আবেদন করা হয়নি’ বলে অপপ্রচার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

আবেদন করা হয়নি’ বলে অপপ্রচার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ |
স্ত্রী ও সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে পারেননি কারাবন্দি জুয়েল: আবেদনের প্রমাণ থাকার পরেও মেলেনি প্যারোল, প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ বাগেরহাট প্রতিনিধি: কারাবন্দি ছাত্রদল নেতা জুয়েল হোসেন সাদ্দামের স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী শিশুসন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। তবে এই শোকের চেয়েও বড় আক্ষেপ হয়ে দাঁড়িয়েছে শেষ বিদায়ের মুহূর্তে স্বামীর উপস্থিতি না থাকা। অভিযোগ উঠেছে, যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্যারোলের আবেদন করা সত্ত্বেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং প্রশাসনিক অসহযোগিতার কারণে স্ত্রী ও সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে পারেননি জুয়েল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মহল প্রচার চালাচ্ছে যে, কারাবন্দি জুয়েল হোসেন সাদ্দামকে জানাজায় উপস্থিত করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আবেদনই করা হয়নি। তবে এই দাবির

সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার। তাদের দাবির স্বপক্ষে গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর করা একটি লিখিত আবেদনের কপি পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত নথিতে দেখা যায়, জুয়েল হোসেন সাদ্দামের মামা মো. হেমায়েত উদ্দিন লিখিতভাবে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছিলেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ জানুয়ারি জুয়েলের স্ত্রী ও সন্তান মৃত্যুবরণ করেন এবং পরদিন ২৪ জানুয়ারি বাদ আসর জানাজার সময় নির্ধারণ করা হয়। মানবিক কারণে ওই জানাজায় অংশ নিতে বাগেরহাট থেকে বর্তমানে যশোর কারাগারে স্থানান্তরিত জুয়েলের মুক্তির প্রার্থনা জানানো হয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তারা এই আবেদনটি নিয়ে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন থেকে

শুরু করে যশোর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয় পর্যন্ত দিনভর দৌড়ঝাঁপ করেছেন। কিন্তু সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতার অজুহাতে প্রশাসন তাদের সহায়তা করতে গড়িমসি করে। সূত্রমতে, স্থানীয় পুলিশের বিশেষ শাখা (ডিএসবি) থেকে প্রশাসনের কাছে একটি নেতিবাচক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, জুয়েল হোসেন সাদ্দামকে জানাজায় নিয়ে আসা হলে সেখানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে পারে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে। মূলত জনসমাগম ও নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়েই প্রশাসন আবেদনটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনতা ও নেটিজেনরা। তারা বলছেন, এটি চরম অমানবিকতা। একজন মানুষের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর পর শেষবারের মতো

তাদের মুখ দেখার সুযোগ না দেওয়া মানবাধিকারের লঙ্ঘন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার এবং প্রশাসনের এমন ভূমিকাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে ধিক্কার জানাচ্ছেন সচেতন মহল। উল্লেখ্য, জুয়েল হোসেন সাদ্দাম বর্তমানে একটি রাজনৈতিক মামলায় বাগেরহাট থেকে স্থানান্তরিত হয়ে যশোর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আকুর বড় অঙ্কের বিল দিয়েও ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রিজার্ভ যেসব ভুলের কারণে ইরান যুদ্ধে হারতে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণ গেল, মোট মৃত্যু ৪০৯ ‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’ যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব দিল ইরান ইরান কখনোই শত্রুর সামনে মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও লেবাননে হামলা বন্ধের দাবিতে উত্তাল ইসরাইল ট্রাম্পের হাতে কি এলিয়েনদের গোপন তথ্য? বিশ্বজুড়ে তোলপাড় করা দাবি বিজ্ঞানীর আদালতে বিচারকের সামনে নারী বিচারপ্রার্থীর বিষপান দেশের ১৮ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ১৩ ও ১৪ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদল ঢাবি প্রক্টরের পদত্যাগ বিষমাখা আম-লিচুতে সয়লাব বাজার আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই ভাগ না পেয়ে কাজ বন্ধ করলেন এমপি চাঁদ! মিরপুর স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটে আগুন বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসছেন সেই ক্রিস কোলম্যান? বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম ৬ গাড়ি আর শতকোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিট ছাড়াও বিজয়ের যত সম্পত্তি