ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর…
চট্টগ্রামে হামের ‘মহামারি’: চট্টগ্রামে হামের তাণ্ডবে ১৩ মৃত্যু, ল্যাব থাকলেও পরীক্ষা ঢাকায়
জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু সেনা বাহিনীর
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
নোয়াখালীতে ‘জয় বাংলা’ মিছিল: শিশু আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ৭ম-১০ম শ্রেণীর কোমলমতি শিশুদের গণগ্রেপ্তার
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলায় এক প্রবাসীর বাড়িতে ঘটেছে এক শিউরে ওঠার মতো দুর্ধর্ষ ডাকাতি ও নৃশংস পাশবিকতার ঘটনা। গভীর রাতে ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের পাশাপাশি প্রবাসীর স্ত্রী এবং তার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৫ বছর বয়সী নাবালিকা মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে একদল নরপিশাচ। এই লোমহর্ষক ঘটনার পর পুরো জেলায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল ৮ জুন, সোমবার রাত আড়াইটার দিকে মাতামুহুরি উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের সিকদারপাড়া ডলনিরঘোনা এলাকায় এই নারকীয় ঘটনাটি ঘটে।
জানালার গ্রিল কেটে হানা, মা-মেয়ের ওপর পৈশাচিকতা
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার মধ্যরাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি
সুসংগঠিত ও সশস্ত্র ডাকাতদল ওই প্রবাসীর বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে হানা দেয়। তারা প্রথমে অস্ত্রের মুখে বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে। তবে তাদের বর্বরতা এখানেই শেষ হয়নি; মালামাল লুটের পর তারা বাড়িতে অবস্থানরত প্রবাসীর অসহায় স্ত্রী এবং তার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে আটকে রেখে পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে স্কুলছাত্রী ডাকাতদল চলে যাওয়ার পর প্রতিবেশীদের সহায়তায় গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে
স্থানান্তর করা হয়। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মামা সাইদুল ইসলাম মারুফ কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, “আমার বোন ও ভাগ্নির ওপর ডাকাতরা পৈশাচিক অত্যাচার চালিয়েছে। ভাগ্নির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।” প্রশাসনের তৎপরতা ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশসহ থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মাসুদ ডাকাতি ও মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অপরাধীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অধিকতর তদন্তের জন্য তিনি নিজে এখনো ঘটনাস্থলে অবস্থান
করছেন।
সুসংগঠিত ও সশস্ত্র ডাকাতদল ওই প্রবাসীর বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে হানা দেয়। তারা প্রথমে অস্ত্রের মুখে বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে। তবে তাদের বর্বরতা এখানেই শেষ হয়নি; মালামাল লুটের পর তারা বাড়িতে অবস্থানরত প্রবাসীর অসহায় স্ত্রী এবং তার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে আটকে রেখে পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে স্কুলছাত্রী ডাকাতদল চলে যাওয়ার পর প্রতিবেশীদের সহায়তায় গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে
স্থানান্তর করা হয়। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মামা সাইদুল ইসলাম মারুফ কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, “আমার বোন ও ভাগ্নির ওপর ডাকাতরা পৈশাচিক অত্যাচার চালিয়েছে। ভাগ্নির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।” প্রশাসনের তৎপরতা ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশসহ থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মাসুদ ডাকাতি ও মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অপরাধীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অধিকতর তদন্তের জন্য তিনি নিজে এখনো ঘটনাস্থলে অবস্থান
করছেন।



