ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক! ইউনুস–জামাত–বিএনপির নীলনকশার গণপ্রহসন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ: সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জামায়াতে ইসলামীর, ১৫০ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি
রাজনীতিতে আসা নিয়ে যা বললেন সজীব ওয়াজেদ জয়
ব্যালট বিপ্লবে ‘অনুপস্থিত’ শেখ হাসিনারই জয়: ৫২ শতাংশ মানুষের ভোট বর্জনে প্রমাণিত, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল
ব্যালট বিপ্লবে ‘অনুপস্থিত’ শেখ হাসিনারই জয়: ৫২ শতাংশ মানুষের ভোট বর্জনে প্রমাণিত, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল
প্রশ্নের মুখে ২০২৬-এর নির্বাচন ৮ শতাংশের ভোটকে ৬০ শতাংশ দেখানোর ‘ভুতুড়ে’ কারসাজি
শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু ও এদেশের প্রেমিক’: সাধারণ মানুষের কণ্ঠে উন্নয়নের জয়গান
প্রতি মিনিটে ১২ ভোটারের উপস্থিতি দেখাল ইসি
ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন নেই, মাঠ প্রায় ফাঁকা। অথচ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ভোটের অবিশ্বাস্য জোয়ার। কমিশনের দেওয়া তথ্য ও মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্রের এই অসামঞ্জস্যতা বিশ্লেষণ করে বেরিয়ে এসেছে এক বিস্ময়কর তথ্য—কাগজে-কলমে প্রতি মিনিটে ১২ জনেরও বেশি মানুষ ভোট দিয়েছেন, যা বাস্তবে অসম্ভব।
একনজরে ‘মিনিট’ ও ভোটের হাইলাইটস:
১ ঘণ্টার ভেল্কি: সকাল ১১টায় ভোট ছিল ১৪%, দুপুর ১২টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২%-এ।
অতিরিক্ত ভোট: মাত্র ১ ঘণ্টায় ভোট বেড়েছে ১৮% (প্রায় ২ কোটি ১৬ লাখ)।
মিনিটের হিসাব: এই ১ ঘণ্টায় প্রতিটি কেন্দ্রে গড়ে ৬৭৫টি ভোট পড়েছে।
অবিশ্বাস্য গতি: গাণিতিক হিসাবে, প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতি মিনিটে ১১.২৫ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।
বাস্তবতা: প্রতি ৫
সেকেন্ডে ১টি ভোট কাস্ট হওয়া অসম্ভব, বিশেষ করে যখন কেন্দ্রগুলো ফাঁকা। পরিসংখ্যানের আড়ালে ‘গায়েবি’ ভোট? নির্বাচন কমিশনের ব্রিফিং অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল ১৪%। কিন্তু পরবর্তী এক ঘণ্টায় (দুপুর ১২টা পর্যন্ত) হঠাৎ করেই ১৮% ভোট বেড়ে মোট উপস্থিতি দাঁড়ায় ৩২%-এ। দেশের মোট ভোটার প্রায় ১২ কোটি এবং সচল ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় ৩২,০০০ ধরে হিসাব করলে দেখা যায়, ওই এক ঘণ্টায় সারা দেশে অতিরিক্ত ২ কোটি ১৬ লাখ ভোট পড়েছে। এই বিশাল সংখ্যক ভোটকে কেন্দ্র ও সময় দিয়ে ভাগ করলে দেখা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রে এক ঘণ্টায় ৬৭৫ জন মানুষ ভোট দিয়েছেন। অর্থাৎ, প্রতি মিনিটে ১১ জনের বেশি ভোটার ব্যালট বক্সে ভোট ফেলেছেন। বাস্তবতা
কী বলছে? নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও পোলিং এজেন্টদের মতে, প্রচলিত ব্যালট পেপার পদ্ধতিতে একটি ভোট সম্পন্ন করতে (শনাক্তকরণ, কালি দেওয়া, ব্যালট ইস্যু ও সিল মারা) গড়ে ৩ থেকে ৪ মিনিট সময় লাগে। সেখানে প্রতি মিনিটে ১১টি ভোট গ্রহণ করা মানে প্রতিটি ভোটের জন্য সময় পাওয়া গেছে মাত্র ৫ সেকেন্ড, যা মানুষের পক্ষে শারীরিকভাবে অসম্ভব। তাছাড়া, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত লাইভ ফুটেজে দেখা গেছে, দুপুরের ওই সময়ে অধিকাংশ কেন্দ্রের মাঠ ছিল ফাঁকা। ভোটারদের উপস্থিতি ছিল নগণ্য। ফাঁকা মাঠে কীভাবে প্রতি মিনিটে ১১ জন করে ভোটার ভোট দিলেন, সেই প্রশ্নই এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্লেষকরা একে ‘গাণিতিক অসঙ্গতি’ বা সাজানো ফলাফল বলে অভিহিত করছেন।
সেকেন্ডে ১টি ভোট কাস্ট হওয়া অসম্ভব, বিশেষ করে যখন কেন্দ্রগুলো ফাঁকা। পরিসংখ্যানের আড়ালে ‘গায়েবি’ ভোট? নির্বাচন কমিশনের ব্রিফিং অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল ১৪%। কিন্তু পরবর্তী এক ঘণ্টায় (দুপুর ১২টা পর্যন্ত) হঠাৎ করেই ১৮% ভোট বেড়ে মোট উপস্থিতি দাঁড়ায় ৩২%-এ। দেশের মোট ভোটার প্রায় ১২ কোটি এবং সচল ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় ৩২,০০০ ধরে হিসাব করলে দেখা যায়, ওই এক ঘণ্টায় সারা দেশে অতিরিক্ত ২ কোটি ১৬ লাখ ভোট পড়েছে। এই বিশাল সংখ্যক ভোটকে কেন্দ্র ও সময় দিয়ে ভাগ করলে দেখা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রে এক ঘণ্টায় ৬৭৫ জন মানুষ ভোট দিয়েছেন। অর্থাৎ, প্রতি মিনিটে ১১ জনের বেশি ভোটার ব্যালট বক্সে ভোট ফেলেছেন। বাস্তবতা
কী বলছে? নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও পোলিং এজেন্টদের মতে, প্রচলিত ব্যালট পেপার পদ্ধতিতে একটি ভোট সম্পন্ন করতে (শনাক্তকরণ, কালি দেওয়া, ব্যালট ইস্যু ও সিল মারা) গড়ে ৩ থেকে ৪ মিনিট সময় লাগে। সেখানে প্রতি মিনিটে ১১টি ভোট গ্রহণ করা মানে প্রতিটি ভোটের জন্য সময় পাওয়া গেছে মাত্র ৫ সেকেন্ড, যা মানুষের পক্ষে শারীরিকভাবে অসম্ভব। তাছাড়া, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত লাইভ ফুটেজে দেখা গেছে, দুপুরের ওই সময়ে অধিকাংশ কেন্দ্রের মাঠ ছিল ফাঁকা। ভোটারদের উপস্থিতি ছিল নগণ্য। ফাঁকা মাঠে কীভাবে প্রতি মিনিটে ১১ জন করে ভোটার ভোট দিলেন, সেই প্রশ্নই এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্লেষকরা একে ‘গাণিতিক অসঙ্গতি’ বা সাজানো ফলাফল বলে অভিহিত করছেন।



