ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাঁদা না পেয়ে সরকারি নিয়মের অজুহাতে চেয়ারম্যানের ওপর বিএনপি নেতাদের মব
ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তারে এনসিপি-ইনকিলাব মঞ্চে আতঙ্ক
যে দেশে ফুল নিয়ে হাঁটা বিপজ্জনক : একটা ভাঙা বাড়ি, চারটা গ্রেপ্তার, একটা প্রশ্ন
অগ্নিঝরা ৮ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর দর্শনে নারী-সমতা ও সোনার বাংলার প্রতিশ্রুতি
বিএনপির স্মৃতিশক্তি বড় অদ্ভুত, নিজের ঘোষিত সন্ত্রাসীকেই চিনতে পারে না!
মন্দিরে বোমা হামলা, পুরোহিত হাসপাতালে—সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোথায়?
৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে
গণভোট নয়, এটা সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন
একাত্তরের সংবিধান পাশ কাটিয়ে অবৈধ ইউনুস জনগণের নামে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চাইছে।
গণভোটের নামে সংবিধান লঙ্ঘন: একাত্তরের সংবিধান ভাঙার নতুন ষড়যন্ত্র
বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে গণভোটের কোনো বিধান নেই। ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের সুযোগ যুক্ত করা হলেও ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়। ফলে আজকের বাস্তবতায় গণভোট আয়োজনের কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই।
সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কেবল জরুরি প্রয়োজনে আইন প্রণয়নের জন্য অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু সেই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ পরিবর্তন, বাতিল বা পুনর্বহাল করার সুযোগ নেই। সংবিধান সংশোধনের একমাত্র বৈধ পথ হলো ১৪২ অনুচ্ছেদ, যেখানে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন বাধ্যতামূলক।
এই
বাস্তবতার পরও তথাকথিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (২০২৫) আদেশ’-এর মাধ্যমে গণভোটের প্রভিশন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা স্পষ্টভাবে অসাংবিধানিক এবং সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। আরও গুরুতর বিষয় হলো, সংসদ ভেঙে থাকা অবস্থায় এ ধরনের অধ্যাদেশ জারি করার কোনো সুযোগ সংবিধান দেয় না। সংবিধান যেহেতু রহিত বা স্থগিত হয়নি, তাই কোনো অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের চেষ্টা করা মানে সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদ অমান্য করা। এই অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন সংবিধান অনুযায়ী একটি চরম অপরাধ। বিশ্লেষকদের মতে, অবৈধ ইউনুস একাত্তরের সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশে একটি মৌলবাদী ও স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি করতেই গণভোটের নাটক মঞ্চস্থ করছে। এটি জনগণের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ নয়, বরং সংবিধান ভাঙার রাজনৈতিক কৌশল। এই প্রেক্ষাপটে সচেতন নাগরিকদের
দায়িত্ব হলো সংবিধানবিরোধী যেকোনো গণভোট প্রত্যাখ্যান করা এবং আইনের শাসন ও একাত্তরের সংবিধান রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেওয়া। আইনজ্ঞদের মতে, এই গণভোট কোনো গণতান্ত্রিক অনুশীলন নয়। এটি একাত্তরের সংবিধানকে অকার্যকর করে বাংলাদেশে একটি মৌলবাদী, অগণতান্ত্রিক ও ব্যক্তি-কেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা কায়েম করার কৌশল। এই প্রেক্ষাপটে সচেতন নাগরিকদের জন্য বার্তা পরিষ্কার— সংবিধানবিরোধী গণভোট মানে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড। এতে অংশ নেওয়া মানে নিজের অধিকার ও সংবিধান নিজ হাতে দুর্বল করা। এই গণভোট জনগণের নয়, এটা রাষ্ট্র ধ্বংসের ব্লুপ্রিন্ট।
বাস্তবতার পরও তথাকথিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (২০২৫) আদেশ’-এর মাধ্যমে গণভোটের প্রভিশন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা স্পষ্টভাবে অসাংবিধানিক এবং সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। আরও গুরুতর বিষয় হলো, সংসদ ভেঙে থাকা অবস্থায় এ ধরনের অধ্যাদেশ জারি করার কোনো সুযোগ সংবিধান দেয় না। সংবিধান যেহেতু রহিত বা স্থগিত হয়নি, তাই কোনো অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের চেষ্টা করা মানে সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদ অমান্য করা। এই অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন সংবিধান অনুযায়ী একটি চরম অপরাধ। বিশ্লেষকদের মতে, অবৈধ ইউনুস একাত্তরের সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশে একটি মৌলবাদী ও স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি করতেই গণভোটের নাটক মঞ্চস্থ করছে। এটি জনগণের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ নয়, বরং সংবিধান ভাঙার রাজনৈতিক কৌশল। এই প্রেক্ষাপটে সচেতন নাগরিকদের
দায়িত্ব হলো সংবিধানবিরোধী যেকোনো গণভোট প্রত্যাখ্যান করা এবং আইনের শাসন ও একাত্তরের সংবিধান রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেওয়া। আইনজ্ঞদের মতে, এই গণভোট কোনো গণতান্ত্রিক অনুশীলন নয়। এটি একাত্তরের সংবিধানকে অকার্যকর করে বাংলাদেশে একটি মৌলবাদী, অগণতান্ত্রিক ও ব্যক্তি-কেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা কায়েম করার কৌশল। এই প্রেক্ষাপটে সচেতন নাগরিকদের জন্য বার্তা পরিষ্কার— সংবিধানবিরোধী গণভোট মানে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড। এতে অংশ নেওয়া মানে নিজের অধিকার ও সংবিধান নিজ হাতে দুর্বল করা। এই গণভোট জনগণের নয়, এটা রাষ্ট্র ধ্বংসের ব্লুপ্রিন্ট।



