ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খাদ্য নিরাপত্তা: ১৮ মাস পরেও ভরসা সেই ‘হাসিনা আমলের’ মজুদ
টোল ও ত্রাণের টাকার হিসাব চাইলেন তারেক রহমান, উপদেষ্টাদের বিদেশ যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন
আ. লীগকে বাদ দিয়ে ইনক্লুসিভ ইলেকশন হতে পারে না : বদিউর রহমান
গণভোটে সরকারি চাকুরিজীবীরা কি রাষ্ট্রসৃষ্ট ‘দণ্ডনীয় অপরাধের’ মুখে?
ঢাকায় বাসার ভেতরে পড়েছিল একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ
অবৈধ’ সরকারের অধীনে নির্বাচন বর্জনের ডাক দিলেন ৫০১ জন প্রকৌশলী
এপস্টেইন ফাইলে নাম ঋণখেলাপী বিএনপি নেতা মিন্টুর
চট্টগ্রামে গ্রেফতার নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল
চট্টগ্রামের খুলশি থেকে গ্রেফতার হয়েছেন নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রামের খুলশি থানাধীন আবদুল মালেক লেন এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে র্যাবের একটি দল।
সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরীফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তার কাছ থেকে দেশী-বিদেশী বেশ কিছু মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন একরামুল করিম চৌধুরী। গত ১৭ বছর ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। কিছু দিন আগেও তার কথার বাইরে এলাকায় কিছুই হতো
না। তবে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। এবার হত্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। ২০১৩ সালে শ্রমিক দলের কর্মী মো. খোকনকে (২৫) গুলি করে হত্যার অভিযোগে গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে মামলাটি করা হয়। মামলার বাদী নিহত খোকনের বাবা মফিজুল হক। আসামিরা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। ওই মামলায় গ্রেফতারর দেখানো হবে একরামুলকে। একরামুল ছাড়াও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ৫৩ জনকে। এর আগে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের টিকিট না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান একরামুল। একরামুল করিম চৌধুরীর স্ত্রী কামরুন নাহার শিউলী
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার ছেলে আতাহার ইশরাক শাবাব চৌধুরী কিছুদিন আগে সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
না। তবে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। এবার হত্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। ২০১৩ সালে শ্রমিক দলের কর্মী মো. খোকনকে (২৫) গুলি করে হত্যার অভিযোগে গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে মামলাটি করা হয়। মামলার বাদী নিহত খোকনের বাবা মফিজুল হক। আসামিরা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। ওই মামলায় গ্রেফতারর দেখানো হবে একরামুলকে। একরামুল ছাড়াও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ৫৩ জনকে। এর আগে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের টিকিট না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান একরামুল। একরামুল করিম চৌধুরীর স্ত্রী কামরুন নাহার শিউলী
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার ছেলে আতাহার ইশরাক শাবাব চৌধুরী কিছুদিন আগে সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।



