ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গণভোটের নামে প্রহসন? ফলাফলে ভয়ংকর গড়মিল!
কেন্দ্র দখল আর জাল ভোটের মহোৎসবে ভোটারবিহীন নির্বাচনই কিনা অবাধ-সুষ্ঠুতার প্রতীক!
আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক হল কি না’ এ নিয়ে আরো প্রশ্ন উঠবে: টিআইবি
ভোটার নয়, নির্বাচন পরিচালনাকারী দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের জাল ভোটেই সম্পন্ন ইউনূসের অধীনে প্রহসনের নির্বাচন!
মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনাপতি মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী-এর মৃত্যু বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র শোক।
আজ প্রয়াত পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া-এর জন্মবার্ষিকী
জাল ভোট, বুথ দখলসহ নির্বাচনে যেসব অনিয়ম পেয়েছে টিআইবি
নাটকীয়তার পর শপথ, মন্ত্রিসভা ছিল ৬০ সদস্যের
বিএনপি এর আগে ক্ষমতায় এসেছিল ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। এককভাবে আসন পেয়েছিল ১৯৩টি। ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আটদিন পর সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৬২টি আসন পেয়ে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও নির্ধারিত দিনে শপথ নেয়নি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল মঙ্গলবার। কাকতালীয়ভাবে ২০০১ সালের শপথগ্রহণের দিনটিও ছিল মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর)। এর আগের কয়েকদিন ছিল ঘটনাবহুল ও নাটকীয়। সেই সময়কার জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোর প্রতিবেদন অবলম্বনে কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরা হলো;
শপথ পাঠ করাতে স্পিকারের অসম্মতি
২০০১ সালের ৬ অক্টোবরের পত্রিকার (প্রথম আলো) প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৎকালীন স্পিকার অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ বিএনপি ও চারদলীয় জোটের
নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাতে অস্বীকৃতি জানান। তখন এ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। সে সময় শপথ গ্রহণের দিন নির্ধারণ হয়েছিল ৭ অক্টোবর (রোববার)। কিন্তু ৫ অক্টোবর শুক্রবার রাতে স্পিকার বিএনপির প্রতিনিধি দলকে জানান, শপথবাক্য পাঠ করাতে তাঁর ‘সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা’ আছে। এই জটিলতা তৈরির আগে শুক্রবার বিএনপি সরকার গঠন ও এমপিদের শপথ পাঠ করানোর বিষয়ে দিনভর তৎপরতা চালায়। সেদিন সকালে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ এবং রাতে স্পিকার আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দলটির প্রতিনিধিরা। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সার্বিক অবস্থা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিএনপি তখন দ্রুত সরকার গঠন করতে চেয়েছিল। ২০০১ সালে বিএনপি তাদের অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে ছোট আকারের
মন্ত্রিসভা গঠনের লক্ষ্য নিয়েছিল। ৫ অক্টোবর রাতে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে চার শরিক দল থেকে মন্ত্রিসভার জন্য সদস্য মনোনয়ন ও অন্যান্য কৌশল নিয়ে শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয়। অন্যদিকে বিএনপির প্রতিনিধি দল বেইলি রোডে স্পিকারের বাসভবনে যায়। সেখান থেকে বেরিয়ে বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূইয়া সাংবাদিকদের বলেন, স্পিকারের দল (আওয়ামী লীগ) যেহেতু শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই তাঁর (আবদুল হামিদ) নিজের পক্ষেও শপথ নেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, এতে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘিত হবে। নিজে শপথ না নিলে অন্য এমপিদের শপথবাক্য পাঠ করানোও সম্ভব নয়। একই রাতে স্পিকার আবদুল হামিদ সাংবাদিকদের বলেন, শপথ পড়াতে না চাওয়ার পেছনে তাঁর কোনো অসৎ উদ্দেশ্য
নেই। তিনি গেজেট হাতে পাননি। গেজেট হাতে পাওয়ার পর সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে নির্বাচিত দলের সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর বিষয়টি জানানো হবে। শপথগ্রহণ পেছাল ৭ অক্টোবর দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিবেদনে বলা হয়, নবনির্বাচিত এমপিদের শপথগ্রহণ দুইদিন পেছানো হয়েছে। ৭ অক্টোবরের পরিবর্তে তা ৯, ১০ ও ১১ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, স্পিকার আবদুল হামিদ নিজেই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। আর ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় চারদলীয় জোটের এমপিরা সংসদে শপথগ্রহণ করবেন। এরপর খালেদা জিয়াকে সংসদীয় দলের সভায় নেতা নির্বাচন করা হবে। পরদিন সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে হবে প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ। দরবার হলে তখন অতিথিদের
