অভিযানের মধ্যেও খুনোখুনি, নিরাপত্তার শঙ্কা বাড়ছে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৮:২১ পূর্বাহ্ণ

অভিযানের মধ্যেও খুনোখুনি, নিরাপত্তার শঙ্কা বাড়ছে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৮:২১ 13 ভিউ
পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে গত সোমবার তিন জেলায় তিনটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে যশোরের মনিরামপুরে রানা প্রতাপ বৈরাগী নামে এক ব্যবসায়ীকে মাথায় গুলি ও ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। চট্টগ্রামের রাউজানে সিকদারপাড়ায় রাত ৮টার দিকে মুহাম্মদ জানে আলম সিকদার নামে যুবদল নেতাকে মাথায় গুলি করে খুন করা হয়। এর তিন ঘণ্টা পর নরসিংদীর পলাশে গুলি করে খুন করা হয় মনি চক্রবর্তী নামে আরেক ব্যবসায়ীকে। নতুন বছরের প্রথম ছয় দিনে আলোচিত আটটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে পাঁচজনকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা। তাদের মধ্যে দুজনের মাথা টার্গেট করা হয়। আরেকজনের ঘাড়ে গুলি করা হয়েছে। বাকি পাঁচজনের

মধ্যে একজনকে কুপিয়ে ও দুজনকে শ্বাসরোধে মারা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে খুনোখুনি ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছেনি। রাজনৈতিক বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার, ব্যক্তিগত শক্রতাকে কেন্দ্র করে প্রাণ ঝরছে। নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা গভীর হচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। নির্বাচনকেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, অনেক এলাকায় এখনও চিহ্নিত সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের জেলের বাইরে রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে

অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ শুরু করে সরকার। সোমবার পর্যন্ত ২৩ দিনে এ অভিযানে ১৫ হাজার ৯ জন গ্রেপ্তার ও ২১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে অভিযানের মধ্যেও থেমে নেই খুনোখুনি। গত ২৯ ডিসেম্বর পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আগামী নির্বাচনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে যে কোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নির্দেশ দেন। ওই সময় ভার্চুয়ালি সব জেলার এসপি, রেঞ্জ ডিআইজিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গত ১৫ ডিসেম্বর ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছেন আইজিপি। ওই বৈঠকে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়েও পুলিশের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরা হয়।

গতকাল রাতে আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। বছরে সাধারণত আমাদের দেশে সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার খুন হয়। রাজনৈতিক বিরোধ থেকে সম্প্রতি কিছু খুনের ঘটনা ঘটছে। এগুলো পরিকল্পনামতো করছে দুর্বৃত্তরা। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঠেকানো তেমন সম্ভব হয় না। তবে ঘটনায় জড়িতরা গ্রেপ্তার হলে দ্বন্দ্ব-সংঘাত কমে আসে। আমরা অনেক ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ চলছে। এটি চলমান থাকবে। যারা নির্বাচন করতে দেবে না– এমন হুমকি দিচ্ছে বা হুমকি হতে পারে বলে মনে করছি, তাদের অধিকাংশ চলমান অভিযানে ধরা পড়ছে। তারা গ্রেপ্তার হলেই খুনোখুনি বন্ধ হবে– এমনটা নয়। রাউজানে

বেশ কিছু হত্যাকাণ্ড ঘটেছে দুটি রাজনৈতিক গ্রুপের বিরোধে। বেহাত অস্ত্র নির্বাচনী পরিবেশের জন্য হুমকি থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুণ্ঠিত যেসব অস্ত্র এখনও বেহাত সেটি নির্বাচনের পরিবেশের জন্য হুমকি হতে পারে। পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গতকাল পর্যন্ত এক হাজার ৩৩৩টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। এ ছাড়া বিভিন্ন বোরের গুলির হদিস নেই দুই লাখ ৪৩ হাজার ৮৪৬টি। গোলাবারুদ মিলিয়ে এই সংখ্যা দুই লাখ ৫৭ হাজার ১৫৯টি। বেহাত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে চায়না রাইফেল ১১৩টি, এসএমজি ৩১টি, এলএমজি তিনটি ও চায়না পিস্তল ২০৬টি। পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে কয়েক দফায় পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার। এলএমজিতে পাঁচ লাখ, এসএমজিতে দেড় লাখ, চায়না রাইফেলে এক লাখ এবং পিস্তল

