আরও খবর
সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া নিয়ে ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ
এবার কুয়েতে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড
বিএনপির সন্ত্রাসীদের নিপীড়নের ভিডিও করায় তৌফিককে হত্যা করা হয়, জানান সহকর্মীরা
ঘুষের এক লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আসাদুল কারাগারে
ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রসিকিউটরের দেশত্যাগ, নিষেধাজ্ঞার তথ্য জানালেন চিফ প্রসিকিউটর
সংবিধান সংশোধনে তাড়াহুড়া নয়, ঐকমত্য ও অন্তর্ভুক্তির তাগিদ
২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কুমিল্লা ইলিশবাহী পিকআপে ডাকাতির পর ১৯ আসামি গ্রেপ্তার
কুমিল্লার মুরাদনগরে ইলিশবাহী পিকআপ ও টাকা লুটের ঘটনায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ইদ্রিস মিয়া (২৭) নামের এককে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারটি গতকাল মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর শনির আখড়া এলাকা থেকে করা হয়।
বিজ্ঞাপন
আজ বুধবার বিকেলে এসআরবি-১১-এর সিপিসি-২ কুমিল্লা কোম্পানি অধিনায়ক ও উপপরিচালক মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, ইদ্রিস মিয়া আন্তজেলা ডাকাত দলের সরদার এবং তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১৯টি ডাকাতি মামলার অভিযোগ রয়েছে।
ইদ্রিস মিয়া নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর চৌমুহনী এলাকার মৃত হেকিম আবদুল মান্নানের ছেলে এবং তিনি মুরাদনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি সূত্র জানায়, গত সোমবার রাতে মুরাদনগর উপজেলার
নেয়ামতপুর এলাকায় মুরাদনগর থেকে রামচন্দ্রপুরগামী সড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। লক্ষ্মীপুর সদর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল হোসেন চট্টগ্রামের ফিশেরি গাটের আড়ত থেকে ইলিশ মাছ কিনে পিকআপে করে কুমিল্লার বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করছিলেন; তার সঙ্গে গাড়িচালক ও আরেক সহযোগী ছিলেন।
রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একটি সাদা রঙের পিকআপ তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। তখন ১০–১২ জন দেশি অস্ত্র নিয়ে তাদের মারধর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে তাদের হাত-পা ও মুখ বেঁধে সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়। পরে ডাকাতেরা প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ইলিশবাহী পিকআপ এবং বেল্লাল হোসেনের কাছ থেকে নগদ ৭১ হাজার টাকা লুট করে
নিয়ে যায়।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় লোকজন পরে তাদের উদ্ধার করে। এই ঘটনায় বেল্লাল হোসেন বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় ডাকাতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। সাদমান ইবনে আলম আরও জানান, প্রথমে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে ইদ্রিস মিয়ার সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। এরপর এসআরবি ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইদ্রিসের অবস্থান ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে শনাক্ত হয়। গতকাল মঙ্গলবার রাতে এসআরবি-১১, কুমিল্লা এবং এসআরবি-১০, যাত্রাবাড়ীর যৌথ দল প্রায় চার ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে শনির আখড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্র জানায়, ডাকাতির ঘটনার পর গ্রেপ্তার এড়াতে ইদ্রিস মিয়া
আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে আসছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও তিনি ডাকাতি ছাড়া অন্য কোনো আয়র উৎস না থাকার তথ্য প্রদান করেন।





