আদিবাসী ছাত্রজনতার ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মশাল মিছিল – ইউ এস বাংলা নিউজ




আদিবাসী ছাত্রজনতার ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মশাল মিছিল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ | ৮:১১ 33 ভিউ
ঢাকায় আদিবাসী ছাত্রজনতার ওপর হামলার প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আদিবাসী শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে মশাল মিছিলটি শুরু হয়। ক্যাম্পাসের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা। সমাবেশ থেকে বিক্ষোভে হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। সেইসঙ্গে পাঠ্যপুস্তক থেকে আদিবাসী শব্দ সম্বলিত গ্রাফিতির ছবি পুনর্বহাল এবং স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি নামের সংগঠনকে উগ্রবাদী আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি জানান তারা। সমাবেশে বক্তারা বলেন, জুলাই-আগস্ট গণঅঅভ্যুত্থানের পর তারা আশা করছিলেন, সাম্য, সামাজিক ন্যায়,

বহুমাত্রিক, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠিত হবে। কিন্তু সবার মুখে শুধু বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার কথার ফুলঝুড়ি, বাস্তবে এ কথার কোনো প্রয়োগ নেই। স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও তারা সাংবিধানিক স্বীকৃতি পাননি। যখনই তারা ন্যায্য অধিকার, সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলেন, তখনই একটা পক্ষ তাদেরকে ভারতের দালাল বলে বিভাজন তৈরি করে এবং দেশ ভাগ করার অভিযোগ তোলেন। বৈষম্যহীন দেশ গড়ার জন্য গণঅভ্যুত্থানে তারাও আন্দোলন করেছেন। তারা কখনোই দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চান না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছয়েস তালুকদার বলেন, ‘আমরা দেখেছি ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ বাহিনী কীভাবে হামলা করেছে। একই কায়দায় আজকেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে পুলিশ। আমরা এ হামলাকারী পুলিশদের

বিচার চাই। সেইসঙ্গে স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি নামের উগ্রবাদী সংগঠনের হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচার আওতায় আনতে হবে এবং ওই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।’ সরকারের সমালোচনা করে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি শাকিল হোসেন বলেন, ‘আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা তো পাঠ্যবইয়ে আদিবাসী শব্দ সম্বলিত গ্রাফিতি যুক্ত করতে বলেননি। সরকারই যুক্ত করে আবার সেটা বাতিল করল। তাহলে উনারা কী এর দায় নিবেন না? আসলে উনারা মূলত বিভাজনের রাজনীতি করেন, বিভাজনের মধ্য দিয়ে মানুষকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ফায়দা নিতে চান। দীর্ঘ ৫০ বছর দেশের রাজনীতিতে আমরা এটাই দেখেছি। এই বিভাজনের রাজনীতি দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, এটাই তার প্রমাণ। আপনারা বিভাজনের রাজনীতির মধ্য দিয়ে বারবার বাংলাদেশকে বিভক্ত করতে

চান, আবার কথায় কথায় আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে বলেন। যখনই ঐক্য যদি অধিকারের প্রশ্ন হয়, তখনই আপনারা পিছ-পা হন।’ অবিলম্বে পাহাড় ও সমতলের আদিবাসীদের অধিকার ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা খাতে সংকট: বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ইয়াঙ্কিস ও মেটস আমাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে: এরিক ‌‌অ‍্যাডামস্ ট্রাম্পের গাড়ির উপর শুল্ক: আমেরিকায় কর্মসংস্থান ও মজুরি বৃদ্ধি ট্রাম্প প্রশাসনে ছাঁটাই, নতুন শুল্ক আরোপ ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে প্রায় ২২ মিলিয়ন মানুষ মেয়র এরিক অ্যাডামসের দুর্নীতি মামলা স্থায়ীভাবে বাতিল ঈদ আনন্দে প্রবাসীদের পাশে ছিল না ফ্রান্স দূতাবাস ৫৫ সদস্যের বাংলাদেশ উদ্ধার ও চিকিৎসা দল নেপিদোতে পৌঁছেছে এনডোবার সিটিতে ঈদের আনন্দ প্রবীণদের নিয়ে সেন্টারলাইট হেলথকেয়ারের ঈদ উদযাপন হোমকেয়ারে অস্থিরতা ‘ফুটবলকে ধ্বংস করে দিচ্ছে ভিএআর’ ৯ মাসে সাত সিরিজ, ব্যস্ত সূচিতে বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করল আদালত, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন তীব্র হলো বৈশ্বিক বাণিজ্যযুদ্ধ প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টা: অভিযুক্তকে কান ধরিয়ে ওঠবস ও সমাজচ্যুতে মীমাংসা আবহাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর মার্কিন শুল্কে রপ্তানি খাতে উদ্বেগ অবশেষে লবণবাহী ট্রাক ধরে মামলা দিল পুলিশ ঈদেও নিষ্ক্রিয় সেই সব ‘কিংস পার্টি’