আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
ভাষার জন্য জীবন দেয়ার গৌরবময় ইতিহাস বিশ্বদরবারে উপস্থাপিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে আসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকার পরিচালনার সময়ই ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' এর স্বীকৃতি দেয়। এখানেই শেষ নয়, দ্বিতীয় দফা সরকার গঠনের পর ২০১০ সালে জাতিসংঘের ৬৫তম সাধারণ অধিবেশনে জাতিসংঘে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়। দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে রাষ্ট্রভাগ হলেও মাতৃভাষার প্রশ্নে বাঙালি বরাবরই ছিল আপোষহীন। ফলে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করা হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাঙালী। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন। সে আন্দোলনে বাঙালীর আত্মত্যাগের সবচে গুরুত্বপূর্ণ

দিন ছিল ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি। ভাষা সৈনিকদের রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। বাঙালীর মুক্তিসংগ্রামে রচিত হয় নতুন অধ্যায়। সেই থেকে দিনটি শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল। এরপর ১৯৯৮ সাল। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তখন শেখ হাসিনা। কানাডা প্রবাসী দুই বাঙালি রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালাম ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার 'মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভার্স অব দ্য সোসাইটি'র পক্ষে জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনানের কাছে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন সাত জাতি ও সাত ভাষার ১০ জন সদস্য। তবে মহাসচিবের দপ্তর জানায় এ বিষয়ে যোগাযোগ করতে হবে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা-ইউনেস্কোর সাথে। ১৯৯৯ সালের ৩রা মার্চ ইউনেস্কো জানায়,

প্রস্তাবটি পরিচালনা পর্ষদের কোনো সদস্য রাষ্ট্রের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদের সভায় তুলতে হবে। রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন দ্রুত প্রস্তাবটি পাঠিয়ে দেন প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়েই ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন তখনকার শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক। এ নিয়ে বিভিন্ন দেশের শিক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পক্ষে জনমতও গড়ে তোলেন তিনি। ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর প্যারিসে ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এতে ১৮৮টি দেশ সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই ২১শে ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের সদস্য

দেশগুলোতে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীর বিকাশমান এবং বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলোর মর্যাদা রক্ষায় গবেষণার জন্য ঢাকায় 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে'র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে আবারও ক্ষমতায় এলে ২০১০ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ভবনের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। ঐ বছরই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাবটি, ২১শে অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে উত্থাপন করে বাংলাদেশ যা সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘ছিন্ন বিশ্বে’ একতার গান মালয়েশিয়ায় ৫ মাসে ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক হোয়াইট হাউসকে আরিয়ানার হুঁশিয়ারি, ‘বর্বর কাজে’ আমার গান ব্যবহার করবেন না ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই চিকিৎসাসামগ্রীর গুদাম শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই: শিক্ষা অধিকার সংসদ আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা সিপিবির প্রতিক্রিয়া: বাজেটে নেই ব্যয় কমানোর আশাবাদ, বাড়বে বৈষম্য খুলনায় বাড়ির সামনে গুলি করে বিএনপি নেতা ঢাকাইয়া রফিককে হত্যা কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের ‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী শিশু ফাহিমা ধর্ষণ-হত্যা: ৩৩ দিন পর আদালতে চার্জশিট আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন প্রতিবেশীর শয়নকক্ষে মিলল শিশু ‘রাকার’ বস্তাবন্দি লাশ বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে ভক্তদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চান বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ বিশ্বকাপের মাঝেই চলে গেলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ব্রিতো মেক্সিকো সিটিতে বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধন ৩ লাল কার্ডের নাটকীয় উদ্বোধনী ম্যাচে দ. আফ্রিকাকে হারাল মেক্সিকো পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া