ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
গুম কমিশনে সাক্ষ্যদাতা জঙ্গিরাই আবার বোমা বানাচ্ছে, যাদের সাক্ষ্যে জঙ্গিবিরোধী পুলিশ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার
বাঙালী নারীদের উপর পাক হানাদারদের বর্বরতার ইতিহাস ও পরবর্তীতে হানাদারদের ক্যাম্প উড়িয়ে দেবার বিরত্ব গাঁথা শোনালেন একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শিশু মিয়া
যে দুইদিনই বাঁচি দেশটাত যেনো শান্তিতে থাকতে পারি” – বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজা বেগম —
রাজনীতির বাঁকবদল: শেখ হাসিনার মানবিকতা বনাম ঐতিহাসিক তিক্ততা—একটি বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
ইন্ডিয়া যদি আমাদের সাহায্য না করতো, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা পারতো না দেশটা স্বাধীন করতে” –বীর মুক্তিযোদ্ধা
সেন্টমার্টিন থেকে ফেরা যাত্রীবাহী ট্রলারে মিয়ানমারের গুলি
সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে নাফ নদে একটি যাত্রীবাহী ট্রলারে মিয়ানমার থেকে গুলি চালানো হয়েছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
আজ মঙ্গলবার সকালে আব্দুর রশিদের মালিকানাধীন যাত্রীবাহী ট্রলারটি সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে ফেরার পথে নাফ নদের বদরমোকাম মোহনায় এ ঘটনাটি ঘটে। পরে ট্রলারটি শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে ভিড়ে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। তবে মিয়ানমার থেকে সেদেশের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) নাকি বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি গুলি চালিয়েছে সেটা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ট্রলারের থাকা যাত্রী নাছির উদ্দিন বলেন, ‘চিকিৎসার জন্য মাকে সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজারে ট্রলারে করে যাচ্ছিলাম। মাঝপথে শাহপরীর দ্বীপের ঘোলার চরের কাছাকাছি পৌঁছালে হঠাৎ করে মিয়ানমার থেকে গুলি চালানো হয়। অন্তত
৫০ রাউন্ড মতো গুলি ছোড়া হয়। এতে ট্রলারে একটি কাঠ ভেঙে পড়ে।’ সেন্টমার্টিন সার্ভিস ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, ‘সকালে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ ফেরার পথে যাত্রীবাহী একটি ট্রলারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় ফের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।’ সীমান্তে ট্রলারে গুলি বর্ষণের বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিজিবির টেকনাফে-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, ‘সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে ট্রলারে গুলি করার বিষয়টি এখন শুনেছি। বিষয়ে খবর নেওয়া হবে।’
৫০ রাউন্ড মতো গুলি ছোড়া হয়। এতে ট্রলারে একটি কাঠ ভেঙে পড়ে।’ সেন্টমার্টিন সার্ভিস ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, ‘সকালে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ ফেরার পথে যাত্রীবাহী একটি ট্রলারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় ফের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।’ সীমান্তে ট্রলারে গুলি বর্ষণের বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিজিবির টেকনাফে-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, ‘সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে ট্রলারে গুলি করার বিষয়টি এখন শুনেছি। বিষয়ে খবর নেওয়া হবে।’



