ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ওমরাহ ভিসা পাওয়া যাবে কবে, জানাল সৌদি সরকার
বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা কি হারাম? যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ
হজে কঠোর সৌদি নিষেধাজ্ঞা, সতর্ক হাজিরা
অন্যের সুখে খুশি হোন— তবেই আপনার জীবনেও খুলবে রহমত ও বরকতের দরজা
সৌদিতে পৌঁছেছেন ৫১ হাজার ৫৮১ বাংলাদেশি হজযাত্রী
হজ করতে সৌদি পৌঁছেছেন ৪০ হাজার ৫৯০ বাংলাদেশি
৬ রোগ নিয়ে হজে না যাওয়ার নির্দেশনা সৌদির
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাজধানীতে জশনে জুলুস
ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে রাজধানীতে জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে জশনে জুলুস শুরু হয়। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডার এতে নেতৃত্ব দেন।
পরে জশনে জুলুস শাহবাগ, মৎস্য ভবন, দোয়েল চত্বর হয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনের সড়ক প্রদক্ষিণ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে শান্তি মহাসমাবেশে মিলিত হয়। আঞ্জুমানে রহমানীয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারিয়া এ জশনে জুলুসের আয়োজন করে।
বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন বিভাগ, জেলা, উপজেলা থেকে মানুষ জশনে জুলুসে অংশ নিতে সমবেত হন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, কালিমা খচিত পতাকা হাতে জশনে জুলুসে অংশ নেয় মানুষ।
জুলুস শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শান্তি মহাসমাবেশ হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন লিবারেল ইসলামিক জোটের চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারি। মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘মহানবীর (স.) দুনিয়ায় শুভাগমন জগৎবাসীর জন্য আল্লাহ পাকের বিশেষ রহমত ও অনুগ্রহ। তিনি আইয়্যামে জাহেলিয়াতের অবসান ঘটিয়ে পৃথিবীবাসীকে শান্তি, সাম্য ও মুক্তির পথ দেখান। রাসুলে পাক (স.) দুনিয়ায় শুভাগমনের মূল উদ্দেশ্যই হলো একটি শান্তি ও সহাবস্থানপূর্ণ মানবিক বিশ্ব সমাজ গড়ে তোলা।’ পিরজাদা মুফতি মাওলানা বাকী বিল্লাহ আল-আযহারী ও শায়খ আজমাঈন আসরারের সঞ্চালনায় অতিথি ও আলোচক ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।
এতে সভাপতিত্ব করেন লিবারেল ইসলামিক জোটের চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারি। মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘মহানবীর (স.) দুনিয়ায় শুভাগমন জগৎবাসীর জন্য আল্লাহ পাকের বিশেষ রহমত ও অনুগ্রহ। তিনি আইয়্যামে জাহেলিয়াতের অবসান ঘটিয়ে পৃথিবীবাসীকে শান্তি, সাম্য ও মুক্তির পথ দেখান। রাসুলে পাক (স.) দুনিয়ায় শুভাগমনের মূল উদ্দেশ্যই হলো একটি শান্তি ও সহাবস্থানপূর্ণ মানবিক বিশ্ব সমাজ গড়ে তোলা।’ পিরজাদা মুফতি মাওলানা বাকী বিল্লাহ আল-আযহারী ও শায়খ আজমাঈন আসরারের সঞ্চালনায় অতিথি ও আলোচক ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।



