ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমলাদের চাপে পিছু হটল সরকার, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা মিলবে ৫০ হাজার
বন্যার ৯ম দিনেও জলবন্দি বাঁশখালী: অপরিকল্পিত চিংড়ি ঘের ও অবৈধ বাঁধের বলি হাজারো পরিবার
বাংলাদেশকে ৫ বছরে শোধ করতে হবে ২৬ বিলিয়ন ডলার, বৈদেশিক ঋণ নিয়ে আইএমএফের বাড়তি নজর
ঢাকায় তিন মার্কিন এপিডেমিওলজিস্টের নীরব সফর: যার একজন ইউএস আর্মির সদস্য, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: অল্প কিছু শিক্ষার্থীর এই আন্দোলনকে সরকার কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না
গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস: আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শোক ও শ্রদ্ধা
“শেখ হাসিনা ভারতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সম্মানিত অতিথি, প্রত্যার্পণযোগ্য বন্দি নন”: ভারতের অবস্থান সুস্পষ্ট
শিক্ষামন্ত্রী মিলনের নির্দেশে পোস্ট ও ভিডিও ব্লক: বিটিআরসি কর্মকর্তার অভিযোগে তোলপাড়
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন গত কয়েকদিনে তার বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ও ভিডিও সরিয়ে ফেলার জন্য বিটিআরসিকে (বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন) নির্দেশ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইতিমধ্যে বিটিআরসি বিভিন্ন ব্যক্তির পোস্টে কপিরাইট দিয়ে সেগুলো সীমিত করা বা অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং ‘মিথিলায় মজেছেন মিলন’ শীর্ষক একটি ভিডিও প্রতিবেদনও ব্লক করা হয়েছে।
বিটিআরসির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নিয়মিত ট্রল হয়। তার বিরুদ্ধে হওয়া কোনো লিংক অপসারণের জন্য কখনো নির্দেশ বা অনুরোধ আসে না। অথচ তারই মন্ত্রী আমাদেরকে ফোর্স করে আপনাদের কনটেন্টে কপিরাইট দেয়াচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আপনাদের পোস্টে কপিরাইট দিতে চাইনি,
বাধ্য হয়ে দিয়েছি। মন্ত্রী শত শত লিংক পাঠিয়ে সেগুলো রিমুভ করাচ্ছেন। উনি ওনার ব্যক্তিগত কাজে বিটিআরসিকে ব্যবহার করছেন। ৪ মাস মন্ত্রী হয়ে তিনি এখন ফ্যাসিস্টের মতো আচরণ করছেন। এই অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে এটাকে বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমালোচনামূলক কনটেন্ট (যেমন ‘মিথিলায় মজেছেন মিলন’ ভিডিও) টার্গেট করে ব্লক করার ঘটনা বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। বিটিআরসির এই পদক্ষেপের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণত কপিরাইট আইন ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সমালোচনা দমনের অভিযোগ আগেও উঠেছে বিভিন্ন দেশে, কিন্তু বাংলাদেশে এটি সরকারি সংস্থার মাধ্যমে হওয়ায় সরকারি দায়িত্বের অপব্যবহারের অভিযোগ জোরালো হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী
এহসানুল হক মিলন বা বিটিআরসির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং অনেকে এটাকে ‘ডিজিটাল সেন্সরশিপ’ বলে অভিহিত করছেন। প্রেক্ষাপট বর্তমান সরকারের অধীনে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ আগেও উঠেছে। বিশেষ করে বিরোধী মতামত দমনের অভিযোগে সরকার সমালোচিত হয়েছে। এ ঘটনা সেই প্রেক্ষাপটকে নতুন করে সামনে এনেছে এবং মন্ত্রীদের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এই ধরনের পদক্ষেপ বাকস্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা নিয়ে আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। আরও তথ্য উঠে আসলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাধ্য হয়ে দিয়েছি। মন্ত্রী শত শত লিংক পাঠিয়ে সেগুলো রিমুভ করাচ্ছেন। উনি ওনার ব্যক্তিগত কাজে বিটিআরসিকে ব্যবহার করছেন। ৪ মাস মন্ত্রী হয়ে তিনি এখন ফ্যাসিস্টের মতো আচরণ করছেন। এই অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে এটাকে বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমালোচনামূলক কনটেন্ট (যেমন ‘মিথিলায় মজেছেন মিলন’ ভিডিও) টার্গেট করে ব্লক করার ঘটনা বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। বিটিআরসির এই পদক্ষেপের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণত কপিরাইট আইন ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সমালোচনা দমনের অভিযোগ আগেও উঠেছে বিভিন্ন দেশে, কিন্তু বাংলাদেশে এটি সরকারি সংস্থার মাধ্যমে হওয়ায় সরকারি দায়িত্বের অপব্যবহারের অভিযোগ জোরালো হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী
এহসানুল হক মিলন বা বিটিআরসির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং অনেকে এটাকে ‘ডিজিটাল সেন্সরশিপ’ বলে অভিহিত করছেন। প্রেক্ষাপট বর্তমান সরকারের অধীনে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ আগেও উঠেছে। বিশেষ করে বিরোধী মতামত দমনের অভিযোগে সরকার সমালোচিত হয়েছে। এ ঘটনা সেই প্রেক্ষাপটকে নতুন করে সামনে এনেছে এবং মন্ত্রীদের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এই ধরনের পদক্ষেপ বাকস্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা নিয়ে আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। আরও তথ্য উঠে আসলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



