ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
১৫ বছর কী স্বার্থে কেন চুপ ছিলেন?’—ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে খোলা চিঠিতে প্রশ্ন
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটি আসন্ন এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ ও ‘জাতির সঙ্গে তামাশা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায় দলটি।
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ অভিযোগ করেছে, বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে জনগণের অর্থায়নে নির্বাচন নামক যে ‘নাটক’ মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে, তা নিছক ধোঁকা ও প্রতারণা। প্রতারণাপূর্ণ এই নির্বাচনকে দলটি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ অপচয় করে, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিজেদের মতো ব্যবহার করে এবং জনগণের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে এই নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে। একে ‘একপেশে ও
সমঝোতার নির্বাচন’ উল্লেখ করে দলটি দাবি করেছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ইতিমধ্যে বিভিন্ন পরিসরে এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবাসীরা ও কারাবন্দীরা প্রায় সবাই ভোট দান থেকে বিরত থেকেছেন। ভোটাধিকার হরণ করে আয়োজিত এই নির্বাচন বাংলাদেশকে গভীর সংকটে নিয়ে যাবে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে আমরা কেউই এই নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দেশকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিতে পারি না। এই নির্বাচনে আপনার ভোট প্রদান আগামীর সংকটের জন্য দায়ী। অন্তত ভোট বর্জন করে নিজেকে সে দায় থেকে মুক্ত রাখুন।’ দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও দেশপ্রেমিক নাগরিকদের প্রতি
আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘আপনারা এই শঠতা ও কপটতাপূর্ণ একপেশে নির্বাচনে ভোট বর্জনের মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা ও জনগণের অর্থে পরিচালিত এই প্রহসনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ও দৃঢ় প্রতিবাদ জানান। আপনার আজকের এই প্রতিবাদই আগামীর বাংলাদেশকে পথ দেখাবে, সংকট থেকে মুক্ত করবে।’
সমঝোতার নির্বাচন’ উল্লেখ করে দলটি দাবি করেছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ইতিমধ্যে বিভিন্ন পরিসরে এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবাসীরা ও কারাবন্দীরা প্রায় সবাই ভোট দান থেকে বিরত থেকেছেন। ভোটাধিকার হরণ করে আয়োজিত এই নির্বাচন বাংলাদেশকে গভীর সংকটে নিয়ে যাবে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে আমরা কেউই এই নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দেশকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিতে পারি না। এই নির্বাচনে আপনার ভোট প্রদান আগামীর সংকটের জন্য দায়ী। অন্তত ভোট বর্জন করে নিজেকে সে দায় থেকে মুক্ত রাখুন।’ দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও দেশপ্রেমিক নাগরিকদের প্রতি
আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘আপনারা এই শঠতা ও কপটতাপূর্ণ একপেশে নির্বাচনে ভোট বর্জনের মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা ও জনগণের অর্থে পরিচালিত এই প্রহসনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ও দৃঢ় প্রতিবাদ জানান। আপনার আজকের এই প্রতিবাদই আগামীর বাংলাদেশকে পথ দেখাবে, সংকট থেকে মুক্ত করবে।’



