ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা সরকার উৎখাতে সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের গোপন ভূমিকা: নর্থ ইস্ট নিউজের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের “কালো আইন” এর প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়
ডিজেলের পর এবার ভারত থেকে এলো ১১৬ টন গম, আসবে আরও অনেক পণ্য
বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন দিয়ে ভারত থেকে এলো প্রায় ১ কোটি লিটার ডিজেল
‘শিরীন শারমিনের জামিন’ খবরটি নিয়ে যা জানা গেল
সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমে দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে ৫০১ প্রকৌশলীর বিবৃতি
গণভোটের নামে প্রহসন? ফলাফলে ভয়ংকর গড়মিল!
সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটের দাবি করা হলেও অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত 'জুলাই সনদ' বা সংবিধান সংস্কারের গণভোটের ফলাফল নিয়ে চরম উত্তেজনা ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফলে একাধিক আসনে অবিশ্বাস্য ও গাণিতিকভাবে অসম্ভব সংখ্যাগত অসংগতি পাওয়া গেছে, যা পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।
গণভোটের ফলাফলের সবচেয়ে বিস্ময়কর চিত্র ফুটে উঠেছে নেত্রকোনা-৩ আসনে। তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,২০,৬৮৬ জন। অথচ নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, কেবল ‘হ্যাঁ’ ভোটই পড়েছে ৫,০২,৪৩৮টি। অর্থাৎ মোট ভোটারের চেয়েও ৮১ হাজার বেশি মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন! এর সাথে ‘না’ ভোটের সংখ্যা ১,৩৬,০০৫টি যোগ করলে মোট
কাস্ট হওয়া ভোট দাঁড়ায় ৬,৩৮,৪৪৩টি, যা নিবন্ধিত ভোটারের তুলনায় ২ লক্ষ ১৮ হাজারের বেশি। একই চিত্র দেখা গেছে রাজশাহী-৪ আসনেও। সেখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন হলেও ভোট পড়েছে ৭ লাখ ৮১ হাজার ৫২৩টি। অর্থাৎ কাস্ট হওয়া ভোটের হার অবিশ্বাস্য ২৪৪.২৯ শতাংশ! সিরাজগঞ্জসহ আরও বেশ কিছু আসনে একই ধরনের পরিসংখ্যানগত অসংগতির খবর পাওয়া গেছে। নির্বাচনের ফলাফলে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছে জামায়াত ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) সম্বলিত ১১ দলীয় জোট। তারা দাবি করেছে, সরকার আগে থেকেই ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় যেকোনো উপায়ে একে বিজয়ী করতে মরিয়া ছিল। ভোটের হার প্রকাশে দীর্ঘ বিলম্বের পেছনে ফলাফল ম্যানিপুলেশন বা রদবদল করার উদ্দেশ্য
ছিল বলে জোটের নেতারা অভিযোগ করেছেন। এদিকে সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সঙ্গে অত্যন্ত অল্প ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। একইভাবে ঢাকা-৮ আসনে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর কাছে পরাজয় এড়িয়েছেন মির্জা আব্বাস। তবে সার্বিকভাবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। বড় জনগোষ্ঠীর অনীহা ও 'না' ভোটের পাল্লা নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী: মোট ভোটার: ১২ কোটি ৭৭ লক্ষ ২ হাজার ৩৩৪ জন ‘হ্যাঁ’ ভোট: ১,৯৮,১৬,২৫৬ (প্রায় ২ কোটি) ‘না’ ভোট: ৯৮,৭৬,৩০০ (প্রায় ১ কোটি) অংশ নেয়নি: ৯ কোটির বেশি ভোটার বিশ্লেষকরা বলছেন, যেখানে ১২ কোটি ভোটারের মধ্যে ৯ কোটিরও বেশি মানুষ ভোট দিতে যাননি এবং অংশগ্রহণকারীদের এক-তৃতীয়াংশই 'না' ভোট দিয়েছেন, সেখানে মাত্র
২ কোটি ‘হ্যাঁ’ ভোটকে পুরো বাংলাদেশের মানুষের ‘সম্মতি’ বলার কোনো যৌক্তিক সুযোগ নেই। গণভোটের এই পরিসংখ্যান দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের ওপর কালো ছায়া ফেলছে বলেই মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
কাস্ট হওয়া ভোট দাঁড়ায় ৬,৩৮,৪৪৩টি, যা নিবন্ধিত ভোটারের তুলনায় ২ লক্ষ ১৮ হাজারের বেশি। একই চিত্র দেখা গেছে রাজশাহী-৪ আসনেও। সেখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন হলেও ভোট পড়েছে ৭ লাখ ৮১ হাজার ৫২৩টি। অর্থাৎ কাস্ট হওয়া ভোটের হার অবিশ্বাস্য ২৪৪.২৯ শতাংশ! সিরাজগঞ্জসহ আরও বেশ কিছু আসনে একই ধরনের পরিসংখ্যানগত অসংগতির খবর পাওয়া গেছে। নির্বাচনের ফলাফলে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছে জামায়াত ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) সম্বলিত ১১ দলীয় জোট। তারা দাবি করেছে, সরকার আগে থেকেই ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় যেকোনো উপায়ে একে বিজয়ী করতে মরিয়া ছিল। ভোটের হার প্রকাশে দীর্ঘ বিলম্বের পেছনে ফলাফল ম্যানিপুলেশন বা রদবদল করার উদ্দেশ্য
ছিল বলে জোটের নেতারা অভিযোগ করেছেন। এদিকে সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সঙ্গে অত্যন্ত অল্প ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। একইভাবে ঢাকা-৮ আসনে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর কাছে পরাজয় এড়িয়েছেন মির্জা আব্বাস। তবে সার্বিকভাবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। বড় জনগোষ্ঠীর অনীহা ও 'না' ভোটের পাল্লা নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী: মোট ভোটার: ১২ কোটি ৭৭ লক্ষ ২ হাজার ৩৩৪ জন ‘হ্যাঁ’ ভোট: ১,৯৮,১৬,২৫৬ (প্রায় ২ কোটি) ‘না’ ভোট: ৯৮,৭৬,৩০০ (প্রায় ১ কোটি) অংশ নেয়নি: ৯ কোটির বেশি ভোটার বিশ্লেষকরা বলছেন, যেখানে ১২ কোটি ভোটারের মধ্যে ৯ কোটিরও বেশি মানুষ ভোট দিতে যাননি এবং অংশগ্রহণকারীদের এক-তৃতীয়াংশই 'না' ভোট দিয়েছেন, সেখানে মাত্র
২ কোটি ‘হ্যাঁ’ ভোটকে পুরো বাংলাদেশের মানুষের ‘সম্মতি’ বলার কোনো যৌক্তিক সুযোগ নেই। গণভোটের এই পরিসংখ্যান দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের ওপর কালো ছায়া ফেলছে বলেই মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।



