ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট কবে?
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আমার কবরে যেন লেখা থাকে, আমি শেখ হাসিনার সৈনিক’: এক বছর ধরে কারাগারে মুকিব, খবর রাখে না কেউ!
৫ই আগস্টের বৈরী পরিবেশে যখন সবাই আত্মগোপনে, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকার রাজপথে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলেছিলেন বিসিএস কর্মকর্তা মুকিব মিয়া।
অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ২১ দফার লিফলেট বিতরণ করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হওয়ার পর পেরিয়ে গেছে এক বছরেরও বেশি সময়।
প্রথম শ্রেণির সরকারি ক্যারিয়ার তুচ্ছ করে যিনি দলের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিলেন, আজ অন্ধকার কারাগারে তাঁর খোঁজ নিচ্ছেন না কেউ।
গ্রেপ্তারের আগে তাঁর সেই অকুতোভয় উচ্চারণ— ‘আমি মারা গেলেও আমার কবরে যেন লেখা থাকে, মুকিব মিয়া শেখ হাসিনার সৈনিক।’
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর চারদিকে যখন চরম আতঙ্ক, দলের বাঘা বাঘা নেতারা যখন আত্মগোপনে, তখন নিজের প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরির মায়া ত্যাগ করে রাজপথে নেমেছিলেন
তিনি। বুকে ধারণ করেছিলেন দলের আদর্শ আর নেত্রীর প্রতি অগাধ ভালোবাসা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, অন্তর্বর্তী সরকারের রোষানলে পড়ে আজ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অন্ধকার কারাগারে বন্দী সেই লড়াকু যোদ্ধা মুকিব মিয়া। অথচ আক্ষেপের বিষয় হলো, চরম দুঃসময়ে যিনি দলের জন্য নিজের জীবন বাজি রেখেছিলেন, আজ সেই বিপদের দিনে তাঁর খবর কেউ রাখে না! মুকিব মিয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের (সোহাগ-নাজমুল কমিটি) সাবেক গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এবং ৩১তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের একজন মেধাবী কর্মকর্তা। জানা যায়, ৫ই আগস্টের পর আগস্টের ১০-১২ তারিখের দিকে ঢাকার বুকে যখন চারদিক স্তব্ধ, ‘আওয়ামী লীগ’ বা ‘জয় বাংলা’ বলা যখন এক প্রকার পাপে পরিণত
হয়েছে, ঠিক তখনই তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান তুলে মুক্তির মিছিলের সূচনা করেছিলেন। তাঁর সেই স্লোগান সেদিন থমকে থাকা অনেক নেতা-কর্মীর রক্ত নতুন করে টগবগ করে জ্বালিয়ে তুলেছিল। পরবর্তীতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১ দফা বাস্তবায়নে জনমত গঠনের লক্ষ্যে তিনি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন। আর এ কারণেই সরকারের চরম রোষানলে পড়েন তিনি। তাঁকে গ্রেপ্তার করার পর জুলাই-আগস্টের বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হয়। রিমান্ড শেষে পাঠানো হয় কারাগারে। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেছে এক বছরেরও বেশি সময়, এখনো তিনি জেলের চার দেয়ালে বন্দী। খোঁজ রাখে না কেউ দলের প্রতি যাঁর এত গভীর প্রেম, আজ সেই দলের নেতারাই
যেন তাঁকে ভুলে গেছেন। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের চরম আক্ষেপ, দলের ক্রান্তিলগ্নে যিনি বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন, আজ কারাগারে তাঁর একাকী ও নিঃসঙ্গ দিন কাটছে। দলের শীর্ষ পর্যায় বা সহযোদ্ধাদের অনেকেই আজ তাঁর কোনো খোঁজ রাখছেন না। প্রথম শ্রেণির নিরাপদ চাকরি আর সুখের জীবন ছেড়ে যিনি দলের জন্য সব হারালেন, তাঁর এই অবমূল্যায়ন অনেককেই ব্যথিত করছে। অথচ এই মুকিব মিয়াই গ্রেপ্তারের আগে চরম সাহসিকতার সঙ্গে বলেছিলেন, “আমি মারা গেলেও আমার কবরে যেন লেখা থাকে, মুকিব মিয়া শেখ হাসিনার সৈনিক!” আজ মুকিব মিয়া একা হতে পারেন, তাঁর খোঁজ নেওয়ার মতো কেউ না থাকতে পারে; কিন্তু তাঁর এই আত্মত্যাগ মুজিবাদর্শের তৃণমূল কর্মীদের কাছে এক
উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এত অবহেলা আর অন্ধকারের মাঝেও মুকিব মিয়ার অনুসারীরা বিশ্বাস করেন— অন্ধকার ছেদ করে আলো আসবেই। আগামীর মুক্তির মিছিলে এই ত্যাগী যোদ্ধার সাথে আবার দেখা হবে রাজপথে। আগামী দিন এমন নিঃস্বার্থ সৈনিকদেরই হবে।
তিনি। বুকে ধারণ করেছিলেন দলের আদর্শ আর নেত্রীর প্রতি অগাধ ভালোবাসা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, অন্তর্বর্তী সরকারের রোষানলে পড়ে আজ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অন্ধকার কারাগারে বন্দী সেই লড়াকু যোদ্ধা মুকিব মিয়া। অথচ আক্ষেপের বিষয় হলো, চরম দুঃসময়ে যিনি দলের জন্য নিজের জীবন বাজি রেখেছিলেন, আজ সেই বিপদের দিনে তাঁর খবর কেউ রাখে না! মুকিব মিয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের (সোহাগ-নাজমুল কমিটি) সাবেক গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এবং ৩১তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের একজন মেধাবী কর্মকর্তা। জানা যায়, ৫ই আগস্টের পর আগস্টের ১০-১২ তারিখের দিকে ঢাকার বুকে যখন চারদিক স্তব্ধ, ‘আওয়ামী লীগ’ বা ‘জয় বাংলা’ বলা যখন এক প্রকার পাপে পরিণত
হয়েছে, ঠিক তখনই তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান তুলে মুক্তির মিছিলের সূচনা করেছিলেন। তাঁর সেই স্লোগান সেদিন থমকে থাকা অনেক নেতা-কর্মীর রক্ত নতুন করে টগবগ করে জ্বালিয়ে তুলেছিল। পরবর্তীতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১ দফা বাস্তবায়নে জনমত গঠনের লক্ষ্যে তিনি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন। আর এ কারণেই সরকারের চরম রোষানলে পড়েন তিনি। তাঁকে গ্রেপ্তার করার পর জুলাই-আগস্টের বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হয়। রিমান্ড শেষে পাঠানো হয় কারাগারে। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেছে এক বছরেরও বেশি সময়, এখনো তিনি জেলের চার দেয়ালে বন্দী। খোঁজ রাখে না কেউ দলের প্রতি যাঁর এত গভীর প্রেম, আজ সেই দলের নেতারাই
যেন তাঁকে ভুলে গেছেন। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের চরম আক্ষেপ, দলের ক্রান্তিলগ্নে যিনি বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন, আজ কারাগারে তাঁর একাকী ও নিঃসঙ্গ দিন কাটছে। দলের শীর্ষ পর্যায় বা সহযোদ্ধাদের অনেকেই আজ তাঁর কোনো খোঁজ রাখছেন না। প্রথম শ্রেণির নিরাপদ চাকরি আর সুখের জীবন ছেড়ে যিনি দলের জন্য সব হারালেন, তাঁর এই অবমূল্যায়ন অনেককেই ব্যথিত করছে। অথচ এই মুকিব মিয়াই গ্রেপ্তারের আগে চরম সাহসিকতার সঙ্গে বলেছিলেন, “আমি মারা গেলেও আমার কবরে যেন লেখা থাকে, মুকিব মিয়া শেখ হাসিনার সৈনিক!” আজ মুকিব মিয়া একা হতে পারেন, তাঁর খোঁজ নেওয়ার মতো কেউ না থাকতে পারে; কিন্তু তাঁর এই আত্মত্যাগ মুজিবাদর্শের তৃণমূল কর্মীদের কাছে এক
উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এত অবহেলা আর অন্ধকারের মাঝেও মুকিব মিয়ার অনুসারীরা বিশ্বাস করেন— অন্ধকার ছেদ করে আলো আসবেই। আগামীর মুক্তির মিছিলে এই ত্যাগী যোদ্ধার সাথে আবার দেখা হবে রাজপথে। আগামী দিন এমন নিঃস্বার্থ সৈনিকদেরই হবে।



