ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা
ভোটের আগেই সিট ভাগ হয়ে গেছে। আর এখন দেশের টাকায় চলছে লোক দেখানো নাটক।
বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা
মবসন্ত্রাস মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপনকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও কারা হেফাজতে সিরিয়াল কিলিংয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
ওয়াশিংটনের ‘ম্যানেজেবল ইসলাম’ প্রকল্প: বাংলাদেশের ভোট কি এখন ভূ-রাজনীতির পরীক্ষাগার?
‘ইউনূস এক খুনি ফ্যাসিস্ট’: নির্বাসনে প্রথম জনসমাবেশে শেখ হাসিনার তীব্র ভাষণ নয়াদিল্লি ভারত ।
বাংলাদেশ এখন ইতিহাসের ভয়াবহতম সংকটে, ইউনূস সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি’ নয়াদিল্লিতে ড. মোমেন
উন্নয়ন দেখলেই গাত্রদাহ আধুনিক নগর পরিকল্পনায় ‘অজ্ঞ’ তারেক: ফ্লাইওভার নিয়ে হাস্যকর দাবি
দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা ফ্লাইওভার প্রকল্পগুলো নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র হাস্যরস ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এক ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, ঢাকা শহরের ফ্লাইওভারগুলো থেকে মাত্র ১৭ থেকে ২০ শতাংশ মানুষ সুবিধা পায়, আর বাকিরা এর সুফল থেকে বঞ্চিত। তার এই বক্তব্যকে ‘বাস্তবতা বিবর্জিত’, ‘উন্নয়নবিরোধী’ এবং ‘গণমানুষের সুবিধা সম্পর্কে অজ্ঞতা’ হিসেবে দেখছেন নগরবাসী ও বিশ্লেষকরা।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে তারেক রহমানকে বলতে শোনা যায়, "এই তিন কোটি মানুষের মধ্যে খুব সম্ভব ১৭ থেকে ২০ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র ফ্লাইওভার ইউজ করবে ঢাকা শহরে। আর বাকি সব মানুষ কিন্তু ফ্লাইওভারের
বাইরে থাকছে। সো, কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে আপনি চিন্তা করেন। পাবলিক রিসোর্স কি পরিমাণ স্পেন্ড করা হয়েছে... ম্যাক্সিমাম ২০ শতাংশ মানুষ সেই ফ্লাইওভারের সুবিধা পাচ্ছে।" তার এই বক্তব্যের মূল সুর—ফ্লাইওভার নির্মাণে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও তা সাধারণ মানুষের কাজে আসছে না, যা প্রকারান্তরে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়। বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের কঠোর সমালোচনা: তারেক রহমানের এই ‘শতাংশ তত্ত্ব’কে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদ ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা। তাদের পাল্টা যুক্তিগুলো হলো: ১. গণপরিবহন ও সাধারণ মানুষ: তারেক রহমানের হিসাব মতে ফ্লাইওভার কেবল ধনীদের জন্য। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ঢাকার মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার, মগবাজার ফ্লাইওভার কিংবা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীবাহী
বাস চলাচল করে। এই বাসগুলোতে চড়ে অফিসগামী ও শ্রমজীবী লাখো মানুষ যাতায়াত করেন। তারা কি তারেক রহমানের ওই ২০ শতাংশের হিসাবের বাইরে? ২. যানজট নিরসন: যখন একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যানবাহন ফ্লাইওভার দিয়ে চলাচল করে, তখন নিচের সড়কগুলোতে গাড়ির চাপ কমে। ফলে নিচের রাস্তায় চলাচলকারী রিকশা, সিএনজি ও পথচারীরাও যানজটমুক্ত যাতায়াতের সুবিধা পান। এই সহজ সমীকরণটি না বোঝা একজন রাজনৈতিক নেতার জন্য চরম ব্যর্থতা। ৩. লন্ডন বনাম ঢাকা বাস্তবতা: সমালোচকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থান করায় দেশের মাটি ও মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তি এবং উন্নয়নের সুফল সম্পর্কে তারেক রহমানের কোনো স্বচ্ছ ধারণা নেই। তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে উন্নয়নের বিরোধিতা করতে গিয়ে নিজের অজ্ঞতাই প্রকাশ করছেন। জনসাধারণের তীব্র
প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ: তারেক রহমানের এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কমেন্ট বক্সে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার আলোকে এই বক্তব্যের কড়া জবাব দিচ্ছেন। যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা ও বেসরকারি চাকরিজীবী রায়হান কবির বলেন: "আগে গুলিস্তান পার হতে লাগত ২ ঘণ্টা, এখন ফ্লাইওভার দিয়ে ১৫ মিনিটে যাই। বাসে চড়েই যাই, ব্যক্তিগত গাড়ি নেই। তারেক সাহেব কি জানেন না বাসে সাধারণ মানুষ চড়ে? নাকি বাস উনার চোখে পড়ে না?" বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান মন্তব্য করেন: "উন্নয়ন দেখলেই যাদের গা জ্বলে, তাদের মুখেই এমন কথা মানায়। ২০ শতাংশের দোহাই দিয়ে তিনি আসলে জ্যামে আটকে থাকা ঢাকা শহরকেই ফিরিয়ে আনতে চান। আধুনিক নগর
