ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রেকর্ড দামে বিক্রি হলো মুঘলদের ‘সুপার কম্পিউটার’, যেসব কাজে ব্যবহার হতো এটি
বিদেশি ভাষা বলতে পারবেন সহজেই, গুগল ট্রান্সলেটে যুক্ত হলো নতুন ফিচার
যে কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় ফেসবুক থেকে কমে যাবে
এআই’র প্রসারে সংকুচিত হচ্ছে মৌলিক চিন্তার পরিসর
ভারতে এআই মেগাহাব নির্মাণ শুরু করল গুগল
অনলাইন ব্যবসায় সফল হতে অনুসরণ করতে পারেন এই ১০টি ধাপ
এআই চালাতে নতুন চিপ উন্মোচন করলো গুগল
আইফোন এলো চারটি মডেলে
বিশ্ব প্রযুক্তির ক্যালেন্ডারে সেপ্টেম্বর মানেই উত্তেজনা আর উন্মাদনা। কারণটা অবশ্যই আইফোন। বছর ঘুরে সেপ্টেম্বর মানেই দুনিয়াকে বদলে দেওয়া আইফোন নিয়ে আসে তাদের সবশেষ সংস্করণ।
যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপল এবার তাদের আইফোনের চারটি মডেল উন্মোচনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে।
১৬ সিরিজের চারটি মডেলে প্রসেসরের গতি, ক্যামেরা, ব্যাটারি লাইফ, রঙের বৈচিত্র্যে আইফোন চমকের পর চমক নিয়ে হাজির।
১৬ আর ১৬ প্লাস মডেল দুটিতে যথাক্রমে ১২৮, ২৫৬ ও ৫১২– গিগাবাইটের স্টোরেজ থাকবে। শুধু ১৬ প্রো আর প্রো ম্যাক্স মডেল দুটিতে ক্রেতারা এক টেরাবাইট স্টোরেজের সংস্করণ কিনতে পারবেন।
আইফোন ১৬ এবং ১৬ প্লাস মডেলে যথাক্রমে ৬.১ ও ৬.৭ ইঞ্চি ডিসপ্লে। অন্যদিকে ১৬ প্রো ও প্রো
ম্যাক্স মডেলে যথাক্রমে ৬.৩ ও ৬.৯ ইঞ্চি ডিসপ্লে পাবেন ভক্তরা। আইফোন ১৬ ও ১৬ প্লাস মডেলে এ১৮ চিপসেট ও ইউএসবি টাইপ সি চার্জিং পোর্ট থাকবে, যা সর্বশেষ মডেলে ব্যবহৃত এ১৬ চিপসেটের তুলনায় আইফোনকে ৩০ ভাগ গতিশীল করবে। সুতরাং ডিসপ্লে, গতি আর ব্যাটারি প্রশ্নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দৃশ্যমান হলো আইফোন ১৬ সিরিজের প্রতিটি মডেলে। ১৬ প্রো ও ১৬ প্রো ম্যাক্স মডেল দুটিতে গতির সঙ্গে সর্বোচ্চ এক টেরাবাইট স্টোরেজ পাওয়া যাবে। তবে স্টোরেজ বেশি পেতে গুনতে হবে বাড়তি বাজেট। ক্যামেরায় ৪৮ মেগাপিক্সেল সেন্সর ও ১২ মেগাপিক্সেল আলট্রা ওয়াইড সুবিধা যুক্ত হবে। দৃশ্যমান হবে ক্যামেরা কন্ট্রোল বাটন, যা আগের রিং/সাইলেন্ট বাটনের বদলে আসবে। ফাইভএক্স টেলিফটো লেন্স ক্যামেরা
ভক্তদের দেবে অভূতপূর্ব ছবি তোলার সুবিধা। প্রো মডেল দুটির সংস্করণে থাকবে তারহীন (ওয়্যারলেস) চার্জিং সুবিধা। আইফোন ১৬ সিরিজের দাম ৭৯৯ ডলার থেকে শুরু। অন্যদিকে প্রো মডেলের দাম ৯৯৯ ডলার থেকে শুরু বলে নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে।
ম্যাক্স মডেলে যথাক্রমে ৬.৩ ও ৬.৯ ইঞ্চি ডিসপ্লে পাবেন ভক্তরা। আইফোন ১৬ ও ১৬ প্লাস মডেলে এ১৮ চিপসেট ও ইউএসবি টাইপ সি চার্জিং পোর্ট থাকবে, যা সর্বশেষ মডেলে ব্যবহৃত এ১৬ চিপসেটের তুলনায় আইফোনকে ৩০ ভাগ গতিশীল করবে। সুতরাং ডিসপ্লে, গতি আর ব্যাটারি প্রশ্নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দৃশ্যমান হলো আইফোন ১৬ সিরিজের প্রতিটি মডেলে। ১৬ প্রো ও ১৬ প্রো ম্যাক্স মডেল দুটিতে গতির সঙ্গে সর্বোচ্চ এক টেরাবাইট স্টোরেজ পাওয়া যাবে। তবে স্টোরেজ বেশি পেতে গুনতে হবে বাড়তি বাজেট। ক্যামেরায় ৪৮ মেগাপিক্সেল সেন্সর ও ১২ মেগাপিক্সেল আলট্রা ওয়াইড সুবিধা যুক্ত হবে। দৃশ্যমান হবে ক্যামেরা কন্ট্রোল বাটন, যা আগের রিং/সাইলেন্ট বাটনের বদলে আসবে। ফাইভএক্স টেলিফটো লেন্স ক্যামেরা
ভক্তদের দেবে অভূতপূর্ব ছবি তোলার সুবিধা। প্রো মডেল দুটির সংস্করণে থাকবে তারহীন (ওয়্যারলেস) চার্জিং সুবিধা। আইফোন ১৬ সিরিজের দাম ৭৯৯ ডলার থেকে শুরু। অন্যদিকে প্রো মডেলের দাম ৯৯৯ ডলার থেকে শুরু বলে নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে।



