ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ রোনালদো, কঙ্গোর ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ পয়েন্ট
ক্লোজার রেকর্ড স্পর্শ করে ব্রাজিলের রোনালদোকে স্মরণ করলেন মেসি
রেকর্ড গড়া বিশ্বকাপ হ্যাট্রিকের পর এটিকে ‘একটি সুন্দর মুহূর্ত’ বললেন মেসি
বিশ্বকাপের মাঝে সাপ আতঙ্কে কাঁপছে জার্মানি শিবির
পড়ার টেবিল সরিয়ে ফুটবলের গ্যালারি
যে গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে মেসি
খেলার মাঠ থেকে অভিনয়ে জামাল ভূঁইয়া
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে সহজেই হারালো অস্ট্রেলিয়া
অ্যাডাম জাম্পা ও জোয়েল ডেভিসের দারুণ বোলিংয়ের পর কুপার কনলির চমৎকার ৪৭ রানের ইনিংসে ভর করে বুধবার বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৩২ রানের সহজ লক্ষ্য ১০ বল বাকি থাকতেই পেরিয়ে যায় সফরকারীরা। এই জয়ের মাধ্যমে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল তারা।
আহত লিটন দাসের জায়গায় প্রথমবার অধিনায়কত্ব করা তাওহীদ হৃদয়ের বাংলাদেশ শুরুতেই উইকেট পেয়েছিল। ফর্মে থাকা শরিফুল ইসলাম ওপেনার জশ ইংলিশকে মাত্র ৫ রানে ফিরিয়ে দেওয়ার পর মোস্তাফিজুর রহমান আউট করেন মিচেল মার্শকে (১৩)। ফলে ৪.৫ ওভারে ৩৮ রানে ২ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
তবে কনলি বাংলাদেশি পেসারদের ওপর
চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন। অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার সাকলাইনের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হওয়ার আগে তিনি নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি হাফ-সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৩ রান দূরে ছিলেন। মাত্র ২৭ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো তাঁর ৪৭ রানের ঝড়ো ইনিংসটি অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যায়। কনলি তৃতীয় উইকেটে টিম ডেভিডের সঙ্গে ৪০ রান যোগ করেন। ডেভিডও ১৬ বলে ২০ রান করার পর শেখ মেহেদী হাসানের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হন। ম্যাথু রেনশ ও অভিষিক্ত নিখিল চৌধুরী—দুজনের সামনেই ম্যাচ শেষ করার সুযোগ ছিল, কিন্তু সাকলাইন ও রিশাদ হোসেনের বলে ১৮ রান করে তাঁরা আউট হন। শেষ পর্যন্ত অভিষিক্ত ডেভিস ও জাভিয়ের বার্টলেট
১৮.২ ওভারে অস্ট্রেলিয়াকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ডেভিস ৭ রানে এবং বার্টলেট ৪ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সাকলাইন ৩২ রান দিয়ে সবচেয়ে বেশি ২টি উইকেট নেন। এ ছাড়া শরিফুল, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী ও রিশাদ একটি করে উইকেট পান। এর আগে, ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো পিচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া বাংলাদেশ এক ওভার বাকি থাকতেই ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায়। জাম্পা ও ডেভিস স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইনে ধস নামান। জাম্পা ১৮ রানে ৩টি এবং ডেভিস ১৭ রানে ৩টি উইকেট নেন। এই ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার স্পিনাররা মোট ৯টি উইকেট নেন, যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাদের স্পিনারদের সেরা রেকর্ড। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মাটিতে কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে
স্পিনারদের ৯টি উইকেট নেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দিয়েছিলেন। উদ্বোধনী জুটিতে ২৬ রান করার পর বাঁহাতি পেসার স্পেন্সার জনসনের বলে শট খেলতে গিয়ে আউট হন তানজিদ (৯ বলে ১০ রান)। এর পরপরই সাইফ হাসানও রেনশর পার্ট-টাইম অফ-স্পিন বলে আউট হলে ৪.৫ ওভারে বাংলাদেশের রান দাঁড়ায় ৩৯/২। বাংলাদেশের ১৩তম অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবার দলকে নেতৃত্ব দেওয়া হৃদয় নিজের প্রথম বলেই ছক্কা মারেন, কিন্তু জাম্পার বলে মাত্র ৮ রান করে আউট হন। সৌম্য সরকার ১৭ রান করার পর এই লেগ-স্পিনারের বলে আউট হন এবং রেনশ বিপজ্জনক শামীম হোসেন পাটোয়ারীকে দ্রুত বিদায় করেন। এরপর ডেভিস পর পর দুই
