মিয়ানমার সংঘর্ষ ৫ হাজারের বেশি বেসামরিক হত্যা করেছে জান্তা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

মিয়ানমার সংঘর্ষ ৫ হাজারের বেশি বেসামরিক হত্যা করেছে জান্তা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
মিয়ানমারে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দমাতে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ক্ষমতাসীন জান্তা। বাড়িয়েছে হত্যাযজ্ঞ। তিন বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে হাজার হাজার মানুষকে গ্রেফতারও করেছে তারা। ২০২১ সালে ক্ষমতা দখলের পর জান্তা বাহিনী দেশটির ৫ হাজার ৩৫০ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে। এখনো তারা গণগ্রেফতার, হত্যা ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে সমানতালে। বুধবার জাতিসংঘের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে লাখো জনতা। শুরু হয় রক্তাক্ত সহিংসতা। বিক্ষোভ ধীরে ধীরে রূপ নেয় সশস্ত্র বিদ্রোহে। আজও দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে চলছে

তীব্র লড়াই। মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্কের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর হাতে ৫ হাজার ৩৫০ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। তদন্তকারীরা দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় দূর থেকেই শত শত ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করে। এতে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২ হাজার ৪১৪ জন মারা গেছেন ২০২৩-এর এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে, যা আগের প্রতিবেদনের সময়ের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি। এই সময়ে বিমান ও কামান হামলায় শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের মিয়ানমার টিমের প্রধান জেমস রোডেহেভার বলেছেন, মিয়ানমারে মানবাধিকার অতল গহ্বরে পতিত হচ্ছে। জেনেভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে

আলাপকালে তিনি আরও বলেছেন, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী আইনি ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে গভীর সংকট তৈরি করেছে। তাদের দেশ শাসনের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রায় সব ধরনের ভিন্নমতকে অপরাধীকরণ করা হয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিতে প্রায় ২৭ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলে মনে করা হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের মুখপাত্র লিজ থ্রোসেল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে ৮৮ শিশুসহ অন্তত ১ হাজার ৮৫৩ জন হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা গেছেন। এদের মধ্যে অনেকে অপমানজনক জিজ্ঞাসাবাদ, আটকে রাখা বা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়ার পর মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি মিয়ানমার সামরিক বাহিনী। মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পাঠানোর সুপারিশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক। ২০১৭ সালে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংস দমন-পীড়নের জন্য দেশটির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলা চলছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জামিনেও মেলেনি মুক্তি, কারাবন্দি অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: পরিকল্পিত হত্যা- অভিযোগ পরিবারের যুক্তরাষ্ট্রে জি২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা বাদ: কানাডার ওয়াকআউট, ইউরোপের ক্ষোভে বিতর্কিত আয়োজন লাইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: রাশিয়াকে দায়ী করে কড়া পদক্ষেপ জার্মানির ৩৮ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ: বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে এনবিআর কমিশনার মিতু স্বপদে বহাল! হামের টিকাদানের ৩ সপ্তাহে অ্যান্টিবডি তৈরির কথা, ৫ মাসেও কমেনি সংক্রমণ: শিশু মৃত্যু ৯৮৬, টিকার মান প্রশ্নবিদ্ধ ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা যাবে কবে? শাড়িকাণ্ডে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পিবিআই স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল কত নবীর শহর মদিনায় খেজুরের বিশাল সাম্রাজ্য বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ করল নেপাল ইরানে গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ হরমুজ প্রণালির নাম নিজের নামে রাখতে চান ট্রাম্প আসিফের দুর্নীতিকাণ্ডে সচিবসহ ফেঁসে যাচ্ছেন যেসব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পাকিস্তানে আটক সেই পাইলট ছাড়লেন ভারতীয় বিমানবাহিনী একটি কুঁড়ি দুটি পাতায় জমাট বাঁধা কষ্ট মক্কা চুক্তি: নয়া আঞ্চলিক নিরাপত্তার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ অর্ধকোটি টাকা গায়েব নতুন বেতনকাঠামো হাকিম বদলেছে কিন্তু হুকুম বহাল রয়েছে বাংলাদেশ কেন বিমান হাব হবে না …