দল বাঁচাতে হলে দলকেই বদলাতে হবে,আদর্শে ফেরার চ্যালেঞ্জে আওয়ামী লীগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর

খালেদ মুহিউদ্দীন: ক্ষমতায় গিয়ে ইউনূসও অন্য রাজনীতিবিদদের ধারা অনুসরণ করলেন

দেশজুড়ে আইনজীবী সমিতিতে জয়, নওগাঁ–নেত্রকোনায় বিএনপির বাধায় প্রার্থীহীন আওয়ামীপন্থীরা

শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শিশু ইরা হত্যাকারী গ্রেফতার: পূর্বে শিশুধর্ষনে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত, ৫ ই আগস্টের পর কারাগার থেকে মুক্ত

শেখ হাসিনার পতনের পর বিনিয়োগে টানা পতন, ১১ বছরে সর্বনিম্ন অবস্থান

দল বাঁচাতে হলে দলকেই বদলাতে হবে,আদর্শে ফেরার চ্যালেঞ্জে আওয়ামী লীগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৮:৫৯ 88 ভিউ
স্টাফ রিপোর্টার । আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি রাজনৈতিক দল। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও রাষ্ট্রগঠনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে এই দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু ইতিহাসের গৌরবই ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা নয়—বিশেষ করে যখন দলীয় কাঠামোর ভেতরে আদর্শচ্যুতি, সুবিধাবাদ, পরিবারতন্ত্র ও জনবিচ্ছিন্নতা একসঙ্গে শেকড় গাড়ে। আজকের বাস্তবতা হলো, দলের ভেতরে এমন বহু নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তি আছেন যাদের শরীর যেমন চর্বিতে ভারী, তেমনি চরিত্রও ক্ষমতা, অর্থ ও সুবিধাভোগিতার ভারে নতজানু। এদের একটি বড় অংশ অসামাজিক আচরণে অভ্যস্ত, লোপাট ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এবং রাজনীতিকে জনগণের সেবার বদলে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পদ আহরণের হাতিয়ার বানিয়েছে। এই সুবিধাভোগী ও লোপাটকারী শ্রেণি যতদিন দলে প্রভাবশালী

থাকবে, ততদিন আওয়ামী লীগের আদর্শিক ভিত দুর্বলই থাকবে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি মারাত্মক ব্যাধি—পরিবারতন্ত্র। যোগ্যতা, ত্যাগ ও রাজনৈতিক দক্ষতার বদলে আত্মীয়তা, পারিবারিক পরিচয় ও গোষ্ঠীগত আনুগত্য যখন নেতৃত্ব নির্ধারণের মাপকাঠি হয়ে ওঠে, তখন দল অনিবার্যভাবে স্থবির হয়ে পড়ে। পরিবারতন্ত্র রাজনৈতিক কর্মীদের নিরুৎসাহিত করে, ত্যাগীদের কোণঠাসা করে এবং রাজনীতিকে একটি বন্ধ বৃত্তে পরিণত করে। সময়ের দাবি তাই আরও স্পষ্ট ও কঠোর। আওয়ামী লীগকে একদিকে ভুঁড়ি-মোটা, জনবিচ্ছিন্ন ও ক্ষমতালোভী নেতৃত্বকে পরিহার করতে হবে, অন্যদিকে অসামাজিক, লোপাটকারী ও সুবিধাভোগী অপশক্তিকে দল থেকে নির্মমভাবে বাদ দিতে হবে। একই সঙ্গে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে দলের ভেতরে প্রাতিষ্ঠানিক রাজনৈতিক চর্চা গড়ে তুলতে হবে। রাজনৈতিক চর্চা মানে শুধু

সভা-সমাবেশ নয়—এর অর্থ মতভেদ সহ্য করার সংস্কৃতি, নেতৃত্বের জবাবদিহি, তৃণমূল থেকে নেতৃত্ব উঠে আসার সুযোগ এবং নিয়মিত আদর্শিক আলোচনা। যেখানে প্রশ্ন করা অপরাধ নয়, বরং রাজনৈতিক পরিপক্বতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে। দলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে খাঁটি মুজিবপ্রেমী, জনগণপ্রেমী ও দেশপ্রেমী কর্মীদের ওপর। সংখ্যা খুব বড় না হলেও চলবে—পাঁচ লাখ সৎ, ত্যাগী ও মাঠের সঙ্গে যুক্ত কর্মীই একটি রাজনৈতিক দলকে নতুন করে প্রাণ দিতে পারে। যারা রাজনীতিকে পেশা নয়, দায়িত্ব হিসেবে দেখবে। যারা ক্ষমতার কাছে নয়, আদর্শের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। নচেৎ পরিণতি হবে অনিবার্য। জনগণ মুখ ফিরিয়ে নেবে, ত্যাগী কর্মীরা হতাশ হবে, এবং আওয়ামী লীগ ধীরে ধীরে একটি ঐতিহাসিক নামমাত্র সংগঠনে পরিণত হবে—যার

শিকড় আছে অতীতে, কিন্তু প্রাণ নেই বর্তমান ও ভবিষ্যতে। আওয়ামী লীগের সামনে এখন আর কোনো বিকল্প পথ নেই। আত্মশুদ্ধি, আদর্শে ফেরা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি পুনর্গঠনের পথ—অথবা পরিবারতন্ত্র, সুবিধাভোগী ও লোপাটকারীদের আশ্রয়ে থেকে ক্রমশ জনসমর্থন হারানোর পথ। ইতিহাস পরিষ্কারভাবে বলে দেয়—সময় কাউকেই ছাড় দেয় না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রিয়াদে বন্ধ হলো অ্যামেরিকান দূতাবাস নিউ ইয়র্কের ৪টি এলাকায় চালু হচ্ছে বিনামূল্যে ডে-কেয়ার সেবা পরাজয় অথবা আরও আক্রমণের দোটানায় পড়েছেন ট্রাম্প শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর চারদিনে যুক্তরাষ্ট্রের কত ক্ষতি হলো, কাতারে কেন বেশি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা তুরস্কমুখী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র থামাল ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভারত মহাসাগরে ইরানি জাহাজে হামলা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: পেন্টাগন শিশুকে শ্বাসনালি কেটে হত্যা: আদালতে দোষ স্বীকার করে আসামির জবানবন্দি শ্রীলঙ্কায় ডুবন্ত ইরানি জাহাজটি সাবমেরিন হামলার শিকার হয়েছিল খামেনির পরিকল্পনা মেনে আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে ইরান খালেদ মুহিউদ্দীন: ক্ষমতায় গিয়ে ইউনূসও অন্য রাজনীতিবিদদের ধারা অনুসরণ করলেন দেশজুড়ে আইনজীবী সমিতিতে জয়, নওগাঁ–নেত্রকোনায় বিএনপির বাধায় প্রার্থীহীন আওয়ামীপন্থীরা শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শিশু ইরা হত্যাকারী গ্রেফতার: পূর্বে শিশুধর্ষনে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত, ৫ ই আগস্টের পর কারাগার থেকে মুক্ত শেখ হাসিনার পতনের পর বিনিয়োগে টানা পতন, ১১ বছরে সর্বনিম্ন অবস্থান ইরানে নতুন সুপ্রিম লিডার নির্বাচিত: খামেনিপুত্র মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ইরানকে সতর্ক করলেন পাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী: এতেই নাকি সৌদি-ওমানে কম হামলা করেছে ইরান! উপবৃত্তির লোভ দেখিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণে ও ভিডিও ধারণ, ধর্ষক জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার