ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“আমি শেখ মুজিবের মেয়ে, দেশের স্বার্থ কখনো বেচি নাই। ক্ষমতার লোভ আমি করি না।” — শেখ হাসিনা
সড়কে চাঁদাবাজির ‘বৈধতা’ দিলেন হত্যা মামলার আসামি মন্ত্রী রবিউল
নতুন সরকার গঠন ‘প্রহসন ও সমঝোতার’ ফল, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি সাদ্দামের
সাবেক সরকারের দুই প্রেস সচিবের নতুন চাকরি: এমজিএইচ গ্রুপের কর্ণধারের দুর্নীতি মামলা প্রত্যাহার নিয়ে প্রশ্ন
সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: দরপত্র ছাড়াই ১১১ কোটির কাজ, ফারুকীর বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট গঠনের অভিযোগ
ঢাকা-ওয়াশিংটন গোপন চুক্তির ফাঁস
সরকারের অবসান ঘটলেও কমেনি প্রভাব; ‘বিদেশি স্বার্থ রক্ষায়’ বহাল থাকছে বিতর্কিত সব চুক্তি: সাবেক এনএসআই কর্মকর্তার দাবি
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলেও, পূর্ববর্তী সরকারের প্রভাব এবং বিতর্কিত বিদেশি চুক্তিগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না নতুন সরকার। বরং বিদেশি এবং বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষায় ইউনূস সরকারের ‘ব্লু-প্রিন্ট’ মেনেই কাজ করছে বর্তমান প্রশাসন।
সাংবাদিক নবনীতা চৌধুরীর সঞ্চালনায় ‘যত কথা’ অনুষ্ঠানে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক কর্মকর্তা আমিনুল হক পলাশ এসব মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, ড. ইউনূসের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক বোঝা এবং দীর্ঘমেয়াদী আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারকেও বহন করতে হচ্ছে।
‘বেচাবিক্রি’ ও ঋণের বোঝা
আলোচনায় আমিনুল হক পলাশ অভিযোগ করেন, গত ১৮ মাসে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ঋণাত্মক
প্রভাব পড়েছে। তিনি বলেন, “১৮ মাসে সরকারের ঋণ বেড়েছে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার, অথচ এডিপি বাস্তবায়নের হার গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড না হলেও ঋণ এবং টাকা ছাপানো অব্যাহত ছিল।” তিনি আরও দাবি করেন, এই সময়ে চট্টগ্রাম ও পতেঙ্গা বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন কিছু গোপন ও প্রকাশ্য বাণিজ্য চুক্তি করা হয়েছে, যা আগামী ১০-১৫ বছর বাংলাদেশকে মেনে চলতে হবে। খলিলুর রহমানের নিয়োগ ও ধারাবাহিকতা নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে টেকনোক্রেট কোটায় খলিলুর রহমানের নিয়োগকে ড. ইউনূসের প্রভাবের স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন সাবেক এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা। তিনি বলেন, “খলিলুর
রহমান ছিলেন ড. ইউনূসের ডান হাত এবং বিদেশি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে ডিল করার মূল কারিগর। তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করার মধ্য দিয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ইউনূস সরকারের করা চুক্তিগুলো এবং মার্কিন স্বার্থ অক্ষুণ্ণ থাকবে।” ‘সাজানো নির্বাচন’ ও রাজনৈতিক ভাগাভাগি আলোচনায় উঠে আসে যে, বিগত নির্বাচনটি ছিল একটি ‘ভাগাভাগির নির্বাচন’। আমিনুল হক পলাশ বলেন, “এই প্রক্রিয়ায় এনসিপি (ছাত্রনেতাদের দল) এবং জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্ধারিত ভাগ বুঝে পেয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলেও তাদের হাত কার্যত বাঁধা। তারা ক্ষমতায় আসার জন্য এবং নিরুপদ্রব থাকার জন্য ইউনূস সরকারের এসব শর্ত ও চুক্তি মেনে নিয়েছে।” দুর্নীতি ও জবাবদিহিতার অভাব অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে ‘ইকোনমিক হিটম্যান’ হিসেবে পরিচিত লুৎফে সিদ্দিকী এবং আশিক চৌধুরীর ভূমিকা
নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। অভিযোগ করা হয়, বোয়িং বিমান কেনা, এলএনজি আমদানি এবং বন্দর ইজারার মতো হাজার হাজার কোটি টাকার ডিলগুলোর মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত সুবিধা নেওয়া হয়েছে, যার কোনো স্বচ্ছ জবাবদিহিতা নেই। পলাশ আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকারও এসব দুর্নীতির তদন্ত বা বিচার করবে না। আলোচনার শেষে আমিনুল হক পলাশ মন্তব্য করেন, “সরাসরি ইউনূস শাসনের অবসান হলেও, কাঠামোগতভাবে তার প্রভাব এখনো রয়ে গেছে। একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই ‘স্ক্রিপ্টেড’ রাজনীতি ও বিদেশি প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন।”
প্রভাব পড়েছে। তিনি বলেন, “১৮ মাসে সরকারের ঋণ বেড়েছে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার, অথচ এডিপি বাস্তবায়নের হার গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড না হলেও ঋণ এবং টাকা ছাপানো অব্যাহত ছিল।” তিনি আরও দাবি করেন, এই সময়ে চট্টগ্রাম ও পতেঙ্গা বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন কিছু গোপন ও প্রকাশ্য বাণিজ্য চুক্তি করা হয়েছে, যা আগামী ১০-১৫ বছর বাংলাদেশকে মেনে চলতে হবে। খলিলুর রহমানের নিয়োগ ও ধারাবাহিকতা নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে টেকনোক্রেট কোটায় খলিলুর রহমানের নিয়োগকে ড. ইউনূসের প্রভাবের স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন সাবেক এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা। তিনি বলেন, “খলিলুর
রহমান ছিলেন ড. ইউনূসের ডান হাত এবং বিদেশি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে ডিল করার মূল কারিগর। তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করার মধ্য দিয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ইউনূস সরকারের করা চুক্তিগুলো এবং মার্কিন স্বার্থ অক্ষুণ্ণ থাকবে।” ‘সাজানো নির্বাচন’ ও রাজনৈতিক ভাগাভাগি আলোচনায় উঠে আসে যে, বিগত নির্বাচনটি ছিল একটি ‘ভাগাভাগির নির্বাচন’। আমিনুল হক পলাশ বলেন, “এই প্রক্রিয়ায় এনসিপি (ছাত্রনেতাদের দল) এবং জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্ধারিত ভাগ বুঝে পেয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলেও তাদের হাত কার্যত বাঁধা। তারা ক্ষমতায় আসার জন্য এবং নিরুপদ্রব থাকার জন্য ইউনূস সরকারের এসব শর্ত ও চুক্তি মেনে নিয়েছে।” দুর্নীতি ও জবাবদিহিতার অভাব অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে ‘ইকোনমিক হিটম্যান’ হিসেবে পরিচিত লুৎফে সিদ্দিকী এবং আশিক চৌধুরীর ভূমিকা
নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। অভিযোগ করা হয়, বোয়িং বিমান কেনা, এলএনজি আমদানি এবং বন্দর ইজারার মতো হাজার হাজার কোটি টাকার ডিলগুলোর মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত সুবিধা নেওয়া হয়েছে, যার কোনো স্বচ্ছ জবাবদিহিতা নেই। পলাশ আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকারও এসব দুর্নীতির তদন্ত বা বিচার করবে না। আলোচনার শেষে আমিনুল হক পলাশ মন্তব্য করেন, “সরাসরি ইউনূস শাসনের অবসান হলেও, কাঠামোগতভাবে তার প্রভাব এখনো রয়ে গেছে। একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই ‘স্ক্রিপ্টেড’ রাজনীতি ও বিদেশি প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন।”



