ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফলের বাজারে নেই লাগাম, বিক্রেতারা যে যার ইচ্ছেমত হাঁকছেন দাম
‘হেয়ার কাট’ বাতিলের দাবিতে পাঁচ একীভূত ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ, বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও
‘হেয়ার কাট’ বাতিলের দাবিতে পাঁচ একীভূত ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ, বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও
একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও
বৃহস্পতিবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
তৈরি পোশাক খাতের অস্থিরতা চরমে: কমেছে রপ্তানি, ঈদে বেতন–বোনাস নিয়ে শঙ্কা
আলু ফলায় কৃষক, দাম পায় ফড়িয়া, ক্ষমতা ভোগ করে বিএনপি
দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ আছে মাত্র চার দিনের
দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ দ্রুত কমে এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কিছু জ্বালানির মজুদ মাত্র চার দিনের চাহিদা মেটানোর মতো রয়েছে বলে জ্বালানি খাতের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহে অনিশ্চয়তা ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমদানিকৃত চালান দেশে না পৌঁছানোয় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে পরিবহন, শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে সাধারণ সময়ে জ্বালানি তেলের মজুদ অন্তত দুই থেকে তিন সপ্তাহের চাহিদা মেটানোর মতো রাখা হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি নির্ধারিত চালান দেরিতে আসায় মজুদ দ্রুত কমে গেছে। ফলে বর্তমানে কিছু জ্বালানির ক্ষেত্রে মজুদ মাত্র চার দিনের পর্যায়ে নেমে এসেছে।
এ
পরিস্থিতিতে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় পেট্রোলপাম্পে গ্রাহকদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। অনেকেই সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় আগেভাগে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। এতে স্বাভাবিকের তুলনায় পাম্পগুলোতে বিক্রির চাপ বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু এলাকায় জ্বালানি বিক্রিতে সীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ব্যক্তিগত যানবাহনে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি জ্বালানি না দেওয়ার বিষয়ে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে অস্বাভাবিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কয়েকটি জ্বালানি বহনকারী জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা থাকলেও আন্তর্জাতিক পরিবহন পরিস্থিতি ও সরবরাহে অনিশ্চয়তার কারণে সেগুলো বিলম্বিত হয়েছে। এর প্রভাব সরাসরি মজুদের ওপর পড়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রতিদিন
গড়ে প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ডিজেলের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন ও কৃষি খাতে এই জ্বালানির ব্যবহার বেশি হওয়ায় ডিজেলের মজুদ কমে গেলে তার প্রভাব দ্রুত দৃশ্যমান হয়।বাংলাদেশ ভ্রমণ তবে বিপিসির কর্মকর্তারা বলছেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি সংকটময় পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ইতিমধ্যে নতুন কয়েকটি চালান দেশের পথে রয়েছে। সেগুলো বন্দরে পৌঁছালে সরবরাহ পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে প্রায় পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। দেশের মোট চাহিদার বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও তার প্রভাব দ্রুত দেশের মজুদের
ওপর পড়ে। তাদের মতে, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে কৌশলগত জ্বালানি মজুদ বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি একাধিক উৎস থেকে আমদানির ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। জ্বালানি খাতের পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্রুত নতুন চালান দেশে পৌঁছালে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। তবে সরবরাহে বিলম্ব দীর্ঘ হলে পরিবহন ও শিল্প খাতে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিস্থিতিতে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় পেট্রোলপাম্পে গ্রাহকদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। অনেকেই সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় আগেভাগে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। এতে স্বাভাবিকের তুলনায় পাম্পগুলোতে বিক্রির চাপ বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু এলাকায় জ্বালানি বিক্রিতে সীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ব্যক্তিগত যানবাহনে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি জ্বালানি না দেওয়ার বিষয়ে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে অস্বাভাবিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কয়েকটি জ্বালানি বহনকারী জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা থাকলেও আন্তর্জাতিক পরিবহন পরিস্থিতি ও সরবরাহে অনিশ্চয়তার কারণে সেগুলো বিলম্বিত হয়েছে। এর প্রভাব সরাসরি মজুদের ওপর পড়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রতিদিন
গড়ে প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ডিজেলের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন ও কৃষি খাতে এই জ্বালানির ব্যবহার বেশি হওয়ায় ডিজেলের মজুদ কমে গেলে তার প্রভাব দ্রুত দৃশ্যমান হয়।বাংলাদেশ ভ্রমণ তবে বিপিসির কর্মকর্তারা বলছেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি সংকটময় পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ইতিমধ্যে নতুন কয়েকটি চালান দেশের পথে রয়েছে। সেগুলো বন্দরে পৌঁছালে সরবরাহ পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে প্রায় পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। দেশের মোট চাহিদার বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও তার প্রভাব দ্রুত দেশের মজুদের
ওপর পড়ে। তাদের মতে, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে কৌশলগত জ্বালানি মজুদ বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি একাধিক উৎস থেকে আমদানির ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। জ্বালানি খাতের পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্রুত নতুন চালান দেশে পৌঁছালে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। তবে সরবরাহে বিলম্ব দীর্ঘ হলে পরিবহন ও শিল্প খাতে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।



