ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
না ধুয়েও যেভাবে ভালো রাখবেন জিন্স
পেশোয়ারি বিফ রান্নার সহজ রেসিপি
কোরবানির মাংস সংরক্ষণে যে ভুলগুলো করেন অনেকেই
চুলে কাঁচা ডিম লাগলে দুশ্চিন্তা নয়: বরং মেখে নিন, উপকার অনেক
পুদিনা পাতা খাওয়া কতটা উপকারী
এসির সঙ্গে ফ্যান চালালে কি সত্যিই বিদ্যুৎ বিল কমে?
অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার বাড়াতে পারে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি
কতটুকু মাংস খাওয়া নিরাপদ?
কোরবানির ঈদ মানেই ঘরে ঘরে মাংসের নানা আয়োজন। তবে উৎসবের আনন্দে অনেকেই মাংস খাওয়ার পরিমাণ নিয়ে সচেতন থাকেন না।
ফলে অতিরিক্ত লাল মাংস খেয়ে অনেকে নানা শারীরিক সমস্যায় ভোগেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত লাল মাংস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
তবে পরিমিত পরিমাণে খেলে এর পুষ্টিগুণ শরীরের জন্য উপকারী।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ও লাল মাংস খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
তাই মাংস খেতে হবে পরিমিতভাবে।
মাংসের উপকারিতা
মাংস প্রোটিনের অন্যতম ভালো উৎস।
এছাড়া এতে রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। গরু, খাসি ও ভেড়ার মাংস অর্থাৎ লাল মাংসে থাকে প্রচুর আয়রন, যা রক্তাল্পতা প্রতিরোধে সহায়তা করে।
এছাড়া মাংসে থাকা উচ্চমাত্রার প্রোটিন দীর্ঘ
সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। গরু ও খাসির মাংসে আরও রয়েছে জিঙ্ক, ভিটামিন বি-১২, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, নিয়াসিন, ভিটামিন বি-৬, আয়রন ও রিবোফ্লাভিন। জিঙ্ক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ফসফরাস দাঁত ও হাড় মজবুত করে আয়রন শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে ভিটামিন বি-১২ শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে কতটুকু মাংস খাওয়া নিরাপদ? গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন প্রায় ৭৬ গ্রাম লাল ও প্রক্রিয়াজাত মাংস খান, তাদের অন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) বলছে, নিয়মিত ৯০ গ্রামের বেশি লাল বা প্রক্রিয়াজাত মাংস খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক নিরাপদ গরুর মাংসের পরিমাণ প্রায় ৮৫ গ্রাম বা ৩
আউন্স। এটি দেখতে প্রায় একটি কম্পিউটার মাউস বা এক প্যাকেট তাসের সমান। চর্বিহীন মাংস খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞরা চর্বিহীন মাংস খাওয়ার পরামর্শ দেন। গরুর শরীরের ‘রাউন্ড’ ও ‘সিরলইন’ অংশে তুলনামূলক কম চর্বি থাকে। এসব অংশের মাংসে চর্বির পরিমাণ ৪ দশমিক ২ থেকে ৮ দশমিক ২ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে, যা অনেক সময় মুরগির থাই অংশের মাংসের চেয়েও কম। তাই গরু, খাসি কিংবা মুরগি-যে মাংসই খান না কেন, দৃশ্যমান চর্বি বাদ দিয়ে খাওয়াই ভালো। বিকল্প প্রোটিনও জরুরি পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন লাল মাংস খাওয়া ঠিক নয়। সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন লাল মাংস খাওয়াই যথেষ্ট। প্রোটিনের চাহিদা পূরণে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন-মসুর ডাল, ছোলা, কিডনি বিন, মটরশুঁটি, বেকড বিনসসহ বিভিন্ন
উদ্ভিজ্জ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। সেইসঙ্গে প্রক্রিয়াজাত মাংস যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিমিত ও সচেতন খাদ্যাভ্যাসই পারে ঈদের আনন্দের মধ্যেও শরীরকে সুস্থ রাখতে।
সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। গরু ও খাসির মাংসে আরও রয়েছে জিঙ্ক, ভিটামিন বি-১২, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, নিয়াসিন, ভিটামিন বি-৬, আয়রন ও রিবোফ্লাভিন। জিঙ্ক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ফসফরাস দাঁত ও হাড় মজবুত করে আয়রন শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে ভিটামিন বি-১২ শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে কতটুকু মাংস খাওয়া নিরাপদ? গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন প্রায় ৭৬ গ্রাম লাল ও প্রক্রিয়াজাত মাংস খান, তাদের অন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) বলছে, নিয়মিত ৯০ গ্রামের বেশি লাল বা প্রক্রিয়াজাত মাংস খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক নিরাপদ গরুর মাংসের পরিমাণ প্রায় ৮৫ গ্রাম বা ৩
আউন্স। এটি দেখতে প্রায় একটি কম্পিউটার মাউস বা এক প্যাকেট তাসের সমান। চর্বিহীন মাংস খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞরা চর্বিহীন মাংস খাওয়ার পরামর্শ দেন। গরুর শরীরের ‘রাউন্ড’ ও ‘সিরলইন’ অংশে তুলনামূলক কম চর্বি থাকে। এসব অংশের মাংসে চর্বির পরিমাণ ৪ দশমিক ২ থেকে ৮ দশমিক ২ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে, যা অনেক সময় মুরগির থাই অংশের মাংসের চেয়েও কম। তাই গরু, খাসি কিংবা মুরগি-যে মাংসই খান না কেন, দৃশ্যমান চর্বি বাদ দিয়ে খাওয়াই ভালো। বিকল্প প্রোটিনও জরুরি পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন লাল মাংস খাওয়া ঠিক নয়। সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন লাল মাংস খাওয়াই যথেষ্ট। প্রোটিনের চাহিদা পূরণে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন-মসুর ডাল, ছোলা, কিডনি বিন, মটরশুঁটি, বেকড বিনসসহ বিভিন্ন
উদ্ভিজ্জ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। সেইসঙ্গে প্রক্রিয়াজাত মাংস যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিমিত ও সচেতন খাদ্যাভ্যাসই পারে ঈদের আনন্দের মধ্যেও শরীরকে সুস্থ রাখতে।



