ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৭ মার্চের ভাষণ প্রচার: সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ইমিসহ কারাগারে ৩ শিক্ষার্থী
৮দিন আগেই সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আকস্মিক বন্ধ ঘোষনা; জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয়?
মানবাধিকার, মতপ্রকাশের ন্যুনতম স্বাধীনতাও আজ লঙ্ঘিত
কুবি শিক্ষকককে অপহরণের পর নির্যাতন চালিয়ে বিকাশ-এটিএমের টাকা উত্তোলন
রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ‘ছাত্র’কে দেখানো হয়েছে ‘ছাত্রী’
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক অনিয়ম: ৯৭৩টি প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ৯০ কোটি টাকা ও ১৭৬ একর জমি ফেরতের সুপারিশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘কারাবন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি’তে ছাত্রলীগের পোস্টার
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের দোহাই দিয়ে আজ থেকে বন্ধ দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ঈদুল ফিতরের ছুটির দিন এগিয়ে এনে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় আজ ৯ই মার্চ, সোমবার থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল ৮ই মার্চ, রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য আলো ঝলমলে শপিং মলে আলোকসজ্জা বন্ধ না হলেও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। অনেক অভিভাবককে এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছেন বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর মা, রেহনুমা আক্তার ফেসবুকে লিখেছেন: এমনিতেই ২০২৪-এর জুলাই থেকে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া চাঙ্গে উঠেছে। প্রতিদিন তাদের ক্লাস বর্জন আর নানা হাঙ্গামা চলছে। ইউনুস
সাহেব তাদেরকে পড়াশোনায় ফেরত পাঠানোর পরিবর্তে নানারকম আন্দোলন-মব করিয়ে শিক্ষাজীবনটা নষ্ট করে গেছেন। এখনো শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফেরত যায়নি। তিনি আরও লিখেছেন: দেশোদ্ধারের নামে দিন-রাত রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে, রাজনীতির ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। নানা অজুহাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছে ওরা। আসাদুল হক কিবরিয়া নামে আরেক অভিভাবক লিখেছেন: রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে আমাদের সন্তানেরা। নানা বাহানায় স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পড়াশোনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা থাকবে ক্লাসে, অথচ তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে রাস্তাঘাটে। দিন নেই রাত নেই, তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাস আর দলবাজি। আমরা আমাদের সন্তানদের ফিরে পেতে চাই। তাদের ক্লাসে দেখতে চাই।রাজনৈতিক বিশ্লেষণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায়
বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় জাতীয় পর্যায়ে অত্যন্ত জরুরি। এ কারণে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে আগামী ৯ই মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে উল্লেখিত ঈদুল ফিতরের ছুটি পর্যন্ত দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী এবং দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা ও দরজা খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান আলোর অর্ধেক ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার
কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অফিস সময় শেষ হওয়ার পর লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার এবং গাড়ির ব্যবহার সীমিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সাহেব তাদেরকে পড়াশোনায় ফেরত পাঠানোর পরিবর্তে নানারকম আন্দোলন-মব করিয়ে শিক্ষাজীবনটা নষ্ট করে গেছেন। এখনো শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফেরত যায়নি। তিনি আরও লিখেছেন: দেশোদ্ধারের নামে দিন-রাত রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে, রাজনীতির ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। নানা অজুহাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছে ওরা। আসাদুল হক কিবরিয়া নামে আরেক অভিভাবক লিখেছেন: রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে আমাদের সন্তানেরা। নানা বাহানায় স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পড়াশোনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা থাকবে ক্লাসে, অথচ তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে রাস্তাঘাটে। দিন নেই রাত নেই, তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাস আর দলবাজি। আমরা আমাদের সন্তানদের ফিরে পেতে চাই। তাদের ক্লাসে দেখতে চাই।রাজনৈতিক বিশ্লেষণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায়
বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় জাতীয় পর্যায়ে অত্যন্ত জরুরি। এ কারণে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে আগামী ৯ই মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে উল্লেখিত ঈদুল ফিতরের ছুটি পর্যন্ত দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী এবং দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা ও দরজা খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান আলোর অর্ধেক ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার
কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অফিস সময় শেষ হওয়ার পর লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার এবং গাড়ির ব্যবহার সীমিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।



