ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরীর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী: বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, আদর্শিক দৃঢ়তা আর কৃষিতে যাঁর অনন্য অবদান
ইরানে ফের মার্কিন হামলার শঙ্কায় বেড়েছে তেলের দাম
ট্রাম্প কোণঠাসা করলেও নতি স্বীকারের লক্ষণ নেই ইরানের
নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন ৩ দিন ধরে নিখোঁজ
সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর প্রয়াণে ছাত্রলীগের গভীর শোক ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে মব ও নিপীড়নের শিকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অধিকারের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক যোগাযোগে নিরলসভাবে কাজ করছে ART
রঙের কাজের বিল না দিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বাবুকে পিটিয়ে ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে হত্যা
রাজধানীর হাজারীবাগে পিটিয়ে পরে ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে সালেক খান বাবু (৩৫) নামে ছাত্রলীগের এক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে নির্যাতনের পর ভবনের ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করার ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন নিহতের মা সুফিয়া বেগম (৫৫)।
গত ১লা অক্টোবর বিকেলে হাজারীবাগ থানাধীন শংকর-জাফরাবাদ এলাকার ২৭৯/১ নম্বর আলী মঞ্জিল ভবনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের পর দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে হাজারীবাগ থানা পুলিশ।
নিহত সালেক খান বাবু ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সাবেক সহ-সভাপতি এবং মোহাম্মদপুর থানার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
নিহতের মায়ের দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১লা অক্টোবর বিকেল ৫টা
৪০ মিনিটের দিকে রঙের কাজের বিল আনতে রায়েরবাজার জাফরাবাদ এলাকার আলী মঞ্জিলে যান বাবু। সেখানে নিরাপত্তাকর্মী বাঁধন চাকমার সঙ্গে বাবুর কোনো এক বিষয়ে বাদানুবাদ হয়। এর জেরে বাঁধন পাশে পড়ে থাকা লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে বাবুর মাথায় আঘাত করেন। গুরুতর আহত বাবুর চিৎকারে ভবনের আরেক নিরাপত্তাকর্মী মিল্টনসহ কয়েকজন সেখানে জড়ো হয়ে তাকে আবারও নির্দয়ভাবে পেটাতে থাকেন। পরে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে মিল্টন ও বাঁধন মিলে ছাত্রলীগ নেতা বাবুকে ধরে ভবনের ছাদে রেখে কিছুক্ষণ পর নিচে নেমে আসেন। এরপর ভবনের দক্ষিণ পাশে টিনের চালের ওপর বাবুকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাকে উদ্ধারের সময়ই তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ করেন নিহতের
মা। খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হাজারীবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভবনের দক্ষিণ পাশের একটি প্লটের গ্যারেজের টিনের চাল থেকে বাবুর মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের মা সুফিয়া বেগম জানান, ভবনের কেয়ারটেকার মিল্টন, বাঁধন চাকমাসহ কয়েকজন মিলে তার ছেলেকে প্রথমে দ্বিতীয় তলায় নিয়ে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। এরপর ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় মো. মিল্টন (৪২), বাঁধন চাকমা ৫০) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি। নিহতের মা সুফিয়া বেগম আরো বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সে
আওয়ামী লীগের রাজনীতি করত। ওই ভবনে রঙের কাজের বিল বাবদ তার ৩ লাখ টাকা পাওনা ছিল। কোম্পানি তার দেড় লাখ টাকা দিয়েছে, বাকি টাকা দিতে চায়নি। আওয়ামী লীগ করে বলে পুলিশে ধরিয়ে দেবে বলে তাকে কয়েক দফা হুমকি-ধমকিও দেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, টাকা আদায়ের জন্য বিএনপির স্থানীয় এক নেতার কাছে জানালে তিনিও টাকা উদ্ধার না করে বিষয়টি চেপে যেতে বলেন। পরে আমার ছেলে কোম্পানিকে বলেছিল যে, আওয়ামী লীগ কোন দিন ক্ষমতায় এলে এই পাওনা টাকা দিতে হবে। ১৭ বছর ধরে ভবনটির দেখভাল করেছেন বাবু, আর সেই ভবনেই পিটিয়ে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করা হয় তাকে। আক্ষেপ নিয়ে তার মা বলেন, গত ১৭
