ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কামরুল হাসান বেঁচে থাকলে ড. ইউনূসকে ‘বিশ্ব বাটপার’ উপাধি দিতেন: আনিস আলমগীর
শুধু ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রো রেল
বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে আবেদন
হরিলুট বাধা দিলেই তাণ্ডব চালায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা
আবারো সংকটে জাতি, আবারো তিনিই প্রেরণা
বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি: ১৬ মার্চ আলোচনার টেবিলে অধিকার ও চূড়ান্ত ফয়সালার ক্ষণ
রায়েরবাজার থেকে মিরপুর: মেধাশূন্য করার সেই নীল নকশা
বুটের শব্দে নির্ঘুম রাত পার গোপালগঞ্জবাসীর: এ যেন একাত্তরের এক যুদ্ধবিধস্থ জনপদ
গোপালগঞ্জ শহর ছিল মৃত্যু মিছিলের শহর । লক্ষ লক্ষ মানুষের মিছিল আর প্রতিবাদের নগরী । পুলিশ ও সেনাবাহিনীর নিষ্ঠুর বুলেটে শিশু , কিশোর ও তরুণের রক্তে রঞ্জিত জনপদ । সেনাবাহিনী ও পুলিশের নির্মম বুলেটে নিহত হলো অগনিত মানুষ ।
জানা যায় অর্ধশত মানুষের লাশ তারা গুম করেছে । এত মৃত্যুর জবাব কে দেবে আজ ? এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে এটিও কি আশা করা যায় ? আজ বাংলাদেশের সেনাবাহিনী যেভাবে নিষ্ঠুর নির্যাতন, নিপীড়ন ও অসংখ্য মানুষকে গুলিবিদ্ধ করলো , রক্তের হোলি খেলা খেললো – তা কি মেনে নেয়া যায় ? সেনাবাহিনীর নির্মম নিষ্ঠুর ও পাশবিক নির্যাতন ‘ ৭১ এর বর্রবর পাকিস্তানি হানাদার
বাহিনীর কথাই স্মরণ করিয়ে দেয় । পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ্য পৃষ্ঠপোষকতায় জামাত শিবির , জংগী গোষ্ঠীর প্রকাশ্য সংগঠন তথাকথিত এনসিপি গোপালগঞ্জে আজ জংগী সভা করার ঘোষনা দেয় । শুরু হয় গত ৭ দিন ধরে নিরীহ গোপালগঞ্জবাসীর ওপর অবর্ননীয় নির্যাতন। শহরের প্রতিটি ঘরে ঘরে গভীর রাতে তল্লাশির নামে চলে লুটপাট, নির্যাতন। পাশাপাশি নির্যাতনের শিকার হয় অসংখ্য নারী । পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি সহ অন্যান্য বাহিনীর চরম নির্যাতন শুরু হয় প্রতিটি ঘরে ঘরে । নারী , শিশু , আবালবৃদ্ধ বনিতা অকথ্য অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয় । কেঁদে ওঠে গোপালগঞ্জবাসী । কি অপরাধ ছিল সাধারন নাগরিকদের? বলুন কি অপরাধ করেছে তারা ? আজ যা ঘটেছে
তা হলো নিরীহ মানুষের ক্ষোভের বিস্ফোরণ। প্রতিবাদ । বিক্ষোভ। অপমান আর বিদ্রোহের বিস্ফোরণ। গত ৭ দিন গোপালগঞ্জের সাধারন মানুষ বাড়ি ছাড়া। সারারাত বুটের শব্দে নির্ঘুম করেছে শহরবাসীর । কিন্তু কেনো ? কাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী ট্যাংক নামিয়েছে? কাদের বিরুদ্ধে মেশিনগানের উদ্যত নল ? বারুদের ঝাজালো গন্ধ? ডিবির একজন জংগী সদস্য একে ফর্রটি সেভেন দিয়ে নির্বিচারে সাধারন মানুষের ওপর গুলি ছুঁড়ছে , রক্তা গড়িয়ে পড়ছে পিজঢালা পথে । এসব নরপিশাচ ঘাতকদের ছবিও আছে ক্যামেরাবন্দি । জেনে রেখ রক্ত ঘাতকেরা , বাংলার জমিনের সংগে বিশ্বাসঘাতকরা – জবাব তোমাদের দিতেই হবে , দিতেই হবে ।
বাহিনীর কথাই স্মরণ করিয়ে দেয় । পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ্য পৃষ্ঠপোষকতায় জামাত শিবির , জংগী গোষ্ঠীর প্রকাশ্য সংগঠন তথাকথিত এনসিপি গোপালগঞ্জে আজ জংগী সভা করার ঘোষনা দেয় । শুরু হয় গত ৭ দিন ধরে নিরীহ গোপালগঞ্জবাসীর ওপর অবর্ননীয় নির্যাতন। শহরের প্রতিটি ঘরে ঘরে গভীর রাতে তল্লাশির নামে চলে লুটপাট, নির্যাতন। পাশাপাশি নির্যাতনের শিকার হয় অসংখ্য নারী । পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি সহ অন্যান্য বাহিনীর চরম নির্যাতন শুরু হয় প্রতিটি ঘরে ঘরে । নারী , শিশু , আবালবৃদ্ধ বনিতা অকথ্য অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয় । কেঁদে ওঠে গোপালগঞ্জবাসী । কি অপরাধ ছিল সাধারন নাগরিকদের? বলুন কি অপরাধ করেছে তারা ? আজ যা ঘটেছে
তা হলো নিরীহ মানুষের ক্ষোভের বিস্ফোরণ। প্রতিবাদ । বিক্ষোভ। অপমান আর বিদ্রোহের বিস্ফোরণ। গত ৭ দিন গোপালগঞ্জের সাধারন মানুষ বাড়ি ছাড়া। সারারাত বুটের শব্দে নির্ঘুম করেছে শহরবাসীর । কিন্তু কেনো ? কাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী ট্যাংক নামিয়েছে? কাদের বিরুদ্ধে মেশিনগানের উদ্যত নল ? বারুদের ঝাজালো গন্ধ? ডিবির একজন জংগী সদস্য একে ফর্রটি সেভেন দিয়ে নির্বিচারে সাধারন মানুষের ওপর গুলি ছুঁড়ছে , রক্তা গড়িয়ে পড়ছে পিজঢালা পথে । এসব নরপিশাচ ঘাতকদের ছবিও আছে ক্যামেরাবন্দি । জেনে রেখ রক্ত ঘাতকেরা , বাংলার জমিনের সংগে বিশ্বাসঘাতকরা – জবাব তোমাদের দিতেই হবে , দিতেই হবে ।



