ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চরম অস্থিরতা ও সিদ্ধান্তহীনতায় চিহ্নিত ইউনূসের ৫৫৯ দিনের প্রশাসন
দখলদারের স্বৈরাচারী আদেশে নিষেধাজ্ঞার কোন বৈধতা বা আইনি ভিত্তি নেই; আওয়ামী লীগ সংগঠিত হবে জনতার বাধভাঙ্গা অংশগ্রহণে, আপন মহিমায়
এক জাদুকরের বিদায়ের পর আরেক জাদুকরের আগমন
দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে মাহে রমজানের মোবারকবাদ জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিমের বিবৃতি
ক্যাশ’ সামলাতেন স্ত্রী শীলা: আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে ১৪ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ
ফ্যাসিস্ট ইউনূসের ডিজাইনে জাল ভোটের নির্বাচনঃ দৈবচয়নে টিআইবির ৭০ টি আসন পর্যবেক্ষণ, ধৃত জাল ভোটের পরিসংখ্যান ২১.৪%
ইউনূসের আয়োজিত প্রহসনের নির্বাচন, যেখানে অবাধে চলেছে জাল ভোটের মহোৎসব
চট্টগ্রামে গ্রেফতার নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল
চট্টগ্রামের খুলশি থেকে গ্রেফতার হয়েছেন নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রামের খুলশি থানাধীন আবদুল মালেক লেন এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে র্যাবের একটি দল।
সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরীফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তার কাছ থেকে দেশী-বিদেশী বেশ কিছু মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন একরামুল করিম চৌধুরী। গত ১৭ বছর ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। কিছু দিন আগেও তার কথার বাইরে এলাকায় কিছুই হতো
না। তবে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। এবার হত্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। ২০১৩ সালে শ্রমিক দলের কর্মী মো. খোকনকে (২৫) গুলি করে হত্যার অভিযোগে গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে মামলাটি করা হয়। মামলার বাদী নিহত খোকনের বাবা মফিজুল হক। আসামিরা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। ওই মামলায় গ্রেফতারর দেখানো হবে একরামুলকে। একরামুল ছাড়াও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ৫৩ জনকে। এর আগে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের টিকিট না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান একরামুল। একরামুল করিম চৌধুরীর স্ত্রী কামরুন নাহার শিউলী
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার ছেলে আতাহার ইশরাক শাবাব চৌধুরী কিছুদিন আগে সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
না। তবে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। এবার হত্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। ২০১৩ সালে শ্রমিক দলের কর্মী মো. খোকনকে (২৫) গুলি করে হত্যার অভিযোগে গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে মামলাটি করা হয়। মামলার বাদী নিহত খোকনের বাবা মফিজুল হক। আসামিরা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। ওই মামলায় গ্রেফতারর দেখানো হবে একরামুলকে। একরামুল ছাড়াও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ৫৩ জনকে। এর আগে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের টিকিট না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান একরামুল। একরামুল করিম চৌধুরীর স্ত্রী কামরুন নাহার শিউলী
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার ছেলে আতাহার ইশরাক শাবাব চৌধুরী কিছুদিন আগে সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।