বছর ধরে বাবু ভবনটির দেখাশোনা করে আসছিল। অনেক চাঁদাবাজি, মাস্তান-সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা করেছিল। সেই ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা আমার ছেলেকে পিটিয়ে, ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করেছে। আমি রাষ্ট্রের কাছে আমার ছেলে হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই। হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। আমরা মামলা নিয়েছি এবং ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছি। এ ছাড়া তদন্ত চলছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৪০ মিনিটের দিকে রঙের কাজের বিল আনতে রায়েরবাজার জাফরাবাদ এলাকার আলী মঞ্জিলে যান বাবু। সেখানে নিরাপত্তাকর্মী বাঁধন চাকমার সঙ্গে বাবুর কোনো এক বিষয়ে বাদানুবাদ হয়। এর জেরে বাঁধন পাশে পড়ে থাকা লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে বাবুর মাথায় আঘাত করেন। গুরুতর আহত বাবুর চিৎকারে ভবনের আরেক নিরাপত্তাকর্মী মিল্টনসহ কয়েকজন সেখানে জড়ো হয়ে তাকে আবারও নির্দয়ভাবে পেটাতে থাকেন। পরে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে মিল্টন ও বাঁধন মিলে ছাত্রলীগ নেতা বাবুকে ধরে ভবনের ছাদে রেখে কিছুক্ষণ পর নিচে নেমে আসেন। এরপর ভবনের দক্ষিণ পাশে টিনের চালের ওপর বাবুকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাকে উদ্ধারের সময়ই তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ করেন নিহতের
মা। খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হাজারীবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভবনের দক্ষিণ পাশের একটি প্লটের গ্যারেজের টিনের চাল থেকে বাবুর মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের মা সুফিয়া বেগম জানান, ভবনের কেয়ারটেকার মিল্টন, বাঁধন চাকমাসহ কয়েকজন মিলে তার ছেলেকে প্রথমে দ্বিতীয় তলায় নিয়ে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। এরপর ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় মো. মিল্টন (৪২), বাঁধন চাকমা ৫০) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি। নিহতের মা সুফিয়া বেগম আরো বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সে
আওয়ামী লীগের রাজনীতি করত। ওই ভবনে রঙের কাজের বিল বাবদ তার ৩ লাখ টাকা পাওনা ছিল। কোম্পানি তার দেড় লাখ টাকা দিয়েছে, বাকি টাকা দিতে চায়নি। আওয়ামী লীগ করে বলে পুলিশে ধরিয়ে দেবে বলে তাকে কয়েক দফা হুমকি-ধমকিও দেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, টাকা আদায়ের জন্য বিএনপির স্থানীয় এক নেতার কাছে জানালে তিনিও টাকা উদ্ধার না করে বিষয়টি চেপে যেতে বলেন। পরে আমার ছেলে কোম্পানিকে বলেছিল যে, আওয়ামী লীগ কোন দিন ক্ষমতায় এলে এই পাওনা টাকা দিতে হবে। ১৭ বছর ধরে ভবনটির দেখভাল করেছেন বাবু, আর সেই ভবনেই পিটিয়ে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করা হয় তাকে। আক্ষেপ নিয়ে তার মা বলেন, গত ১৭
বছর ধরে বাবু ভবনটির দেখাশোনা করে আসছিল। অনেক চাঁদাবাজি, মাস্তান-সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা করেছিল। সেই ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা আমার ছেলেকে পিটিয়ে, ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করেছে। আমি রাষ্ট্রের কাছে আমার ছেলে হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই। হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। আমরা মামলা নিয়েছি এবং ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছি। এ ছাড়া তদন্ত চলছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





