ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মসজিদ ভাড়া নিয়ে জামায়াতের নারী কর্মীদের গুপ্ত কর্মশালা, ধাওয়া দিয়ে তাড়ালেন স্থানীয়রা
ঢামেক ও অমর একুশে হলের ফুটপাত থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারে ২০০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ৬ লাখ মানুষ
বরিশালে থানায় হামলার ঘটনায় ১৮ জন গ্রেপ্তার
ঝিনাইদহে নাপিত ডেকে ছাত্রদের চুল কাটলেন সাবেক সভাপতি, অভিভাবক-কর্তৃপক্ষ হাতাহাতি
হবিগঞ্জে নদীর বাঁধ ভেঙে ১০ গ্রাম প্লাবিত, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ
খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জের ১০ গ্রাম প্লাবিত
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মাকে দিয়ে ভুয়া গুম-খুনের মামলা, আত্মগোপনে ২ বছরে বিয়ে-সংসার!
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে প্রায় ২ বছর আত্মগোপনে থাকার পর নিজের অপহরণ, হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগে মাকে দিয়ে মামলা করানোর চাঞ্চল্যকর ঘটনা উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে ৪ মাস কারাভোগ করেন এক ঠিকাদার।
পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুর থেকে ‘নিখোঁজ’ দেখানো ওই যুবককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ৯ই জুলাই, বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে গাজীপুরের গাছা থানার ডেগেরচালা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আত্মগোপনে থাকা মো. মোস্তফা কামালকে (২৮) উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মোস্তফা কামাল ময়মনসিংহের শেরপুর জেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তার পরিবার কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকায় নানাবাড়িতে বসবাস করছে।
মামলার ভুক্তভোগী জামান মিয়া কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের
ছেলে। পুলিশ জানায়, মোস্তফা কামাল পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং জামান মিয়া একজন ঠিকাদার। কাজের সূত্রে তাদের মধ্যে কয়েক লাখ টাকার লেনদেন ছিল। একপর্যায়ে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, পাওনা টাকা আদায়ের জন্য জামান মিয়া একসময় মোস্তফা কামালকে পিরিজপুরে নিয়ে গিয়ে একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। এরপর মোস্তফা কামাল বাড়ি না ফিরে আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন ছেলের কোনো খোঁজ না পেয়ে তার মা মনোয়ারা বেগম আদালতে অপহরণ, হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগে একটি পিটিশন মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে কুলিয়ারচর থানায় মামলাটি রেকর্ড হলে প্রধান আসামি হিসেবে জামান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তিনি প্রায় ৪ মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা
এসআই মঞ্জুরুল হক জানান, তদন্তে ঘটনাটি সন্দেহজনক মনে হলে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৯ই জুলাই রাত ২টার দিকে গাজীপুরের গাছা থানার ডেগেরচালা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মোস্তফা কামালকে উদ্ধার করা হয়। সেখানে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন এবং বিয়ে করে বসবাস করছিলেন। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মোস্তফা কামালের আত্মগোপনের বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যরা জানতেন। তবে তারা এ বিষয়ে পুলিশকে কোনো তথ্য দেননি। ভুক্তভোগী জামান মিয়া বলেন, ‘মোস্তফা কামালের সঙ্গে আমার প্রায় ৪ লাখ টাকার লেনদেন ছিল। টাকা চাইলে সে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে আমাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে তার মা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা গুমের মামলা করেন। আমি বিনা
দোষে চার মাস কারাভোগ করেছি। আমার ব্যবসার সুনাম, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে আমার মানসম্মান সবই ধুলায় মিশে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিচার চাই।’ মোস্তফা কামালের আত্মগোপনে থাকার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক রঙ চড়িয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম করা হয়েছে কিংবা তুলে নিয়ে তথাকথিত আয়নাঘরে বন্দি করা হয়েছে বলেও একটি বিশেষ মহল জল ঘোলা করেছিল বলে জানান স্থানীয়রা। এ বিষয়ে মোস্তফা কামাল ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন বলেন, তদন্তে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, গুমের অভিযোগে নিখোঁজ দেখানো যুবকটি আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে আদালতে হাজির করে
জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
ছেলে। পুলিশ জানায়, মোস্তফা কামাল পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং জামান মিয়া একজন ঠিকাদার। কাজের সূত্রে তাদের মধ্যে কয়েক লাখ টাকার লেনদেন ছিল। একপর্যায়ে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, পাওনা টাকা আদায়ের জন্য জামান মিয়া একসময় মোস্তফা কামালকে পিরিজপুরে নিয়ে গিয়ে একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। এরপর মোস্তফা কামাল বাড়ি না ফিরে আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন ছেলের কোনো খোঁজ না পেয়ে তার মা মনোয়ারা বেগম আদালতে অপহরণ, হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগে একটি পিটিশন মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে কুলিয়ারচর থানায় মামলাটি রেকর্ড হলে প্রধান আসামি হিসেবে জামান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তিনি প্রায় ৪ মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা
এসআই মঞ্জুরুল হক জানান, তদন্তে ঘটনাটি সন্দেহজনক মনে হলে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৯ই জুলাই রাত ২টার দিকে গাজীপুরের গাছা থানার ডেগেরচালা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মোস্তফা কামালকে উদ্ধার করা হয়। সেখানে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন এবং বিয়ে করে বসবাস করছিলেন। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মোস্তফা কামালের আত্মগোপনের বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যরা জানতেন। তবে তারা এ বিষয়ে পুলিশকে কোনো তথ্য দেননি। ভুক্তভোগী জামান মিয়া বলেন, ‘মোস্তফা কামালের সঙ্গে আমার প্রায় ৪ লাখ টাকার লেনদেন ছিল। টাকা চাইলে সে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে আমাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে তার মা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা গুমের মামলা করেন। আমি বিনা
দোষে চার মাস কারাভোগ করেছি। আমার ব্যবসার সুনাম, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে আমার মানসম্মান সবই ধুলায় মিশে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিচার চাই।’ মোস্তফা কামালের আত্মগোপনে থাকার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক রঙ চড়িয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম করা হয়েছে কিংবা তুলে নিয়ে তথাকথিত আয়নাঘরে বন্দি করা হয়েছে বলেও একটি বিশেষ মহল জল ঘোলা করেছিল বলে জানান স্থানীয়রা। এ বিষয়ে মোস্তফা কামাল ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন বলেন, তদন্তে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, গুমের অভিযোগে নিখোঁজ দেখানো যুবকটি আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে আদালতে হাজির করে
জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।



