ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শরীয়তপুরে ছেলে ছাত্রলীগ করায় পিতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
‘হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’
আ.লীগের ৮৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
গায়ে হাত দেওয়া লোকও কমিটিতে ক্ষোভে রাজনীতি ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের কর্মীরা, আত্মরক্ষার সাথে সাথে করছে মব হামলা প্রতিরোধ
এনসিপি থেকে ২২ নেতার পদত্যাগ
মাদক বিক্রির টাকা গোণা সেই যুবদল নেতা গভীর রাতে আদম ব্যবসায়ীর স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আর পরিকল্পিত মব সন্ত্রাসের আরেকটি নির্মম উদাহরণ দেখা গেল বগুড়ায়। পঙ্গু অবস্থায় থাকা আওয়ামী লীগ নেতা শাহনূর আলম শান্ত (৬০) কারাবন্দি অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের তৈরি করা মবের হামলা ও পরবর্তী নিপীড়নের ধারাবাহিকতাই শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গত ৪ জানুয়ারি বগুড়া শহরের নারুলী কৃষি ফার্ম এলাকায় স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এলে বিএনপির নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হামলা চালায়। এক পা হারানো, কৃত্রিম পায়ে চলাফেরা করা এই অসহায় মানুষটিকে বেধড়ক মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে একটি নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে তাকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর করা হলে
সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন।পরবর্তীতে সঠিক চিকিৎসার অভাবে গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার রাতে তিনি মারা যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও তিনি হাতকড়া পরিহিত ছিলেন। বগুড়া কারাগারে এর আগেও একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। মাত্র কিছুদিনের ব্যবধানে পাঁচজন নেতার মৃত্যুর ঘটনা ইতোমধ্যে উদ্বেগ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি, মিথ্যা মামলা ও কারাগারে নিপীড়নের একটি ধারাবাহিক চিত্র এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এক পা হারানো একজন মানুষ, যিনি কৃত্রিম পায়ে ভর করে জীবন চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তাকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। রাজনীতির নামে প্রতিহিংসার এই অন্ধকার রাজনীতি আর কত প্রাণ নেবে?
সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন।পরবর্তীতে সঠিক চিকিৎসার অভাবে গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার রাতে তিনি মারা যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও তিনি হাতকড়া পরিহিত ছিলেন। বগুড়া কারাগারে এর আগেও একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। মাত্র কিছুদিনের ব্যবধানে পাঁচজন নেতার মৃত্যুর ঘটনা ইতোমধ্যে উদ্বেগ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি, মিথ্যা মামলা ও কারাগারে নিপীড়নের একটি ধারাবাহিক চিত্র এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এক পা হারানো একজন মানুষ, যিনি কৃত্রিম পায়ে ভর করে জীবন চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তাকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। রাজনীতির নামে প্রতিহিংসার এই অন্ধকার রাজনীতি আর কত প্রাণ নেবে?



