ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘হেয়ার কাট’ বাতিলের দাবিতে পাঁচ একীভূত ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ, বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও
‘হেয়ার কাট’ বাতিলের দাবিতে পাঁচ একীভূত ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ, বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও
একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও
বৃহস্পতিবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
তৈরি পোশাক খাতের অস্থিরতা চরমে: কমেছে রপ্তানি, ঈদে বেতন–বোনাস নিয়ে শঙ্কা
আলু ফলায় কৃষক, দাম পায় ফড়িয়া, ক্ষমতা ভোগ করে বিএনপি
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে বড় পতন: ফেব্রুয়ারিতে ২১ শতাংশ কমে ৩৫০ কোটি ডলারের নিচে
ফলের বাজারে নেই লাগাম, বিক্রেতারা যে যার ইচ্ছেমত হাঁকছেন দাম
পবিত্র রমজান মাসের শুরু থেকেই দেশের ফলের বাজারে আগুন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অস্বাভাবিক দাম বাড়ছে প্রতিদিন। এমনকি ইফতারপণ্য খেজুর, আপেল, কমলা, মালটাসহ প্রায় সব ধরনের ফল এখন রোজাদারদেরর ইফতারে নাগালের বাইরে চলে গেছে। বিক্রেতারা যে যার ইচ্ছেমত দাম হাঁকছেন।
৬ই মার্চ, শুক্রবার ঢাকার লক্ষ্মীবাজার, রায়সাহেব বাজারসহ কয়েকটি ফলের বাজার ঘুরে দেখা যায়, কমলা প্রতি কেজি ৩২০ টাকা, মাল্টা ৩০০ টাকা, সাদা আঙুর ৪০০ টাকা, আপেল ৩৬০ টাকা, নাশপাতি ৪০০ টাকা এবং আনার বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ টাকা কেজিতে। কালো আঙুরের দাম ৫৫০ টাকা, পেঁয়ারা ১২০ টাকা, পেঁপে ১৫০ টাকা এবং বড়ই বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে।
বাজারে বিভিন্ন ধরনের খেজুরের দামও বেশ
চড়া লক্ষ্য করা গেছে। ইসরায়েলি জাতের মেখজুল খেজুর বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১ হাজার ৬০০ টাকায়, মরিয়ম খেজুর ৯০০ টাকা এবং তিউনিসিয়ান বিভিন্ন জাতের সাধারণ খেজুর পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬৫০ টাকা কেজিতে। ব্যবসায়ীরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে খেজুরের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অজুহাদ দিয়ে রায়সাহেব বাজারের খেজুর বিক্রেতা সাকিব আল হাসান বলেন, আমরা খুচরা বিক্রেতারা দাম বাড়াই না। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হয়, তাই বিক্রিতেও দাম বাড়ে। সদরঘাটের বাদামতলীর খুচরা ও পাইকারি খেজুর ব্যবসায়ী তাওয়াককুল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. সুমনের অজুহাত ভিন্ন। তিনি বলেন, খেজুরের সরবরাহ ‘হঠাৎ কমে যাওয়ায়’ কিছু জাতের দাম বেড়েছে। তার দাবি, বন্দর থেকে পণ্য সময়মতো ডেলিভারি
না হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। বাদামতলী থেকে খেজুর কিনতে আসা আকরাম খান নামে এক ক্রেতা বলেন, রমজানের শুরুতেই খেজুরের দাম বাড়ে। কিন্তু আজ এসে দেখি কেজিতে আরও প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে। বাজারে এই দাম নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। অন্যদিকে কলার বাজারেও দাম বেশি। দেশি কলা ডজনপ্রতি ১২০ টাকা, সবরি কলা ১৮০ টাকা এবং সাগর কলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা ডজন দরে। লক্ষ্মীবাজারের কলা বিক্রেতা মো. ইউনুস বলেন, এ বছর ফলন কম হওয়ায় কলার দাম তুলনামূলক বেশি। এদিকে নতুন তরমুজ বাজারে উঠেছে। তরমুজ প্রতি কেজি ৯০ টাকা এবং প্রতিটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩০০ টাকায়। রায়সাহেব বাজারের বিসমিল্লাহ ফুডসের মালিক আব্দুল জব্বার বলেন, তরমুজের মৌসুম পুরোপুরি
শুরু হলে এর দাম কমে আসবে। তিনি আরও জানান, তার দোকানে ফুজি আপেল বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, অস্ট্রেলিয়ান আপেল ৩২০ টাকা এবং গ্রিন আপেল ৪০০ টাকা কেজিতে। কমলার ক্ষেত্রেও আকার ও উৎসভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে ছোট কমলা ৩০০ টাকা, বড় কমলা ৩৫০ টাকা এবং দেশি কমলা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধের প্রভাব থাকায় অন্যান্য আমদানি করা ফলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
চড়া লক্ষ্য করা গেছে। ইসরায়েলি জাতের মেখজুল খেজুর বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১ হাজার ৬০০ টাকায়, মরিয়ম খেজুর ৯০০ টাকা এবং তিউনিসিয়ান বিভিন্ন জাতের সাধারণ খেজুর পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬৫০ টাকা কেজিতে। ব্যবসায়ীরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে খেজুরের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অজুহাদ দিয়ে রায়সাহেব বাজারের খেজুর বিক্রেতা সাকিব আল হাসান বলেন, আমরা খুচরা বিক্রেতারা দাম বাড়াই না। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হয়, তাই বিক্রিতেও দাম বাড়ে। সদরঘাটের বাদামতলীর খুচরা ও পাইকারি খেজুর ব্যবসায়ী তাওয়াককুল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. সুমনের অজুহাত ভিন্ন। তিনি বলেন, খেজুরের সরবরাহ ‘হঠাৎ কমে যাওয়ায়’ কিছু জাতের দাম বেড়েছে। তার দাবি, বন্দর থেকে পণ্য সময়মতো ডেলিভারি
না হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। বাদামতলী থেকে খেজুর কিনতে আসা আকরাম খান নামে এক ক্রেতা বলেন, রমজানের শুরুতেই খেজুরের দাম বাড়ে। কিন্তু আজ এসে দেখি কেজিতে আরও প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে। বাজারে এই দাম নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। অন্যদিকে কলার বাজারেও দাম বেশি। দেশি কলা ডজনপ্রতি ১২০ টাকা, সবরি কলা ১৮০ টাকা এবং সাগর কলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা ডজন দরে। লক্ষ্মীবাজারের কলা বিক্রেতা মো. ইউনুস বলেন, এ বছর ফলন কম হওয়ায় কলার দাম তুলনামূলক বেশি। এদিকে নতুন তরমুজ বাজারে উঠেছে। তরমুজ প্রতি কেজি ৯০ টাকা এবং প্রতিটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩০০ টাকায়। রায়সাহেব বাজারের বিসমিল্লাহ ফুডসের মালিক আব্দুল জব্বার বলেন, তরমুজের মৌসুম পুরোপুরি
শুরু হলে এর দাম কমে আসবে। তিনি আরও জানান, তার দোকানে ফুজি আপেল বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, অস্ট্রেলিয়ান আপেল ৩২০ টাকা এবং গ্রিন আপেল ৪০০ টাকা কেজিতে। কমলার ক্ষেত্রেও আকার ও উৎসভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে ছোট কমলা ৩০০ টাকা, বড় কমলা ৩৫০ টাকা এবং দেশি কমলা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধের প্রভাব থাকায় অন্যান্য আমদানি করা ফলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।



