ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক! ইউনুস–জামাত–বিএনপির নীলনকশার গণপ্রহসন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ: সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জামায়াতে ইসলামীর, ১৫০ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি
রাজনীতিতে আসা নিয়ে যা বললেন সজীব ওয়াজেদ জয়
ব্যালট বিপ্লবে ‘অনুপস্থিত’ শেখ হাসিনারই জয়: ৫২ শতাংশ মানুষের ভোট বর্জনে প্রমাণিত, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল
ব্যালট বিপ্লবে ‘অনুপস্থিত’ শেখ হাসিনারই জয়: ৫২ শতাংশ মানুষের ভোট বর্জনে প্রমাণিত, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল
প্রতি মিনিটে ১২ ভোটারের উপস্থিতি দেখাল ইসি
শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু ও এদেশের প্রেমিক’: সাধারণ মানুষের কণ্ঠে উন্নয়নের জয়গান
প্রশ্নের মুখে ২০২৬-এর নির্বাচন ৮ শতাংশের ভোটকে ৬০ শতাংশ দেখানোর ‘ভুতুড়ে’ কারসাজি
জুলাই বিপ্লবের রক্তস্নাত অধ্যায়ের পর দেশবাসী আশা করেছিল একটি স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। কিন্তু গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন ও গণভোটে যা ঘটল, তা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রইল। নির্বাচন কমিশন (ইসি) কাগজে-কলমে ৬০.৬৯ শতাংশ ভোট পড়ার দাবি করলেও, মাঠের রুক্ষ বাস্তবতা বলছে—এটি ছিল মূলত ভোটারবিহীন এক ‘ভুতুড়ে নির্বাচন’।
পরিসংখ্যানের নজিরবিহীন জালিয়াতি
নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক আজ যে ফলাফল ঘোষণা করেছেন, তা গাণিতিক যুক্তিতে কোনোভাবেই ধোপে টেকে না।
ইসির দাবি: সারাদেশে ভোট পড়েছে ৭ কোটিরও বেশি (৬০.৬৯%)।
বাস্তব চিত্র: দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৪৩টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভোট পড়েছে মাত্র ১
কোটি ১১ লাখের কিছু বেশি। অর্থাৎ, ভোটের হার ৮.৭৪ শতাংশ। প্রশ্ন উঠেছে, ২৪৩ আসনে যদি মাত্র ১ কোটি ভোট পড়ে, তবে বাকি ৬ কোটি ভোট কি মাত্র ৫৭টি আসন থেকে এসেছে? গাণিতিক হিসাবে, ইসির দাবি সত্য হতে হলে ঐ ৫৭টি আসনের প্রতিটিতে গড়ে ২৭৪ শতাংশ ভোট পড়তে হবে—যা বাস্তবে অসম্ভব। মৃত মানুষ কবর থেকে উঠে ভোট দিলেও এই সমীকরণ মেলানো সম্ভব নয়। বিশ্লেষকরা একে ‘এক্সেল শিটে তৈরি করা ফলাফল’ বলে অভিহিত করেছেন। জনগণের নীরব প্রত্যাখ্যান ও জুলাই চার্টারের ভবিষ্যৎ ‘জুলাই চার্টার’ বা রাষ্ট্র সংস্কারের সনদের ওপর যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতেও ৬৫ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোটের দাবি করা হয়েছে। কিন্তু যেখানে ৯০ শতাংশ ভোটার
কেন্দ্রেই যাননি, সেখানে এই ‘জন রায়’ কোথা থেকে এল? সমালোচকরা বলছেন, ইউনুস প্রশাসনের অধীনে এই গণভোট মূলত জনগণের সঙ্গে প্রতারণা। ভোটাররা নীরব বর্জনের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছেন, তারা এই ‘এনজিও স্টাইলে’ পরিচালিত সাজানো নির্বাচনে আস্থা রাখেননি। সংস্কারের নামে যে সনদ পাস করানোর দাবি করা হচ্ছে, তা নৈতিক বৈধতা হারিয়েছে। প্রশাসনের ব্যর্থতা ও কারচুপির অভিযোগ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও, ১২ তারিখের নির্বাচন প্রমাণ করল—ক্ষমতার পালাবদল হলেও নির্বাচন কমিশনের মেরুদণ্ড সোজা হয়নি। ৮ শতাংশের উপস্থিতি ঢেকে দিতে পোস্টাল ব্যালটে ৮০ শতাংশ ভোটের যে অদ্ভুত দাবি করা হয়েছে, তা বিশ্বজুড়ে হাসির খোরাক জোগাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আসাদুজ্জামান (ছদ্মনাম) বলেন, “এটি কোনো নির্বাচন ছিল না,
