ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
স্কুলে শিশুকে নির্যাতনের মামলায় ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার
রাজধানীর পল্টনের শারমিন একাডেমিতে শিশু নির্যাতনের মামলায় স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোরে মিরপুর এলাকার একটি বাসা থেকে পল্টন থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (মতিঝিল জোন) হুসাইন মুহাম্মদ ফারাবী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পবিত্র কুমার শারমিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহানের স্বামী। স্কুলে শিশুটিকে নির্যাতনের ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে বৃহস্পতিবার এ নিয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা হয়। পল্টন থানার ওসি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খান বলেন, শিশুটির মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার শিশু অধিকার আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলায় পবিত্র বড়ুয়া ও শারমিন জামানকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে আসামিরা
পলাতক ছিলেন। স্কুলটিও বন্ধ রয়েছে। শিশুটিকে নির্যাতনের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে- স্কুলের পোশাক পরা শিশুকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষে নিয়ে যান এক নারী। তিনি শিশুটিকে চড় মারেন। এরপর অফিস কক্ষে থাকা এক পুরুষ কখনও শিশুটির গলা চেপে ধরেন, কখনও মুখ চেপে ধরেন। ভয়ে শিশুটি কাঁদছিল। ওই নারী হাত ধরে তাকে আটকে রাখছিলেন। একপর্যায়ে পুরুষটি একটি স্ট্যাপলার হাতে শিশুটির কাছে এগিয়ে গিয়ে তার মুখ স্ট্যাপল করার ভঙি করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে এমন দৃশ্য দেখার পর এ নিয়ে নানা সমালোচলা চলছে। পরে জানা যায়, এটির ঘটনাস্থল রাজধানীর পল্টনের শারমিন একাডেমি নামের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। জানা যায়, নির্যাতনের ঘটনাটি গত ১৮ জানুয়ারি
দুপুর ১টার দিকের। ৪ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে অনেকেই এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জড়িতদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। সেইসঙ্গে অভিভাবকদেরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অনেকে।
পলাতক ছিলেন। স্কুলটিও বন্ধ রয়েছে। শিশুটিকে নির্যাতনের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে- স্কুলের পোশাক পরা শিশুকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষে নিয়ে যান এক নারী। তিনি শিশুটিকে চড় মারেন। এরপর অফিস কক্ষে থাকা এক পুরুষ কখনও শিশুটির গলা চেপে ধরেন, কখনও মুখ চেপে ধরেন। ভয়ে শিশুটি কাঁদছিল। ওই নারী হাত ধরে তাকে আটকে রাখছিলেন। একপর্যায়ে পুরুষটি একটি স্ট্যাপলার হাতে শিশুটির কাছে এগিয়ে গিয়ে তার মুখ স্ট্যাপল করার ভঙি করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে এমন দৃশ্য দেখার পর এ নিয়ে নানা সমালোচলা চলছে। পরে জানা যায়, এটির ঘটনাস্থল রাজধানীর পল্টনের শারমিন একাডেমি নামের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। জানা যায়, নির্যাতনের ঘটনাটি গত ১৮ জানুয়ারি
দুপুর ১টার দিকের। ৪ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে অনেকেই এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জড়িতদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। সেইসঙ্গে অভিভাবকদেরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অনেকে।



