ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১৭ মাসে মাজারে ৯৭ হামলা, ৬১% ধর্মীয় মতবিরোধে
দেশদ্রোহী ইউনুসের শেষ সময়ের মহাডাকাতি
ইউনূসের আয়নায় নিজের মুখ: বাংলাদেশের আসল জালিয়াত কে?
ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংদের আজ্ঞাবহ আদালতের তথাকথিত রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায়ে আইনের অপমান: বঙ্গবন্ধু পরিবারকে টার্গেট করে দখলদার শাসনের নগ্ন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা
সংস্কার নয়, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার ফন্দি ইউনুস গংয়ের : রেহমান সোবহানের বক্তব্য স্বীকারোক্তি নাকি সমালোচনা?
গনপরিষদ নাকি মাইনাস – 2 ?
গণপরিষদ নির্বাচন নিয়ে দেশের রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে
আওয়ামী লীগবিরোধী বিএনপি–জামায়াত নেতৃত্বাধীন কয়েকটি রাজনৈতিক দলের অ অংশগ্রহণে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ গঠনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ডক্টর ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার এই নির্বাচন আয়োজন করছে।
গণপরিষদ নির্বাচন, নির্বাচনের পর গণপরিষদের কার্যপ্রণালী নিয়ে দলগুলো দীর্ঘ আলোচনার ভিত্তিতে ডক্টর আলী রিয়াজের কমিশনের মধ্যস্থতায় লিখিত চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা অন্তর্বর্তী সরকার গেজেট আকারে প্রকাশ করে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জোটের একটি বড় অংশ স্বাধীনতাবিরোধী তারা একাত্তরের স্বাধীনতাকে মানে না ২০২৪ কে তারা স্বাধীনতার নতুন বন্দোবস্ত হিসেবে মনে করে।
দলগুলোর দাবি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত আন্দোলনকে তারা “নতুন মুক্তিযুদ্ধ” হিসেবে উপস্থাপন করতে চাচ্ছে। তাদের বক্তব্য, আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ একটি নতুন
রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে তারা নতুন সংবিধান প্রণয়ন এবং দেশের নাম পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে, অসংবিধানিক সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা দেওয়া, ইউনুস সরকারের আমলে যে সমস্ত আইন এবং কলা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে সবগুলোর বৈধতা দেওয়া। গণপরিষদ নির্বাচনকে তারা এই পরিবর্তনের একটি উপায় হিসেবে দেখাচ্ছে। তবে এই উদ্যোগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা এবং বিতর্ক চলছে। সমালোচকরা মনে করছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনো নেতৃত্ব দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের আশঙ্কা, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক জবাবদিহি দুর্বল হতে পারে। অন্যদিকে, আয়োজকরা দাবি করছে, এই নির্বাচন কোনো আন্তর্জাতিক
বা বিদেশি স্বীকৃতির ওপর নির্ভরশীল নয়। তারা বলছে, এটি রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে পরিচালিত, ভবিষ্যতের দেশ গঠনের মূলমন্ত্র হবে এই গণপরিষদ নির্বাচন। এদিকে, আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা ভোট বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে। তাদের যুক্তি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের একমাত্র বৈধ স্বাধীনতা সংগ্রাম। আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দলগুলো মনে করে ২০২৪ সালের ঘটনা উগ্রবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মাধ্যমে ড. ইউনূসের ক্ষমতা দখল করেছে । তাই তারা এই নির্বাচনকে অবিশ্বাসযোগ্য মনে করছে। যারা ২০২৪ সালকে নতুন স্বাধীনতার সূচনা হিসেবে দেখছে, তারা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধী ছিলো এখনো তারা পাকিস্তানী হিসেবে নিজেদেরকে মনে করে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের রাজনৈতিক বিভাজন বাড়াতে পারে। এতে সমাজে
মতভেদ তীব্র হবে এবং জাতীয় ঐকমত্য গঠনের প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে তারা নতুন সংবিধান প্রণয়ন এবং দেশের নাম পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে, অসংবিধানিক সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা দেওয়া, ইউনুস সরকারের আমলে যে সমস্ত আইন এবং কলা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে সবগুলোর বৈধতা দেওয়া। গণপরিষদ নির্বাচনকে তারা এই পরিবর্তনের একটি উপায় হিসেবে দেখাচ্ছে। তবে এই উদ্যোগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা এবং বিতর্ক চলছে। সমালোচকরা মনে করছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনো নেতৃত্ব দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের আশঙ্কা, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক জবাবদিহি দুর্বল হতে পারে। অন্যদিকে, আয়োজকরা দাবি করছে, এই নির্বাচন কোনো আন্তর্জাতিক
বা বিদেশি স্বীকৃতির ওপর নির্ভরশীল নয়। তারা বলছে, এটি রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে পরিচালিত, ভবিষ্যতের দেশ গঠনের মূলমন্ত্র হবে এই গণপরিষদ নির্বাচন। এদিকে, আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা ভোট বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে। তাদের যুক্তি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের একমাত্র বৈধ স্বাধীনতা সংগ্রাম। আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দলগুলো মনে করে ২০২৪ সালের ঘটনা উগ্রবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মাধ্যমে ড. ইউনূসের ক্ষমতা দখল করেছে । তাই তারা এই নির্বাচনকে অবিশ্বাসযোগ্য মনে করছে। যারা ২০২৪ সালকে নতুন স্বাধীনতার সূচনা হিসেবে দেখছে, তারা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধী ছিলো এখনো তারা পাকিস্তানী হিসেবে নিজেদেরকে মনে করে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের রাজনৈতিক বিভাজন বাড়াতে পারে। এতে সমাজে
মতভেদ তীব্র হবে এবং জাতীয় ঐকমত্য গঠনের প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।



