ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
আ’লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও মিথ্যে সংবাদের প্রতিবাদ
২৬ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে যমুনা টিভি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ায় মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ছয়জন নেতাকর্মীকে নিয়ে মিথ্যা, কাল্পনিক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। এই সংবাদটির উদ্দেশ্য ছিল হিন্দু জাগরন জোটের ন্যায় সঙ্গত ও যৌক্তিক দাবীর আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে ঠেলে দেওয়া এবং আওয়ামী লীগকে এর সঙ্গে জড়িয়ে অপবাদ দেয়া। মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ এই সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে।
প্রকৃত ঘটনাটি ঘটেছে ২৬ নভেম্বর রাতে, যখন চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী এলাকার সরাইপাড়ায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতৃবৃন্দ একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন। এই বাসায় তারা কয়েক মাস
ধরে অবস্থান করছিলেন, কারণ তারা বিএনপি, জামায়াত এবং তাদের সহযোগী সন্ত্রাসী গ্রুপের হামলা, মামলা ও নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এদিন, বিএনপি এবং তার অঙ্গ সংগঠনের কিছু সন্ত্রাসী ২৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় ওই বাসায় হামলা চালায়। হামলাকারীরা নেতাকর্মীদের মোবাইল ফোন, টাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। হামলার সময়, সন্ত্রাসীরা তাদের মোবাইল চেক করে এবং আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী বলে গালাগাল করে। পরবর্তীতে, পাহাড়তলী থানা পুলিশকে খবর দেয়া হলে, পুলিশ এসে নেতাদের গ্রেফতার করে। এ ঘটনার পর, মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ছয়জন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। এই নেতাদের বিরুদ্ধে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের
মুক্তির দাবিতে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে অভিযোগ আনা হয়। গ্রেফতারকৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—১৩ নম্বর মায়ানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মামুনুর রশিদ, ১২ নম্বর খৈয়াছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন খান, ১৩ নম্বর মায়ানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়াছিন উল্যাহ, ১৩ নম্বর মায়ানী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. আবু হেনা বাদশা, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম এবং যুবলীগ কর্মী আবদুর রহিম। মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ এই মিথ্যা সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলার নিন্দা করেছে। আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ দাবি করেছে, এই ষড়যন্ত্রমূলক গ্রেফতারি এবং সংবাদ প্রচার তাদের
সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা। তারা দ্রুত এসব নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করছে এবং গ্রেফতারির ঘটনাটি একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখছে। মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা যমুনা টিভি এবং অন্যান্য মিডিয়ায় প্রচারিত মিথ্যা খবরের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং এই ধরনের সংবাদ প্রচারের জন্য দায়ী সকল পক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।” মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ আনা হয়েছে, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনে করা হয়েছে। এই ঘটনা সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় একে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ দ্রুত এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির
দাবি জানাচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা অপ্রমাণিত বলে দাবি করছে।
ধরে অবস্থান করছিলেন, কারণ তারা বিএনপি, জামায়াত এবং তাদের সহযোগী সন্ত্রাসী গ্রুপের হামলা, মামলা ও নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এদিন, বিএনপি এবং তার অঙ্গ সংগঠনের কিছু সন্ত্রাসী ২৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় ওই বাসায় হামলা চালায়। হামলাকারীরা নেতাকর্মীদের মোবাইল ফোন, টাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। হামলার সময়, সন্ত্রাসীরা তাদের মোবাইল চেক করে এবং আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী বলে গালাগাল করে। পরবর্তীতে, পাহাড়তলী থানা পুলিশকে খবর দেয়া হলে, পুলিশ এসে নেতাদের গ্রেফতার করে। এ ঘটনার পর, মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ছয়জন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। এই নেতাদের বিরুদ্ধে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের
মুক্তির দাবিতে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে অভিযোগ আনা হয়। গ্রেফতারকৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—১৩ নম্বর মায়ানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মামুনুর রশিদ, ১২ নম্বর খৈয়াছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন খান, ১৩ নম্বর মায়ানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়াছিন উল্যাহ, ১৩ নম্বর মায়ানী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. আবু হেনা বাদশা, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম এবং যুবলীগ কর্মী আবদুর রহিম। মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ এই মিথ্যা সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলার নিন্দা করেছে। আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ দাবি করেছে, এই ষড়যন্ত্রমূলক গ্রেফতারি এবং সংবাদ প্রচার তাদের
সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা। তারা দ্রুত এসব নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করছে এবং গ্রেফতারির ঘটনাটি একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখছে। মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা যমুনা টিভি এবং অন্যান্য মিডিয়ায় প্রচারিত মিথ্যা খবরের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং এই ধরনের সংবাদ প্রচারের জন্য দায়ী সকল পক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।” মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ আনা হয়েছে, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনে করা হয়েছে। এই ঘটনা সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় একে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ দ্রুত এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির
দাবি জানাচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা অপ্রমাণিত বলে দাবি করছে।