ও শটগানে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। এ ছাড়া প্রতি রাউন্ড গুলির জন্য পুরস্কার ৫০০ টাকা। লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রকৃত সন্ধানদাতাকে কাছের থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত একজনের কাছ থেকেও লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গুলির ব্যাপারে কোনো তথ্য পায়নি পুলিশ। পুরস্কার ঘোষণার বিষয়ে কোনো সাড়া মেলেনি। সব মিলিয়ে পুলিশের পাঁচ হাজার ৭৬৩টি অস্ত্র ও ছয় লাখ ৫২ হাজার আটটি গোলাবারুদ লুট হয়। জেল পলাতকদের নিয়ে ভয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ও পরে দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে এখনও ৭১০ জন ধরা পড়েনি। ফেরারি হওয়া বন্দিদের মধ্যে ৯ জন হত্যা মামলার আসামি; যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ৪১ জন।

দুর্ধর্ষ অপরাধী তিনজন। এ ছাড়া কারাগার থেকে খোয়া যাওয়া অস্ত্রের মধ্যে ২৭টি এখনও বেহাত। কারাগার থেকে লুট হওয়া সাত হাজার রাউন্ড গুলির খোঁজ নেই। এসব অস্ত্রের মধ্যে আছে চায়নিজ রাইফেল ও শটগান। কারা অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের আগে-পরে দেশের ১৭টি কারাগারের বন্দিরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। পালিয়ে যায় নরসিংদী, শেরপুর ও সাতক্ষীরা কারাগারের সব বন্দি। নরসিংদী কারাগার থেকে ৮২৬ জন, শেরপুর থেকে ৫০০, সাতক্ষীরা থেকে ৬০০, কুষ্টিয়া কারাগার থেকে ১০৫ ও কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ২০০ বন্দি পালিয়ে যায়। এর বাইরে জামালপুর কারাগারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও সেখান থেকে বন্দি পালিয়ে যাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। সব মিলিয়ে দেশের কারাগার থেকে সেই সময় দুই হাজার ২৩২ বন্দি পালিয়ে যায়। কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন
    বলেন, পলাতক বন্দি ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান আরও জোরদার করতে বলা হয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি আমরা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে উত্থাপন করেছি। ডেভিল হান্টে গ্রেপ্তার অব্যাহত গত ১৩ ডিসেম্বর অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ ঘোষণা করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। পুলিশ সদরদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত সোমবার পর্যন্ত ২৩ দিনে এ অভিযানে ১৫ হাজার ৯ জন গ্রেপ্তার ও ২১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর আগে গত বছর ৮ ফেব্রুয়ারি অপারেশন ডেভিল হান্ট নামে বিশেষ অভিযান শুরু হয়ে শেষ হয় ২ মার্চ। এ সময়ে ১২ হাজার ২২০ জনকে গ্রেপ্তার, দেশি অস্ত্র ১৮৮টি ও ৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তবে এ অভিযান অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর প্রভাব রাখছে– এ নিয়ে প্রশ্ন অনেকের। গত ছয় দিনে ৮ খুন নতুন বছরের প্রথম ছয় দিনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আটজন খুন হয়েছেন। গতকাল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় নিখোঁজের এক দিন পর মোহাম্মদ শাহেদ ইসলাম নামে এক ছাত্রের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই দিন বিকেলে নিখোঁজের দুই দিন পর গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সিনথিয়া খানম বৃষ্টি নামে ৭ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সোমবার রাতে নরসিংদীর পলাশে মনি চক্রবর্তী নামে এক মুদি দোকানিকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাউজান ও যশোরের মনিরামপুরে দুজনকে গুলি করে খুন করা হয়। তাদের মধ্যে মোটরসাইকেলে এসে রাউজান উপজেলার সিকদারপাড়ার মুহাম্মদ জানে আলম সিকদার নামে এক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি রাউজান উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। একই দিন যশোরের মনিরামপুর উপজেলার কপালিয়া বাজারে রানা প্রতাপ বৈরাগী নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি ও ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি চরমপন্থি সংগঠন পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। সম্প্রতি নড়াইল থেকে প্রকাশিত একটি স্থানীয় পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে শনিবার রাতে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার করালি নওশবা গ্রামে বাসায় ঢুকে সোহেল রানা নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে নিখোঁজের দুদিন পর রোববার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আয়েশা