ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জেলায় জেলায় বাড়ছে আ.লীগের কর্মসূচি, নেতাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা
শব্দ ও বয়ানের রাজনীতি: বয়েলিং ফ্রগ সিনড্রোম
৩৪.১% শুল্ক থেকে কি মিলবে স্বস্তি? অনিশ্চয়তায় অর্ডার সংকট ও রপ্তানি খাত
আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় মেট্রোরেলের নতুন দুই রুটে, প্রশ্নবিদ্ধ দরপত্র প্রক্রিয়া
সারা দেশে শহীদ দিবসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগ
বিএনপি ক্ষমতা নেওয়ার পর ভারতে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা, বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৮
ড. খলিলুর রহমান: পর্দার আড়ালের এক ভয়ঙ্কর ‘কিংমেকার’
বিশটা লাশের বিনিময়ে পাওয়া অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগাবেন টুকু কানসাটের কসাই মন্ত্রী, তারেকের গণতন্ত্রে স্বাগতম!
২০০৬ সালের কানসাটের কথা যারা মনে রেখেছেন, তারা জানেন সেদিন কী হয়েছিল। লোডশেডিংয়ের অসহ্য যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটের মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। বিদ্যুৎ চাই, এইটুকুই ছিল দাবি। সেই দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ দিতে হয়েছিল বিশজন সাধারণ মানুষকে। বিশজন। শুধু বিদ্যুৎ চেয়েছিল বলে। পৃথিবীতে এরকম ঘটনা আর কোথাও ঘটেছে কিনা জানা নেই, কিন্তু বাংলাদেশে ঘটেছিল। আর সেই সময় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর চেয়ারে বসে ছিলেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
সেই টুকুকে এবার আবার বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে বসানো হচ্ছে। ২০২৬ সালে এসে। যে মানুষটার আমলে কানসাটের মাটিতে রক্ত পড়েছিল, যার দায়িত্বকালে গোটা বাংলাদেশ লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে হাঁসফাঁস করেছে, সেই মানুষকে আবার একই মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে আনার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এটাকে কী বলা যায়? সাহস? নাকি এই দলটি মনে করে জনগণের স্মৃতিশক্তি নেই? বিএনপি একটা অদ্ভুত দল। দলটির জন্ম হয়েছিল সেনানিবাসে, জিয়াউর রহমানের হাতে, রাজনীতির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নয়। তারপর থেকে দলটির ইতিহাস মানে দুর্নীতির ইতিহাস, সন্ত্রাসের ইতিহাস, আর জনগণের সাথে প্রতারণার ইতিহাস। ১৭ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে, সেই নির্বাচন নিয়ে দেশের মানুষের কী মনোভাব সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া, কার্যত একটা সাজানো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় বসে এখন তারেক রহমান নিজেকে প্রধানমন্ত্রী বলে দাবি করছেন। তারেক রহমান। লন্ডনে বসে বাংলাদেশ চালানোর স্বপ্ন দেখা এই মানুষটি নিয়ে দেশের
মানুষ কী ভাবে সেটা সবাই জানে। দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত একজন পলাতক আসামি আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন, এটা যদি রসিকতা না হয় তাহলে কী? আর সেই তারেক রহমানের সরকার টুকুকে আবার বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে বসাচ্ছে। বৃত্ত সম্পূর্ণ হচ্ছে যেন। কানসাটের যে বিশজন মানুষ মারা গিয়েছিলেন, তাদের পরিবার এখনও আছে। তারা ভুলে যাননি। সারাদেশের যে কোটি কোটি মানুষ সেই আমলের লোডশেডিংয়ে দিনের পর দিন ঘেমেনেয়ে কাটিয়েছেন, ব্যবসা লাটে উঠেছে যাদের, অসুস্থ রোগী হাসপাতালে বিদ্যুৎ না পেয়ে বিপদে পড়েছেন যাদের, তারাও ভুলে যাননি। কিন্তু বিএনপি ভুলে গেছে, অথবা মনে রাখার প্রয়োজন মনে করে না। টুকুকে কানসাটের কসাই বলা হয়। এই নামটা এমনি এমনি আসেনি।
আর সেই কসাইকে আবার ক্ষমতার চেয়ারে বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া মানে কানসাটের শহীদদের মুখে আরেকবার চড় মারা। এটা শুধু রাজনৈতিক ভুল নয়, এটা নৈতিকভাবেও অগ্রহণযোগ্য। যে দলটি একবার এই কাজ করেছে, তারা আবার একই মানুষকে একই জায়গায় বসাচ্ছে। এটা দেখে বোঝা যায়, এই দলটি আসলে কতটুকু বদলেছে। উত্তর হলো, একটুও না।
সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এটাকে কী বলা যায়? সাহস? নাকি এই দলটি মনে করে জনগণের স্মৃতিশক্তি নেই? বিএনপি একটা অদ্ভুত দল। দলটির জন্ম হয়েছিল সেনানিবাসে, জিয়াউর রহমানের হাতে, রাজনীতির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নয়। তারপর থেকে দলটির ইতিহাস মানে দুর্নীতির ইতিহাস, সন্ত্রাসের ইতিহাস, আর জনগণের সাথে প্রতারণার ইতিহাস। ১৭ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে, সেই নির্বাচন নিয়ে দেশের মানুষের কী মনোভাব সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া, কার্যত একটা সাজানো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় বসে এখন তারেক রহমান নিজেকে প্রধানমন্ত্রী বলে দাবি করছেন। তারেক রহমান। লন্ডনে বসে বাংলাদেশ চালানোর স্বপ্ন দেখা এই মানুষটি নিয়ে দেশের
মানুষ কী ভাবে সেটা সবাই জানে। দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত একজন পলাতক আসামি আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন, এটা যদি রসিকতা না হয় তাহলে কী? আর সেই তারেক রহমানের সরকার টুকুকে আবার বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে বসাচ্ছে। বৃত্ত সম্পূর্ণ হচ্ছে যেন। কানসাটের যে বিশজন মানুষ মারা গিয়েছিলেন, তাদের পরিবার এখনও আছে। তারা ভুলে যাননি। সারাদেশের যে কোটি কোটি মানুষ সেই আমলের লোডশেডিংয়ে দিনের পর দিন ঘেমেনেয়ে কাটিয়েছেন, ব্যবসা লাটে উঠেছে যাদের, অসুস্থ রোগী হাসপাতালে বিদ্যুৎ না পেয়ে বিপদে পড়েছেন যাদের, তারাও ভুলে যাননি। কিন্তু বিএনপি ভুলে গেছে, অথবা মনে রাখার প্রয়োজন মনে করে না। টুকুকে কানসাটের কসাই বলা হয়। এই নামটা এমনি এমনি আসেনি।
আর সেই কসাইকে আবার ক্ষমতার চেয়ারে বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া মানে কানসাটের শহীদদের মুখে আরেকবার চড় মারা। এটা শুধু রাজনৈতিক ভুল নয়, এটা নৈতিকভাবেও অগ্রহণযোগ্য। যে দলটি একবার এই কাজ করেছে, তারা আবার একই মানুষকে একই জায়গায় বসাচ্ছে। এটা দেখে বোঝা যায়, এই দলটি আসলে কতটুকু বদলেছে। উত্তর হলো, একটুও না।



