ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফ্যাসিস্ট ইউনূসের নির্বাচন নাটকঃ ভোটকেন্দ্রে ব্যালট ভর্তি বাক্স অরক্ষিত; উধাও প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্ট
জাল ভোট, বুথ দখলসহ নির্বাচনে যেসব অনিয়ম পেয়েছে টিআইবি
“আওয়ামী লীগ ফেরার কি আছে? আওয়ামী লীগের কর্মীরা দেশেই আছে।” – সজীব ওয়াজেদ জয়
ছয়টি ব্যালট ভর্তি বাক্স সরিয়ে রেখে ফল প্রকাশ; নির্বাচনের চার দিন পর উদ্ধারে বিক্ষুব্ধ রংপুরবাসী, ইউএনও আটক
ভোটার নেই, তবু ভোট পূর্ণ। মানুষ নেই, তবু ফলাফল প্রস্তুত।এটাই অবৈধ নির্বাচনের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
২৬ লাখ ভারতীয়’ বহাল রেখেই কি বিদায় নিচ্ছেন আসিফ নজরুল?
শেখ হাসিনা মাসে ৮ হাজার কোটি , ইউনুস মাসে ২৩ হাজার কোটি ঋণ নিয়েছে।
কারাগারে অসুস্থ মুন্নির ‘খোঁজ রাখছে না’ কেউ
‘জামিন হলেও মুক্তি মেলেনা’, কারাগারে গুরুতর অসুস্থ ভয়েস আর্টিস্ট ও ছাত্রলীগ কর্মী মুন্নি
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ও ভয়েস আর্টিস্ট মুন্নি হাওলাদার। দলের দুঃসময়ে সরব ভূমিকা পালন করা এই ছাত্রলীগ কর্মী বর্তমানে কারাগারে গুরুতর অসুস্থ। পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর থেকে আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের দায়িত্বশীল কোনো নেতা তাঁর খোঁজ নেননি। এমনকি জামিন পাওয়ার পরও নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে (শ্যোন অ্যারেস্ট) তাঁকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে।
মুন্নি হাওলাদার ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের একজন কর্মী। পেশাগতভাবে তিনি একজন ভয়েস আর্টিস্ট। জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা যখন আত্মগোপনে ছিলেন, তখনো মুন্নি দলের পক্ষে বিভিন্ন প্রচারণায় নিজের কণ্ঠ ব্যবহার করেছেন। তিনি ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পেজে
ভয়েসওভার দেওয়াসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের পক্ষে জনমত গঠনে সক্রিয় ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ রমজান মুন্নি হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকেই তিনি আইনি জটিলতায় পড়েছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তাঁরা মুন্নির জামিনের ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু জামিন হওয়ার পর কারামুক্তির ঠিক আগমুহূর্তে তাঁকে পুনরায় নতুন একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ফলে বারবার জামিন পাওয়ার পরও তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না। মুন্নির ঘনিষ্ঠজন ও পরিবারের সদস্যদের আক্ষেপ, দলের জন্য ঝুঁকি নিলেও এখন তাঁর পাশে কেউ নেই। কারাগারে মুন্নি শারীরিকভাবে অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং সেখানে তাঁর সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না বলে আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। মুন্নির পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘আমরা
আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু আইনি লড়াই ও চিকিৎসার খরচ চালানো আমাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ছে। দল থেকে একটিবার খোঁজ নেওয়া হয়নি, কোনো আইনি সহায়তার হাতও বাড়িয়ে দেওয়া হয়নি।’ একজন নারী শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে মুন্নির ওপর চলমান আইনি প্রক্রিয়ার নিন্দা জানিয়েছেন তাঁর সহপাঠী ও পরিচিতজনরা। তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় নিয়ে অবিলম্বে সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
ভয়েসওভার দেওয়াসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের পক্ষে জনমত গঠনে সক্রিয় ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ রমজান মুন্নি হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকেই তিনি আইনি জটিলতায় পড়েছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তাঁরা মুন্নির জামিনের ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু জামিন হওয়ার পর কারামুক্তির ঠিক আগমুহূর্তে তাঁকে পুনরায় নতুন একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ফলে বারবার জামিন পাওয়ার পরও তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না। মুন্নির ঘনিষ্ঠজন ও পরিবারের সদস্যদের আক্ষেপ, দলের জন্য ঝুঁকি নিলেও এখন তাঁর পাশে কেউ নেই। কারাগারে মুন্নি শারীরিকভাবে অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং সেখানে তাঁর সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না বলে আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। মুন্নির পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘আমরা
আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু আইনি লড়াই ও চিকিৎসার খরচ চালানো আমাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ছে। দল থেকে একটিবার খোঁজ নেওয়া হয়নি, কোনো আইনি সহায়তার হাতও বাড়িয়ে দেওয়া হয়নি।’ একজন নারী শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে মুন্নির ওপর চলমান আইনি প্রক্রিয়ার নিন্দা জানিয়েছেন তাঁর সহপাঠী ও পরিচিতজনরা। তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় নিয়ে অবিলম্বে সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।