জন্য আসন ছিল সাড়ে সাত’শ। আমন্ত্রণপত্র তৈরি করা হয়েছিল ১ হাজার। অবশেষে শপথগ্রহণ ৯ অক্টোবর সকাল থেকে চার দলীয় জোটের এমপিরা জাতীয় সংসদ ভবনে উপস্থিত হতে শুরু করেন। নির্ধারিত সময় সকাল ১০টার আগেই নিজ চেম্বারে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন স্পিকার। নির্বাচিত এমপিরা ৯টা থেকে সংসদ ভবনের নিচতলায় শপথগ্রহণ কক্ষে প্রবেশ করতে থাকেন। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সবুজ রঙের সিল্কের শাড়ি পরে ভেতরে প্রবেশ করেন বেগম খালেদা জিয়া। এর কিছুক্ষণ পর অনুষ্ঠানস্থলে যান স্পিকার আবদুল হামিদ। উপস্থিত এমপিরা তখন দাঁড়িয়ে তাঁকে সম্মান জানান। নবনির্বাচিত ১৯৭ এমপি সেদিন শপথ নেন। প্রথমবারের মতো এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন, সৈয়দ
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জহিরউদ্দিন স্বপন, ইলিয়াস আলী, ফজলুল হক মিলন, শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মনি স্বপন দেওয়ান, মাসুদ অরুণ, মাহমুদুল হক রুবেল, ইলেন ভুট্টো, আলী নেওয়াজ খৈয়ম এবং ওয়াদুদ ভূইয়া। ৬০ সদস্যের মন্ত্রিসভা ঘটনাস্থল; বঙ্গভবন। সময়; ১০ অক্টোবর সন্ধ্যা। মুসলিম বিশ্বসহ উপমহাদেশের ইতিহাসে সেদিন বিরল এক ঘটনা ঘটে। প্রথম নারী হিসেবে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেন বেগম খালেদা জিয়া। দরবার হলে উপস্থিত অতিথিরা তুমুল করতালি দিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। খালেদা জিয়া স্মিত হেসে এর জবাব দেন। সেদিন তিনি পরেছিলেন হালকা অফ-হোয়াইট রঙের শাড়ি। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান বিরোধী দলের (আওয়ামী লীগ) কেউ উপস্থিত ছিলেন না। মোট ৬০ সদস্যের মন্ত্রি
পরিষদে বেগম জিয়া ছাড়া পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন ২৭ জন। প্রতিমন্ত্রী ২৮ ও উপমন্ত্রী ছিলেন চারজন। তাদের মধ্যে ছয়জন মন্ত্রি-প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন টেকনোক্র্যাট কোটায়। তবে ওইদিন কারও দপ্তর বণ্টন হয়নি। পরদিন বৃহস্পতিবার দপ্তর বণ্টন করা হয়। সশস্ত্র ও প্রতিরক্ষার পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার অধীনে ছিল- পার্বত্য চট্টগ্রাম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী- পররাষ্ট্র, এম সাইফুর রহমান- অর্থ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন- স্বাস্থ্য, আবদুল মঈন খান- তথ্য, মির্জা আব্বাস- গৃহায়ন ও গণপূর্ত, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী- বাণিজ্য এবং আলতাফ হোসেন চৌধুরী পান স্বরাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- কৃষি ও সালাহউদ্দিন আহমদ ছিলেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে। জোটের শরিকদের মধ্যে মতিউর রহমান নিজামী- কৃষি এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ পেয়েছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাতে অস্বীকৃতি জানান। তখন এ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। সে সময় শপথ গ্রহণের দিন নির্ধারণ হয়েছিল ৭ অক্টোবর (রোববার)। কিন্তু ৫ অক্টোবর শুক্রবার রাতে স্পিকার বিএনপির প্রতিনিধি দলকে জানান, শপথবাক্য পাঠ করাতে তাঁর ‘সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা’ আছে। এই জটিলতা তৈরির আগে শুক্রবার বিএনপি সরকার গঠন ও এমপিদের শপথ পাঠ করানোর বিষয়ে দিনভর তৎপরতা চালায়। সেদিন সকালে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ এবং রাতে স্পিকার আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দলটির প্রতিনিধিরা। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সার্বিক অবস্থা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিএনপি তখন দ্রুত সরকার গঠন করতে চেয়েছিল। ২০০১ সালে বিএনপি তাদের অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে ছোট আকারের
