সেনাবাহিনীর পোশাক পরে রাস্তায় জঙ্গিরা আতঙ্কে জনমনে উদ্বেগ, প্রশ্নের মুখে রাষ্ট্র ও নিরাপত্তা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

সেনাবাহিনীর পোশাক পরে রাস্তায় জঙ্গিরা আতঙ্কে জনমনে উদ্বেগ, প্রশ্নের মুখে রাষ্ট্র ও নিরাপত্তা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ |
বাংলাদেশের সেনাবাহিনী আন্তর্জাতিকভাবে একটি সম্মানিত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি সেনাদের সাহসিকতা ও শৃঙ্খলা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। ঠিক এই কারণেই সেনাবাহিনীর নাম, ইউনিফর্ম ও মর্যাদা ঘিরে যেকোনো অভিযোগ রাষ্ট্রের জন্য গভীর উদ্বেগ ও অশনিসংকেত। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে গুরুতর অভিযোগ ও আশঙ্কা প্রকাশ পাচ্ছে বাংলাদেশের রাস্তায় রাস্তায় যাদের সেনা পোশাকে দেখা যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, শিবির-ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র ক্যাডার এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিসেবে পরিচিত হিজবুত তাহরির ও জেএমবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সেনা পোশাক ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা সহজেই “জঙ্গি” পরিচয় আড়াল করতে পারে। এসব অভিযোগ সত্য হলে তা নিছক আইনশৃঙ্খলার ব্যর্থতা নয়, বরং সরাসরি

জাতীয় নিরাপত্তা ও সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তির ওপর মারাত্মক আঘাত। সমালোচকদের বক্তব্য আরও গুরুতর। তাদের অভিযোগ, বর্তমান ইউনুস সরকারের ছত্রছায়ায় এবং সেনাবাহিনীর ভেতরের কিছু আদর্শিকভাবে বিতর্কিত ও পাকিস্তানপন্থী কর্মকর্তার নীরব প্রশ্রয়ে উগ্রবাদী শক্তিকে আড়াল ও সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে। যাদের দায়িত্ব জঙ্গিবাদ দমন ও নির্মূল করা, অভিযোগ অনুযায়ী তারাই যদি জঙ্গিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় তাহলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। এখানে স্পষ্টভাবে বলা জরুরি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোনো রাজনৈতিক দল, কোনো মতাদর্শ কিংবা কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীর বাহিনী নয়। এটি জনগণের সেনাবাহিনী, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ। কিন্তু সেই সেনাবাহিনীর পোশাক যদি রাজনৈতিক স্বার্থ বা উগ্রবাদী তৎপরতার আড়াল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে সেটি সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার একটি গভীর

ষড়যন্ত্র বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জনগণের প্রশ্ন তাই অত্যন্ত সরল কিন্তু গভীর যদি এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন হয়, তবে রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ও দৃশ্যমান ব্যাখ্যা কেন আসছে না? আর যদি অভিযোগের সামান্য অংশও সত্য হয়, তবে তা জাতির জন্য ভয়াবহ বিপদের ইঙ্গিত। সেনা পোশাক কোনো ছদ্মবেশ নয়; এটি জাতির আস্থা, সম্মান ও নিরাপত্তার প্রতীক। এই প্রতীককে ব্যবহার করে যদি জঙ্গিবাদ বা রাজনৈতিক সন্ত্রাস লালন করা হয়, তবে তার দায় শুধু কয়েকজন ব্যক্তির নয় তার দায় পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকেই নিতে হবে। নীরবতা এখানে কোনো সমাধান নয়। সত্য উদঘাটন, দায় নির্ধারণ এবং সেনাবাহিনীর পবিত্রতা ও মর্যাদা রক্ষা করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড়

দাবি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রাস্তায় প্রকাশ্যে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা জার্মানিতে ১৫ রোগীকে হত্যার দায়ে চিকিৎসকের যাবজ্জীবন রামমন্দির হলেও তহবিল সংকটে বাবরি মসজিদের বিকল্প প্রকল্প ছোট করার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে চার দিনে ৩৮ নিরাপত্তাকর্মী ও ৫৪ সন্ত্রাসী নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জে তহশিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত শুরু হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৭৪৫ সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব রেলস্টেশনে হামলা-লুটের শিকার বাক্‌প্রতিবন্ধী বুবি বেগম আর নেই Y ক্রোমোজোম হ্রাসে পুরুষ জাতি বিলুপ্তির শঙ্কা কতটা যৌক্তিক, বিজ্ঞান কী বলছে ষড়যন্ত্র করে ভোটে হারানো হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারও জড়িত: জামায়াত আমির লৈঙ্গিক সমতা অর্জনের এক অনন্য বৈশ্বিক সুযোগ এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা বিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী বললেন, আর বিয়ে করতে চাই না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে হাজার কোটি টাকা ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গে শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা: পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত মূল অভিযুক্ত অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা পাকিস্তানে ৫ আরোহীসহ নিখোঁজ কার্গো বিমান ‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’