মনির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ছাড়া শনিবার যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং নগর বিএনপির সদস্য ছিলেন। চাঞ্চল্যকর আরও কিছু খুন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় হাদির মাথা লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ৩১ ডিসেম্বর রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবী নাঈম কিবরিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই রাতে তিনি প্রাইভেটকার নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। একটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে আরোহীর সঙ্গে তাঁর বচসা হয়। এ সময় অন্য মোটরসাইকেলে থাকা কিছু লোক নাঈমকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করে। রাতেই তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় ১ ডিসেম্বর জুরাইনে অটোরিকশা চালক পাপ্পু শেখকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের মূল নেতৃত্বে ছিলেন ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি মো. বাপ্পারাজ ওরফে বাপ্পা। দীর্ঘদিন ধরে বাপ্পা জুরাইনে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। সম্প্রতি তাঁর কারবারে বাধা দেয় পাপ্পু শেখের নেতৃত্বে স্থানীয়রা। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে পাপ্পুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ এসব তথ্য জানিয়েছে। ৩০ নভেম্বর দুপুরে খুলনার আদালতের সামনে দু্র্বৃত্তরা ফজলে রাব্বি রাজন ও হাসিব হাওলাদার নামে দুই যুবককে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে। ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবী সেকশন-১২ এলাকায় একটি হার্ডওয়্যার দোকানের মধ্যে ঢুকে তিনজন দুর্বৃত্ত পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করে। খুনিরা পেশাদার ও ভাড়াটে। গত ১০ নভেম্বর পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সামনে শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি একটি হত্যা মামলায় হাজিরা দিয়ে আদালতে গিয়েছিলেন। হত্যার পেছনে অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে পুলিশ। খুনের পরিসংখ্যান পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে তিন হাজার ৫০৯ জন খুন হয়েছেন। অবশ্য জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যার ঘটনায়ও গত বছর কিছু মামলা হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের খুনের সংখ্যা তিন হাজার ২৩। ২০২৪ সাল ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বছর। ২০২২ সালে তিন হাজার ১২৬ জন খুন হয়েছেন। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সারাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা ১০২। ২০২৩ সালে খুন হয়েছেন ৪৫ জন। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) বলছে, গত বছরে রাজনৈতিক সহিংসতায় ১২৩ জন এবং ২০২৩ সালে ৯৬ জন নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে সাত হাজার ৫১১ ও ৯ হাজার ৩৭৯।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পরিবার ও ক্যারিয়ার নিয়ে প্রিয়াঙ্কার উপলব্ধি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড: বাংলাদেশ কেন তালিকায়, কাদের জন্য জামানত যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের গুণতে হবে ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত ভারতেই খেলতে হবে এমন দাবি ভিত্তিহীন: বিসিবি নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়েছে ৩৫ জেলায়, হাসপাতালে নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ কোটি ব্যারেল তেল দেবে ভেনেজুয়েলা: ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে আলোচনা চলছে: হোয়াইট হাউস পাকিস্তান থেকে যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে আলোচনা ঢাবি অধ্যাপক আতাউর রহমান মারা গেছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ক্ষোভ-বিক্ষোভ কলকাতায় ১৩ বছরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারিতে, দার্জিলিংয়ে ১.৫ ডিগ্রি অভিযানের মধ্যেও খুনোখুনি, নিরাপত্তার শঙ্কা বাড়ছে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের খরচ বহনে ইসির সিদ্ধান্ত অপরিণামদর্শী: টিআইবি আগামী সপ্তাহে দায়িত্ব নেবেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ফেলানী হত্যার ১৫ বছর: আজও মেলেনি বিচার, থমকে আছে আইনি লড়াই এআই ব্যবহার করে সহিংসতা হচ্ছে, বন্ধে সরকার ব্যর্থ: ড. দেবপ্রিয় মুস্তাফিজকে স্বাগত জানাল পিএসএল এবার ইরানকে মহান করতে চান ট্রাম্প মার্কিন আগ্রাসনের প্রশংসায় মাচাদো, বললেন ট্রাম্প নোবেলের যোগ্য