মন্ত্রিসভা গঠনের লক্ষ্য নিয়েছিল। ৫ অক্টোবর রাতে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে চার শরিক দল থেকে মন্ত্রিসভার জন্য সদস্য মনোনয়ন ও অন্যান্য কৌশল নিয়ে শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয়। অন্যদিকে বিএনপির প্রতিনিধি দল বেইলি রোডে স্পিকারের বাসভবনে যায়। সেখান থেকে বেরিয়ে বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূইয়া সাংবাদিকদের বলেন, স্পিকারের দল (আওয়ামী লীগ) যেহেতু শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই তাঁর (আবদুল হামিদ) নিজের পক্ষেও শপথ নেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, এতে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘিত হবে। নিজে শপথ না নিলে অন্য এমপিদের শপথবাক্য পাঠ করানোও সম্ভব নয়। একই রাতে স্পিকার আবদুল হামিদ সাংবাদিকদের বলেন, শপথ পড়াতে না চাওয়ার পেছনে তাঁর কোনো অসৎ উদ্দেশ্য
নেই। তিনি গেজেট হাতে পাননি। গেজেট হাতে পাওয়ার পর সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে নির্বাচিত দলের সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর বিষয়টি জানানো হবে। শপথগ্রহণ পেছাল ৭ অক্টোবর দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিবেদনে বলা হয়, নবনির্বাচিত এমপিদের শপথগ্রহণ দুইদিন পেছানো হয়েছে। ৭ অক্টোবরের পরিবর্তে তা ৯, ১০ ও ১১ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, স্পিকার আবদুল হামিদ নিজেই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। আর ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় চারদলীয় জোটের এমপিরা সংসদে শপথগ্রহণ করবেন। এরপর খালেদা জিয়াকে সংসদীয় দলের সভায় নেতা নির্বাচন করা হবে। পরদিন সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে হবে প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ। দরবার হলে তখন অতিথিদের
জন্য আসন ছিল সাড়ে সাত’শ। আমন্ত্রণপত্র তৈরি করা হয়েছিল ১ হাজার। অবশেষে শপথগ্রহণ ৯ অক্টোবর সকাল থেকে চার দলীয় জোটের এমপিরা জাতীয় সংসদ ভবনে উপস্থিত হতে শুরু করেন। নির্ধারিত সময় সকাল ১০টার আগেই নিজ চেম্বারে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন স্পিকার। নির্বাচিত এমপিরা ৯টা থেকে সংসদ ভবনের নিচতলায় শপথগ্রহণ কক্ষে প্রবেশ করতে থাকেন। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সবুজ রঙের সিল্কের শাড়ি পরে ভেতরে প্রবেশ করেন বেগম খালেদা জিয়া। এর কিছুক্ষণ পর অনুষ্ঠানস্থলে যান স্পিকার আবদুল হামিদ। উপস্থিত এমপিরা তখন দাঁড়িয়ে তাঁকে সম্মান জানান। নবনির্বাচিত ১৯৭ এমপি সেদিন শপথ নেন। প্রথমবারের মতো এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন, সৈয়দ
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জহিরউদ্দিন স্বপন, ইলিয়াস আলী, ফজলুল হক মিলন, শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মনি স্বপন দেওয়ান, মাসুদ অরুণ, মাহমুদুল হক রুবেল, ইলেন ভুট্টো, আলী নেওয়াজ খৈয়ম এবং ওয়াদুদ ভূইয়া। ৬০ সদস্যের মন্ত্রিসভা ঘটনাস্থল; বঙ্গভবন। সময়; ১০ অক্টোবর সন্ধ্যা। মুসলিম বিশ্বসহ উপমহাদেশের ইতিহাসে সেদিন বিরল এক ঘটনা ঘটে। প্রথম নারী হিসেবে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেন বেগম খালেদা জিয়া। দরবার হলে উপস্থিত অতিথিরা তুমুল করতালি দিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। খালেদা জিয়া স্মিত হেসে এর জবাব দেন। সেদিন তিনি পরেছিলেন হালকা অফ-হোয়াইট রঙের শাড়ি। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান বিরোধী দলের (আওয়ামী লীগ) কেউ উপস্থিত ছিলেন না। মোট ৬০ সদস্যের মন্ত্রি
পরিষদে বেগম জিয়া ছাড়া পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন ২৭ জন। প্রতিমন্ত্রী ২৮ ও উপমন্ত্রী ছিলেন চারজন। তাদের মধ্যে ছয়জন মন্ত্রি-প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন টেকনোক্র্যাট কোটায়। তবে ওইদিন কারও দপ্তর বণ্টন হয়নি। পরদিন বৃহস্পতিবার দপ্তর বণ্টন করা হয়। সশস্ত্র ও প্রতিরক্ষার পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার অধীনে ছিল- পার্বত্য চট্টগ্রাম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী- পররাষ্ট্র, এম সাইফুর রহমান- অর্থ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন- স্বাস্থ্য, আবদুল মঈন খান- তথ্য, মির্জা আব্বাস- গৃহায়ন ও গণপূর্ত, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী- বাণিজ্য এবং আলতাফ হোসেন চৌধুরী পান স্বরাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- কৃষি ও সালাহউদ্দিন আহমদ ছিলেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে। জোটের শরিকদের মধ্যে মতিউর রহমান নিজামী- কৃষি এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ পেয়েছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।



