ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৭ই মার্চের চেতনাকে ভয় পায় বলেই দমননীতি—ধানমন্ডিতে ৫ বছরের শিশুসহ পথচারী গ্রেপ্তার
বাধা উপেক্ষা করে হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত বজ্রকণ্ঠ: ৫৫ বছরে ৭ মার্চের অবিনাশী চেতনা
বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচনেও গণতন্ত্র হত্যা
জিরো টলারেন্সের সরকার, জিরো জবাবদিহির দেড় বছর
বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিল আওয়ামী লীগ
সাইনবোর্ডে লেখা রাত ৮টা, কিন্তু ৭টার আগেই বন্ধ তেলের পাম্প!
রক্তে রাঙানো ৫ই মার্চ: বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার মহড়া
১১ সদস্যের গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন
সরকার প্রবীণ সাংবাদিক কামাল আহমেদকে প্রধান করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রোববার (১৮ নভেম্বর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. গীতিআরা নাসরীন, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, সচিব, নিউজ পেপারস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) আখতার হোসেন খান, টেলিভিশন মালিক সমিতির প্রতিনিধি, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, যমুনা টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্রডকাস্ট জার্নালিজম সেন্টারের ট্রাস্টি ফাহিম আহমেদ, সাংবাদিক ও মিডিয়া সাপোর্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক জিমি আমির, ডেইলি স্টারের বগুড়া প্রতিনিধি মোস্তফা সবুজ, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের উপসম্পাদক
টিটু দত্ত গুপ্ত এবং ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন। কমিশন শিগগিরই তাদের কাজ শুরু করবে এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনদের মতামত নেওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। কমিশনের প্রধান ও সদস্যরা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদমর্যাদা ও বেতন পাবেন এবং সুবিধাদি ভোগ করবেন। তবে, তাদের কেউ যদি সুবিধা না নিয়ে স্বেচ্ছায় কাজ করতে চান, তবে তাকে অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। গত ১৭ অক্টোবর স্বাস্থ্য, গণমাধ্যম, শ্রমিক অধিকার ও নারীবিষয়ক আরও ৪টি নতুন সংস্কার কমিশন গঠনের ঘোষণা দেয় সরকার।
টিটু দত্ত গুপ্ত এবং ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন। কমিশন শিগগিরই তাদের কাজ শুরু করবে এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনদের মতামত নেওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। কমিশনের প্রধান ও সদস্যরা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদমর্যাদা ও বেতন পাবেন এবং সুবিধাদি ভোগ করবেন। তবে, তাদের কেউ যদি সুবিধা না নিয়ে স্বেচ্ছায় কাজ করতে চান, তবে তাকে অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। গত ১৭ অক্টোবর স্বাস্থ্য, গণমাধ্যম, শ্রমিক অধিকার ও নারীবিষয়ক আরও ৪টি নতুন সংস্কার কমিশন গঠনের ঘোষণা দেয় সরকার।



