অবৈধ সরকারের পালিত ‘মব সন্ত্রাসীদের’ পৈশাচিক হামলায় রক্তাক্ত জননেতা কামরুল হাসান রিপন: অবিলম্বে মুক্তির দাবি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর

বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত!

আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!

স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক

বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?

কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!

অবৈধ সরকারের পালিত ‘মব সন্ত্রাসীদের’ পৈশাচিক হামলায় রক্তাক্ত জননেতা কামরুল হাসান রিপন: অবিলম্বে মুক্তির দাবি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ |
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংগ্রামী সভাপতি ও ঢাকা-০৫ আসনের গণমানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব কামরুল হাসান রিপনের ওপর নারকীয় তান্ডব চালিয়েছে বর্তমান অবৈধ দখলদার সরকারের লেলিয়ে দেওয়া একদল ‘মব সন্ত্রাসী’। গতকাল এই সন্ত্রাসীরা তাকে তার পরিবারের সামনেই পৈশাচিক কায়দায় অমানুষিক নির্যাতন করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। বর্তমানে তিনি পুলিশি হেফাজতে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল ‘অবৈধ সরকারের’ প্রত্যক্ষ মদদে একদল মব সন্ত্রাসী হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান রিপনের ওপর। পরিবারের সদস্যদের আকুতি উপেক্ষা করে তাদের সামনেই তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এই বর্বরোচিত হামলাকে ‘পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা’ বলে

দাবি করেছেন তার অনুসারীরা। নির্যাতনের একপর্যায়ে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। কামরুল হাসান রিপন রাজপথের একজন পরীক্ষিত সৈনিক। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সফল সভাপতি এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নেতাকর্মীরা এক বিবৃতিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "অবৈধ দখলদার সরকার তাদের পতনের ভয়ে এখন মব সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে বিরোধী মতের নেতাদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। কামরুল হাসান রিপন ভাইয়ের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা ও গ্রেফতারের ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। অবিলম্বে তাকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে এবং হামলাকারী মব সন্ত্রাসীদের বিচার না করলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।" সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই ঘটনার প্রতিবাদে

ঝড় উঠেছে। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রিপনের ছবি শেয়ার করে তার দ্রুত সুস্থতা কামনার পাশাপাশি অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনগণ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন: ভুল কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ শামা ওবায়েদের নামে চলছে তদ্বির বাণিজ্য বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত! কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জামায়াতের নির্বাচনী আইকন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির অফিসে এলজিবিটি দপ্তর: বিতর্ক চরমে ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব! স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক আচরণবিধি ভাঙায় পাকিস্তানের আঘা সালমানকে আইসিসির তিরস্কার ও ডিমেরিট বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার? How Long Will People Remain Imprisoned Without Trial? কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম! The International Crimes Tribunal Has Turned into a Machine for Illicit Money অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?