ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গরিবের ‘রিজিক থেকে উঠে গেছে’ ডিম, পাঙ্গাস-তেলাপিয়াও
বাংলাদেশে আরেক বহুজাতিকের ব্যবসা গুটানোর উদ্যোগ: রিটেইল ব্যাংকিং বিক্রি করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড
আবারও জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধিঃ ডিজেল-পেট্রোল-অকটেনের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল
দামের আগুনে পোড়ছে দরিদ্রের থালা: ডিম-মাছ এখন নিম্নবিত্তের জন্য বিলাসিতা
১০ মাসের মধ্যে আগস্টে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি
উচ্চমূল্যে মার্কিন গম ক্রয়: সরকারের দাবি বৃহত্তর কৌশল, অথচ ভুক্তভোগী ভোক্তা এবং দেশের অর্থনীতি
নবম পে স্কেল নিয়ে বড় সুখবর, অবশেষে আজ ভেটিংয়ে উঠল
স্বস্তি নেই রাজধানীর বাজারে: মাছ-মুরগি-ডিমে দিশেহারা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত
রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের চড়া দামে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সীমিত আয়ের পরিবারগুলো।
আজ ২১শে আগস্ট, শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রোটিনজাত এসব পণ্যের দাম চড়া থাকায় বাজার খরচের ওপর চরম প্রভাব পড়েছে।
বাজারের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়, আর সোনালি মুরগির কেজি ছুঁয়েছে ৩২০ টাকা। এছাড়া দেশি মুরগি কিনতে ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে কেজিপ্রতি ৬৫০ টাকা পর্যন্ত। একইসঙ্গে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের বাজারেও লাগাতার অস্বস্তি বিরাজ করছে। সাধারণ বাদামি ডিমের ডজন বিক্রি
হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় এবং সাদা ডিম মিলছে ১৩০ টাকায়। তবে পাড়া-মহল্লার খুচরা দোকানে ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে দেখা গেছে। মাছের বাজার ঘুরে ক্রেতাদের হতাশ হতে দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, তেলাপিয়া কেজিপ্রতি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা হলেও বড় রুই এবং কাতলা ৩৮০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিকোচ্ছে। চিংড়ির কেজি ১,০০০ থেকে ১,৩০০ টাকা। অন্যদিকে ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২,৫০০ টাকা এবং ১.৩ কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে লাগছে প্রায় ৩,০০০ টাকা। অন্যান্য মাছের মধ্যে চাষের পাবদা ৩৫০–৪০০
টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। রায়েরবাজারের ক্রেতা মো. শফিক আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, “বাজার খরচ যেভাবে বেড়েছে, তাতে সংসার চালানো এখন দায় হয়ে পড়েছে। ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না, সাধারণ তেলাপিয়াও আড়াইশ টাকা কেজি।” অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে পণ্যের সরবরাহ এবং আড়তের পাইকারি মূল্যের ওঠানামার ওপর ভিত্তি করেই তাদের দাম নির্ধারণ করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দর কমার কোনো লক্ষণ না থাকায় বাজারে স্বস্তি ফেরাতে কার্যকর মনিটরিং ও বাজার তদারকির তাগিদ দিচ্ছেন ভুক্তভোগী সাধারণ ক্রেতারা।
হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় এবং সাদা ডিম মিলছে ১৩০ টাকায়। তবে পাড়া-মহল্লার খুচরা দোকানে ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে দেখা গেছে। মাছের বাজার ঘুরে ক্রেতাদের হতাশ হতে দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, তেলাপিয়া কেজিপ্রতি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা হলেও বড় রুই এবং কাতলা ৩৮০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিকোচ্ছে। চিংড়ির কেজি ১,০০০ থেকে ১,৩০০ টাকা। অন্যদিকে ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২,৫০০ টাকা এবং ১.৩ কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে লাগছে প্রায় ৩,০০০ টাকা। অন্যান্য মাছের মধ্যে চাষের পাবদা ৩৫০–৪০০
টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। রায়েরবাজারের ক্রেতা মো. শফিক আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, “বাজার খরচ যেভাবে বেড়েছে, তাতে সংসার চালানো এখন দায় হয়ে পড়েছে। ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না, সাধারণ তেলাপিয়াও আড়াইশ টাকা কেজি।” অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে পণ্যের সরবরাহ এবং আড়তের পাইকারি মূল্যের ওঠানামার ওপর ভিত্তি করেই তাদের দাম নির্ধারণ করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দর কমার কোনো লক্ষণ না থাকায় বাজারে স্বস্তি ফেরাতে কার্যকর মনিটরিং ও বাজার তদারকির তাগিদ দিচ্ছেন ভুক্তভোগী সাধারণ ক্রেতারা।



