ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক! ইউনুস–জামাত–বিএনপির নীলনকশার গণপ্রহসন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ: সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জামায়াতে ইসলামীর, ১৫০ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি
রাজনীতিতে আসা নিয়ে যা বললেন সজীব ওয়াজেদ জয়
ব্যালট বিপ্লবে ‘অনুপস্থিত’ শেখ হাসিনারই জয়: ৫২ শতাংশ মানুষের ভোট বর্জনে প্রমাণিত, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল
ব্যালট বিপ্লবে ‘অনুপস্থিত’ শেখ হাসিনারই জয়: ৫২ শতাংশ মানুষের ভোট বর্জনে প্রমাণিত, তাকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল
প্রশ্নের মুখে ২০২৬-এর নির্বাচন ৮ শতাংশের ভোটকে ৬০ শতাংশ দেখানোর ‘ভুতুড়ে’ কারসাজি
প্রতি মিনিটে ১২ ভোটারের উপস্থিতি দেখাল ইসি
শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু ও এদেশের প্রেমিক’: সাধারণ মানুষের কণ্ঠে উন্নয়নের জয়গান
“শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু, এ দেশের প্রেমিক। এ দেশকে ভালোবাসে সে, কাজ কইরা দেখাইছে সে।”—একজন সাধারণ মানুষের এই সহজ-সরল অথচ শক্তিশালী অভিব্যক্তিটিই আজ দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মনের কথা। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং জনবান্ধব নীতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে গভীর আস্থা ও ভালোবাসার সৃষ্টি হয়েছে, এই বক্তব্য তারই এক উজ্জ্বল প্রতিফলন।
কাজের মাধ্যমেই আস্থার প্রতিফলন
বক্তব্যটিতে উঠে এসেছে এক ধ্রুব সত্য—উন্নয়ন কেবল প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে। বক্তার মতে, অতীতে অনেকেই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বা টেন্ডার নিয়েছেন, কিন্তু শেখ হাসিনার মতো সাহসিকতার সাথে কাজ সম্পন্ন করে দেখাতে পারেননি। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ের রাস্তাঘাট—সবখানেই
এই ‘দৃশ্যমান কাজের’ ছাপ স্পষ্ট। গরীবের অকৃত্রিম বন্ধু বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গত এক দশকে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, তার সবচেয়ে বড় সুফলভোগী সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষ। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীনদের ঘর দেওয়া এবং প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার কারণে শেখ হাসিনা আজ ‘গরীবের বন্ধু’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সাধারণ মানুষ মনে করে, দেশের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ও ভালোবাসা না থাকলে এমন জনকল্যাণমূলক কাজ সম্ভব নয়। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক বক্তব্যটির শেষ অংশে উঠে এসেছে জননিরাপত্তার কথা। “কোনো ছিনতাই ছিল না, কোনো আকাল ছিল না”—এই কথাটি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ একটি স্থিতিশীল এবং শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বসবাসের গুরুত্ব কতটুকু অনুভব করে। খাদ্য নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের এই অকপট স্বীকারোক্তি বলে দিচ্ছে, উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা সাধারণ জনগণের মনে আশার প্রদীপ জ্বালিয়েছে। ক্ষমতার রাজনীতি ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে ‘দেশপ্রেমিক’ এবং ‘আপনজন’ হিসেবে স্থান করে নেওয়াটাই একজন জননেত্রীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা।
এই ‘দৃশ্যমান কাজের’ ছাপ স্পষ্ট। গরীবের অকৃত্রিম বন্ধু বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গত এক দশকে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, তার সবচেয়ে বড় সুফলভোগী সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষ। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীনদের ঘর দেওয়া এবং প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার কারণে শেখ হাসিনা আজ ‘গরীবের বন্ধু’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সাধারণ মানুষ মনে করে, দেশের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ও ভালোবাসা না থাকলে এমন জনকল্যাণমূলক কাজ সম্ভব নয়। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক বক্তব্যটির শেষ অংশে উঠে এসেছে জননিরাপত্তার কথা। “কোনো ছিনতাই ছিল না, কোনো আকাল ছিল না”—এই কথাটি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ একটি স্থিতিশীল এবং শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বসবাসের গুরুত্ব কতটুকু অনুভব করে। খাদ্য নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের এই অকপট স্বীকারোক্তি বলে দিচ্ছে, উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা সাধারণ জনগণের মনে আশার প্রদীপ জ্বালিয়েছে। ক্ষমতার রাজনীতি ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে ‘দেশপ্রেমিক’ এবং ‘আপনজন’ হিসেবে স্থান করে নেওয়াটাই একজন জননেত্রীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা।



