ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রামিসা হত্যা মামলায় বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ
হামের রোগীদের দায়িত্বরত ডাক্তার-নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল
এসডিজি অর্জনে দরকার শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগে মামলা, আসামি যারা
‘ধর্ষকদের দ্রুত বিচার ও রায় নিশ্চিতে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে’
একান্ত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: অর্থনীতি, জঙ্গিবাদ ও পররাষ্ট্রনীতিতে ইউনূস ও বিএনপি সরকার দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছে
এইচএসসি পাস ‘প্রফেসর’ থেকে জামায়াত আমিরের উপদেষ্টা মাহমুদুলের দুই যুগের প্রতারণার ইতিহাস
রামিসা হত্যার ফরেনসিক রিপোর্ট হস্তান্তর
রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যার ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
সিআইডি জানিয়েছে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুন এসব গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক রিপোর্ট সংগ্রহ করেন।
শনিবার (২৩ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সিআইডির পক্ষ থেকে সব ফরেনসিক রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তারা হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ এসব ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। রিপোর্ট হাতে আসায় এখন অভিযোগপত্র (চার্জশিট)
প্রস্তুতের কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার (২৪ মে) আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে। গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।
প্রস্তুতের কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার (২৪ মে) আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে। গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।



