ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জেলায় জেলায় বাড়ছে আ.লীগের কর্মসূচি, নেতাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা
শব্দ ও বয়ানের রাজনীতি: বয়েলিং ফ্রগ সিনড্রোম
৩৪.১% শুল্ক থেকে কি মিলবে স্বস্তি? অনিশ্চয়তায় অর্ডার সংকট ও রপ্তানি খাত
আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় মেট্রোরেলের নতুন দুই রুটে, প্রশ্নবিদ্ধ দরপত্র প্রক্রিয়া
সারা দেশে শহীদ দিবসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগ
ড. খলিলুর রহমান: পর্দার আড়ালের এক ভয়ঙ্কর ‘কিংমেকার’
১৯৭১ শেষ হয়নি, ডালিম-ফারুকের রিলে রেস থামেনি, শুধু দৌড়বিদ বদলেছে
বিএনপি ক্ষমতা নেওয়ার পর ভারতে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা, বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৮
ভারতে একটি বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠীর মদতে এই হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলো। এ ঘটনায় তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাংলাদেশে বিএনপি সরকার ক্ষমতা নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই এই খবর প্রকাশিত হলো।
১০ ট্রাক অস্ত্রের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি সরকারের আগের আমলগুলোতেও ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জঙ্গি তৎপরতায় মদত দেওয়ার অভিযোগ ছিল। বিশেষ করে চট্টগ্রামে আটক হওয়া ‘১০ ট্রাক অস্ত্র’ মামলার
প্রেক্ষাপট টেনে বিশ্লেষকরা বলছেন, তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশ হয়ে ভারতে অবৈধ অস্ত্র পাচারের নিরাপদ রুট তৈরি হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতির এই নতুন মোড় সেই পুরোনো শঙ্কাকেই উসকে দিচ্ছে। ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে, তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানা থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শহীদ ও মোহাম্মদ উজ্জ্বল। এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের নিশ্চিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অন্তত একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। অভিযুক্তরা ভারতে নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ভুয়া আধার কার্ড ব্যবহার করছিল। তাদের হেফাজত থেকে ৮টি মোবাইল ফোন এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তামিলনাড়ু পুলিশ তাদের
প্রাথমিক অভিযান শেষে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেলের কাছে হস্তান্তর করেছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এই জঙ্গি মডিউলটির মূল লক্ষ্য ছিল দিল্লির ঐতিহাসিক লাল কেল্লা এবং চাঁদনি চকের একটি প্রাচীন মন্দিরসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উপাসনালয়। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সূত্রমতে, ভিড়যুক্ত এলাকায় আইইডি (IED) ব্যবহার করে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক ছিল তাদের। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর মতে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি মসজিদে আত্মঘাতী হামলার প্রতিশোধ নিতেই এই নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। উল্লেখ্য, ইসলামাবাদের ওই হামলায় ৩১ জন নিহত ও ১৬০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছিলেন। যদিও ইসলামিক স্টেট (আইএস) ওই হামলার দায় স্বীকার
করেছিল, তবে লস্কর-ই-তৈবা ভারতে পাল্টা হামলার মাধ্যমে তাদের শক্তির জানান দিতে চেয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে এই চক্রের সাথে বাংলাদেশের কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সরাসরি যোগাযোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দিল্লির বিশেষ পুলিশ বাহিনী।
প্রেক্ষাপট টেনে বিশ্লেষকরা বলছেন, তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশ হয়ে ভারতে অবৈধ অস্ত্র পাচারের নিরাপদ রুট তৈরি হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতির এই নতুন মোড় সেই পুরোনো শঙ্কাকেই উসকে দিচ্ছে। ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে, তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানা থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শহীদ ও মোহাম্মদ উজ্জ্বল। এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের নিশ্চিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অন্তত একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। অভিযুক্তরা ভারতে নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ভুয়া আধার কার্ড ব্যবহার করছিল। তাদের হেফাজত থেকে ৮টি মোবাইল ফোন এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তামিলনাড়ু পুলিশ তাদের
প্রাথমিক অভিযান শেষে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেলের কাছে হস্তান্তর করেছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এই জঙ্গি মডিউলটির মূল লক্ষ্য ছিল দিল্লির ঐতিহাসিক লাল কেল্লা এবং চাঁদনি চকের একটি প্রাচীন মন্দিরসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উপাসনালয়। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সূত্রমতে, ভিড়যুক্ত এলাকায় আইইডি (IED) ব্যবহার করে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক ছিল তাদের। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর মতে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি মসজিদে আত্মঘাতী হামলার প্রতিশোধ নিতেই এই নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। উল্লেখ্য, ইসলামাবাদের ওই হামলায় ৩১ জন নিহত ও ১৬০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছিলেন। যদিও ইসলামিক স্টেট (আইএস) ওই হামলার দায় স্বীকার
করেছিল, তবে লস্কর-ই-তৈবা ভারতে পাল্টা হামলার মাধ্যমে তাদের শক্তির জানান দিতে চেয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে এই চক্রের সাথে বাংলাদেশের কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সরাসরি যোগাযোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দিল্লির বিশেষ পুলিশ বাহিনী।



