আমরা জন্মভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

আমরা জন্মভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ |
ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা রোহিঙ্গাদের দায়িত্ব। তবে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে থাকতে আসেনি। বাংলাদেশ সরকার আমাদের জমি, ঘর ও খাবারের ব্যবস্থা করেছে। আমরা তাদের প্রতি আজীবন ঋণী। বিশ্ববাসীর উচিত আমাদের দ্রুত ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজ দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা। বুধবার দুপুরে উখিয়ার কুতুপালং ১ নম্বর ইস্ট ক্যাম্পে রোহিঙ্গা যুব সংগঠন ‘ইসলামী মাহাসা’র উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা এসব কথা বলেন। সমাবেশে লক্ষাধিক বিভিন্ন বয়সী রোহিঙ্গা উপস্থিত হন। তারা মিয়ানমারে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা জোরদার করার দাবি জানিয়ে দ্রুত নিজ দেশে ফেরার স্লোগান দেন। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে শরণার্থী জীবনকে খাঁচার পাখির বন্দি জীবনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাদের দাবি, মিয়ানমারের নাগরিক

অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিজ দেশে ফিরে যাওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। রোহিঙ্গা নেতা ডা. মোহাম্মদ জোবায়ের বলেন, ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা রোহিঙ্গাদের দায়িত্ব। তবে আমরা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে থাকতে আসিনি। বাংলাদেশ সরকার আমাদের জমি, ঘর ও খাবারের ব্যবস্থা করেছে। আমরা তাদের প্রতি আজীবন ঋণী। জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ সরকার সহযোগিতা করলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, রাখাইনে আরাকান আর্মিও রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। আরেক রোহিঙ্গা নেতা রাহমত করিম বলেন, ক্যাম্পের এমন জরাজীর্ণ বন্দি জীবন মানবিক নয়। বিশ্ববাসীর উচিত আমাদের দ্রুত ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজ দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা

করা। ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি সিরাজ আমিন জানান, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রোহিঙ্গাদের গণসমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ক্যাম্পগুলোয় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও অপরাধ প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে এ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। তারা সোমবার এ সমাবেশের অনুমতি নিয়েছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকার ছবি তুলে বিশ্ব বিবেক নাড়িয়ে দেওয়া আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর দুর্নীতির আখড়া ডিএনসিসি: বাজারদরের ৬ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ দিতে বারবার দরপত্র বাতিল, শর্ত বদল ডিএনসিসির ইজারা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: বাজেয়াপ্ত পে-অর্ডারের সাড়ে ৭ কোটি টাকা উত্তোলন, জানে না কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি? বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা” গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য