পরিকল্পনায় উনার জ্ঞান প্রাইমারি লেভেলের চেয়েও কম।" পাঠাও রাইডার মো. সোলায়মান বলেন: "ভাই, ফ্লাইওভার না থাকলে ঢাকার রাস্তায় চাকা ঘুরত না। পাবলিকের টাকা পাবলিকের কাজেই লাগছে। ওনারা তো ক্ষমতায় থাকতে খাম্বা বসিয়েছেন, বিদ্যুৎ দেননি। এখন ফ্লাইওভার দেখে সহ্য হচ্ছে না।" সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাক্টিভিস্টরা লিখছেন: "পাবলিক রিসোর্স বা জনগণের টাকার কথা বলে তিনি জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল নিয়েছেন। কিন্তু দেশের মানুষ এখন সচেতন। ফ্লাইওভারের বিরোধিতা করা মানে জনগণের সময়ের মূল্যকে অস্বীকার করা।" রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আওয়ামীলীগ সরকারের মেগাপ্রজেক্টগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কৌশল হিসেবে বিএনপি নেতৃত্ব প্রায়ই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে আসছে। তবে ফ্লাইওভারের মতো দৃশ্যমান ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে তারেক রহমানের এমন ‘অসার
যুক্তি’ তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। উন্নয়নবিমুখ রাজনীতি দিয়ে যে জনগণের মন জয় করা যায় না, এই প্রতিক্রিয়াই তার প্রমাণ।
বাইরে থাকছে। সো, কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে আপনি চিন্তা করেন। পাবলিক রিসোর্স কি পরিমাণ স্পেন্ড করা হয়েছে... ম্যাক্সিমাম ২০ শতাংশ মানুষ সেই ফ্লাইওভারের সুবিধা পাচ্ছে।" তার এই বক্তব্যের মূল সুর—ফ্লাইওভার নির্মাণে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও তা সাধারণ মানুষের কাজে আসছে না, যা প্রকারান্তরে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়। বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের কঠোর সমালোচনা: তারেক রহমানের এই ‘শতাংশ তত্ত্ব’কে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদ ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা। তাদের পাল্টা যুক্তিগুলো হলো: ১. গণপরিবহন ও সাধারণ মানুষ: তারেক রহমানের হিসাব মতে ফ্লাইওভার কেবল ধনীদের জন্য। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ঢাকার মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার, মগবাজার ফ্লাইওভার কিংবা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীবাহী
বাস চলাচল করে। এই বাসগুলোতে চড়ে অফিসগামী ও শ্রমজীবী লাখো মানুষ যাতায়াত করেন। তারা কি তারেক রহমানের ওই ২০ শতাংশের হিসাবের বাইরে? ২. যানজট নিরসন: যখন একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যানবাহন ফ্লাইওভার দিয়ে চলাচল করে, তখন নিচের সড়কগুলোতে গাড়ির চাপ কমে। ফলে নিচের রাস্তায় চলাচলকারী রিকশা, সিএনজি ও পথচারীরাও যানজটমুক্ত যাতায়াতের সুবিধা পান। এই সহজ সমীকরণটি না বোঝা একজন রাজনৈতিক নেতার জন্য চরম ব্যর্থতা। ৩. লন্ডন বনাম ঢাকা বাস্তবতা: সমালোচকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থান করায় দেশের মাটি ও মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তি এবং উন্নয়নের সুফল সম্পর্কে তারেক রহমানের কোনো স্বচ্ছ ধারণা নেই। তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে উন্নয়নের বিরোধিতা করতে গিয়ে নিজের অজ্ঞতাই প্রকাশ করছেন। জনসাধারণের তীব্র
প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ: তারেক রহমানের এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কমেন্ট বক্সে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার আলোকে এই বক্তব্যের কড়া জবাব দিচ্ছেন। যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা ও বেসরকারি চাকরিজীবী রায়হান কবির বলেন: "আগে গুলিস্তান পার হতে লাগত ২ ঘণ্টা, এখন ফ্লাইওভার দিয়ে ১৫ মিনিটে যাই। বাসে চড়েই যাই, ব্যক্তিগত গাড়ি নেই। তারেক সাহেব কি জানেন না বাসে সাধারণ মানুষ চড়ে? নাকি বাস উনার চোখে পড়ে না?" বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান মন্তব্য করেন: "উন্নয়ন দেখলেই যাদের গা জ্বলে, তাদের মুখেই এমন কথা মানায়। ২০ শতাংশের দোহাই দিয়ে তিনি আসলে জ্যামে আটকে থাকা ঢাকা শহরকেই ফিরিয়ে আনতে চান। আধুনিক নগর
পরিকল্পনায় উনার জ্ঞান প্রাইমারি লেভেলের চেয়েও কম।" পাঠাও রাইডার মো. সোলায়মান বলেন: "ভাই, ফ্লাইওভার না থাকলে ঢাকার রাস্তায় চাকা ঘুরত না। পাবলিকের টাকা পাবলিকের কাজেই লাগছে। ওনারা তো ক্ষমতায় থাকতে খাম্বা বসিয়েছেন, বিদ্যুৎ দেননি। এখন ফ্লাইওভার দেখে সহ্য হচ্ছে না।" সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাক্টিভিস্টরা লিখছেন: "পাবলিক রিসোর্স বা জনগণের টাকার কথা বলে তিনি জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল নিয়েছেন। কিন্তু দেশের মানুষ এখন সচেতন। ফ্লাইওভারের বিরোধিতা করা মানে জনগণের সময়ের মূল্যকে অস্বীকার করা।" রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আওয়ামীলীগ সরকারের মেগাপ্রজেক্টগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কৌশল হিসেবে বিএনপি নেতৃত্ব প্রায়ই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে আসছে। তবে ফ্লাইওভারের মতো দৃশ্যমান ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে তারেক রহমানের এমন ‘অসার
যুক্তি’ তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। উন্নয়নবিমুখ রাজনীতি দিয়ে যে জনগণের মন জয় করা যায় না, এই প্রতিক্রিয়াই তার প্রমাণ।



