। এর খেসারত দিতে হচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মকে, যা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
আমলে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে চলেছে। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরই দৃশ্যপট বদলে যায়। মিথ্যা তথ্যের আড়ালে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই টিকা কেনার পূর্ববর্তী কার্যকর প্রজেক্টগুলো বাতিল করে দেয়। পরিবর্তে নিজেদের ঘনিষ্ঠ এনজিওগুলোর মাধ্যমে টিকা সরবরাহের নতুন এক ‘ব্যবসায়িক মডেল’ চালু করা হয়। সরকারি ব্যবস্থার বদলে বেসরকারি বা এনজিওনির্ভর এই প্রক্রিয়ার কারণে টিকার নিয়মিত চেইন ভেঙে পড়ে এবং সরকারি রিজার্ভে টান পড়ে। মূলত এই ব্যবসায়িক উচ্চাভিলাষের কারণেই দেশের প্রান্তিক শিশুরা সময়মতো জীবনরক্ষাকারী টিকা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারি পরিসংখ্যান মতে, ২০২৫ সালে টিকাদানের হার ভয়াবহভাবে কমে
৫৯.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু টিকার আওতার বাইরে রয়ে গেছে। এর ফলে রাজধানীসহ ১২টি জেলায় হামের মতো সংক্রামক ব্যাধি মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। রাজশাহী ও ঢাকায় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনাকে সাধারণ ‘অব্যবস্থাপনা’ বলতে নারাজ ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। তাদের দাবি, এটি সরকারের ভুল নীতির কারণে সৃষ্ট ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’। জনসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে যে, স্রেফ ব্যবসায়িক মুনাফা আর এনজিওদের সুবিধা করে দিতে গিয়ে শিশুদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে দাবি উঠেছে, এই শিশু মৃত্যুর দায় তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে নিতে হবে। রাষ্ট্রীয় অবহেলা ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে
ঝরে যাওয়া এই প্রাণগুলোর জন্য তাদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি সফল টিকাদান কর্মসূচিকে ধ্বংস করে এনজিওনির্ভর করে তোলা কেবল অব্যবস্থাপনা নয়, বরং একটি অপরাধমূলক সিদ্ধান্ত। এর খেসারত দিতে হচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মকে, যা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।



