ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভোট কেন্দ্র নাকি চোরের মেলা? বোঝা বড্ড দায়; একের পর এক সিল মারতে থাকা ভোটচোর ক্যামেরা দেখেই দিলেন চম্পট!
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিলুপ্তির একদিন পরই সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম চাকরি পেয়ে গেছেন
গণমাধ্যমে অস্থিতিশীলতা ও নিয়ন্ত্রণ: চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘সিন্ডিকেট’ তৈরির অভিযোগ
ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের হাতেই পতন হবে’—মব ও ইউনূস সরকার নিয়ে গোলাম মাওলা রনি
তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় খলিলুর রহমান ‘ডিপ স্টেটের’ চাপে, আলী রিয়াজ ও জামায়াতের কঠোর সমালোচনায় অ্যাডভোকেট মহসিন রশীদ
গাদ্দাফির সেই ভবিষ্যৎবাণী, লিবিয়ার স্বর্ণযুগ এবং এক করুণ ট্র্যাজেডি: ইতিহাসের পাতায় একটি রক্তাক্ত অধ্যায়
যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে।
“রাষ্ট্র নিরাপত্তা নিয়ে পরীক্ষা করার সুযোগ নেই। মানবিক করিডরের নামে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। দেশকে অনিরাপদ করার এই ষড়যন্ত্রের দায় নিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।”
— ২২ মে ২০২৫, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
ড. খলিলুর রহমানকে একসময় রাষ্ট্র নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে আখ্যা দিয়ে বিএনপি তার পদত্যাগ দাবি করেছিল, সময়ের ব্যবধানে তাকেই এখন ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছাকাছি, এমনকি স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখার বাস্তবতা সামনে এসেছে।
এটি নিছক অবস্থান বদল নয়। এটি ক্ষমতার বিনিময়ে নীতিগত আত্মসমর্পণের প্রতিফলন। অভিযোগ উঠেছে, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন ক্ষমতার সমীকরণে বিদেশি স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত চাহিদা বাস্তবায়নে বিদেশি নাগরিকদের ব্যবহার করা
হচ্ছে। বিশেষ করে “মানবিক করিডর” নামের প্রস্তাবকে ঘিরে যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা একসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নিজেই বলেছিল, আজ সেই একই ব্যক্তি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখছেন। এতে করে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বাধীন নীতিনির্ধারণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। “যে ব্যক্তি একদিন রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকি ছিলেন, তিনি কীভাবে রাতারাতি রাষ্ট্রের রক্ষক হয়ে যান, তার ব্যাখ্যা জনগণ পায়নি।” এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-এর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আদৌ কার হাতে, সেই প্রশ্নটাই এখন মুখ্য।
হচ্ছে। বিশেষ করে “মানবিক করিডর” নামের প্রস্তাবকে ঘিরে যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা একসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নিজেই বলেছিল, আজ সেই একই ব্যক্তি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখছেন। এতে করে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বাধীন নীতিনির্ধারণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। “যে ব্যক্তি একদিন রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকি ছিলেন, তিনি কীভাবে রাতারাতি রাষ্ট্রের রক্ষক হয়ে যান, তার ব্যাখ্যা জনগণ পায়নি।” এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-এর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আদৌ কার হাতে, সেই প্রশ্নটাই এখন মুখ্য।