উইকেট তুলে নেন। তিনি পারভেজ হোসেন ইমন এবং সাকলাইনকে—উভয়কেই ১০ রানে আউট করেন। শেষ দিকে শেখ মেহেদীর ২২ বলে ৪টি চারে সাজানো অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংসটি বাংলাদেশকে লড়াকু পুঁজি গড়তে সাহায্য করে। শেষ দিকে রিশাদ (৩), শরিফুল (৭) ও মোস্তাফিজুর রহমান (৭) তাঁকে কিছুটা সঙ্গ দেন।
চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন। অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার সাকলাইনের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হওয়ার আগে তিনি নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি হাফ-সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৩ রান দূরে ছিলেন। মাত্র ২৭ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো তাঁর ৪৭ রানের ঝড়ো ইনিংসটি অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যায়। কনলি তৃতীয় উইকেটে টিম ডেভিডের সঙ্গে ৪০ রান যোগ করেন। ডেভিডও ১৬ বলে ২০ রান করার পর শেখ মেহেদী হাসানের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হন। ম্যাথু রেনশ ও অভিষিক্ত নিখিল চৌধুরী—দুজনের সামনেই ম্যাচ শেষ করার সুযোগ ছিল, কিন্তু সাকলাইন ও রিশাদ হোসেনের বলে ১৮ রান করে তাঁরা আউট হন। শেষ পর্যন্ত অভিষিক্ত ডেভিস ও জাভিয়ের বার্টলেট
১৮.২ ওভারে অস্ট্রেলিয়াকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ডেভিস ৭ রানে এবং বার্টলেট ৪ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সাকলাইন ৩২ রান দিয়ে সবচেয়ে বেশি ২টি উইকেট নেন। এ ছাড়া শরিফুল, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী ও রিশাদ একটি করে উইকেট পান। এর আগে, ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো পিচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া বাংলাদেশ এক ওভার বাকি থাকতেই ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায়। জাম্পা ও ডেভিস স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইনে ধস নামান। জাম্পা ১৮ রানে ৩টি এবং ডেভিস ১৭ রানে ৩টি উইকেট নেন। এই ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার স্পিনাররা মোট ৯টি উইকেট নেন, যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাদের স্পিনারদের সেরা রেকর্ড। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মাটিতে কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে
স্পিনারদের ৯টি উইকেট নেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দিয়েছিলেন। উদ্বোধনী জুটিতে ২৬ রান করার পর বাঁহাতি পেসার স্পেন্সার জনসনের বলে শট খেলতে গিয়ে আউট হন তানজিদ (৯ বলে ১০ রান)। এর পরপরই সাইফ হাসানও রেনশর পার্ট-টাইম অফ-স্পিন বলে আউট হলে ৪.৫ ওভারে বাংলাদেশের রান দাঁড়ায় ৩৯/২। বাংলাদেশের ১৩তম অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবার দলকে নেতৃত্ব দেওয়া হৃদয় নিজের প্রথম বলেই ছক্কা মারেন, কিন্তু জাম্পার বলে মাত্র ৮ রান করে আউট হন। সৌম্য সরকার ১৭ রান করার পর এই লেগ-স্পিনারের বলে আউট হন এবং রেনশ বিপজ্জনক শামীম হোসেন পাটোয়ারীকে দ্রুত বিদায় করেন। এরপর ডেভিস পর পর দুই
উইকেট তুলে নেন। তিনি পারভেজ হোসেন ইমন এবং সাকলাইনকে—উভয়কেই ১০ রানে আউট করেন। শেষ দিকে শেখ মেহেদীর ২২ বলে ৪টি চারে সাজানো অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংসটি বাংলাদেশকে লড়াকু পুঁজি গড়তে সাহায্য করে। শেষ দিকে রিশাদ (৩), শরিফুল (৭) ও মোস্তাফিজুর রহমান (৭) তাঁকে কিছুটা সঙ্গ দেন।