এটি ছিল নির্বাচন কমিশন ভবনে বসে করা ডাটা এন্ট্রির মহড়া। ৫৬টি আসনে ৬ কোটি ভোট দেখানোর সাহস যারা দেখায়, তারা জনগণকে বোকা মনে করছে। এই নির্বাচন জুলাই বিপ্লবের শহীদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।” যদিও বিএনপি নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পথে এবং তারেক রহমান পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, কিন্তু এই নির্বাচনের ‘ভুয়া পরিসংখ্যান’ নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে শুরুতেই সংকটে ফেলবে। পশ্চিমা বিশ্ব এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যেই ৮ শতাংশ বনাম ৬০ শতাংশের এই বিশাল গরমিল নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রকে উদ্ধার করার বদলে আরও গভীর খাদের কিনারে ঠেলে দিল। ভোটার উপস্থিতি ও ফলাফলের এই বিশাল ফারাক প্রমাণ করে, দেশে এখনো সুষ্ঠু
নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়নি। একটি অনির্বাচিত প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার এবং একটি বিতর্কিত গণভোটের মাধ্যমে পাস করা সংবিধান—ভবিষ্যতে দেশকে বড় ধরণের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। সূত্র: মাঠ পর্যায়ের পোলিং এজেন্ট রিপোর্ট, নির্বাচন কমিশনের প্রেস ব্রিফিং এবং নেত্র নিউজের ডাটা বিশ্লেষণ।
কোটি ১১ লাখের কিছু বেশি। অর্থাৎ, ভোটের হার ৮.৭৪ শতাংশ। প্রশ্ন উঠেছে, ২৪৩ আসনে যদি মাত্র ১ কোটি ভোট পড়ে, তবে বাকি ৬ কোটি ভোট কি মাত্র ৫৭টি আসন থেকে এসেছে? গাণিতিক হিসাবে, ইসির দাবি সত্য হতে হলে ঐ ৫৭টি আসনের প্রতিটিতে গড়ে ২৭৪ শতাংশ ভোট পড়তে হবে—যা বাস্তবে অসম্ভব। মৃত মানুষ কবর থেকে উঠে ভোট দিলেও এই সমীকরণ মেলানো সম্ভব নয়। বিশ্লেষকরা একে ‘এক্সেল শিটে তৈরি করা ফলাফল’ বলে অভিহিত করেছেন। জনগণের নীরব প্রত্যাখ্যান ও জুলাই চার্টারের ভবিষ্যৎ ‘জুলাই চার্টার’ বা রাষ্ট্র সংস্কারের সনদের ওপর যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতেও ৬৫ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোটের দাবি করা হয়েছে। কিন্তু যেখানে ৯০ শতাংশ ভোটার
কেন্দ্রেই যাননি, সেখানে এই ‘জন রায়’ কোথা থেকে এল? সমালোচকরা বলছেন, ইউনুস প্রশাসনের অধীনে এই গণভোট মূলত জনগণের সঙ্গে প্রতারণা। ভোটাররা নীরব বর্জনের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছেন, তারা এই ‘এনজিও স্টাইলে’ পরিচালিত সাজানো নির্বাচনে আস্থা রাখেননি। সংস্কারের নামে যে সনদ পাস করানোর দাবি করা হচ্ছে, তা নৈতিক বৈধতা হারিয়েছে। প্রশাসনের ব্যর্থতা ও কারচুপির অভিযোগ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও, ১২ তারিখের নির্বাচন প্রমাণ করল—ক্ষমতার পালাবদল হলেও নির্বাচন কমিশনের মেরুদণ্ড সোজা হয়নি। ৮ শতাংশের উপস্থিতি ঢেকে দিতে পোস্টাল ব্যালটে ৮০ শতাংশ ভোটের যে অদ্ভুত দাবি করা হয়েছে, তা বিশ্বজুড়ে হাসির খোরাক জোগাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আসাদুজ্জামান (ছদ্মনাম) বলেন, “এটি কোনো নির্বাচন ছিল না,
এটি ছিল নির্বাচন কমিশন ভবনে বসে করা ডাটা এন্ট্রির মহড়া। ৫৬টি আসনে ৬ কোটি ভোট দেখানোর সাহস যারা দেখায়, তারা জনগণকে বোকা মনে করছে। এই নির্বাচন জুলাই বিপ্লবের শহীদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।” যদিও বিএনপি নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পথে এবং তারেক রহমান পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, কিন্তু এই নির্বাচনের ‘ভুয়া পরিসংখ্যান’ নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে শুরুতেই সংকটে ফেলবে। পশ্চিমা বিশ্ব এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যেই ৮ শতাংশ বনাম ৬০ শতাংশের এই বিশাল গরমিল নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রকে উদ্ধার করার বদলে আরও গভীর খাদের কিনারে ঠেলে দিল। ভোটার উপস্থিতি ও ফলাফলের এই বিশাল ফারাক প্রমাণ করে, দেশে এখনো সুষ্ঠু
নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়নি। একটি অনির্বাচিত প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার এবং একটি বিতর্কিত গণভোটের মাধ্যমে পাস করা সংবিধান—ভবিষ্যতে দেশকে বড় ধরণের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। সূত্র: মাঠ পর্যায়ের পোলিং এজেন্ট রিপোর্ট, নির্বাচন কমিশনের প্রেস ব্রিফিং এবং নেত্র নিউজের ডাটা বিশ্লেষণ।



