অবৈধ ইউনুস সরকারের সাজানো নির্বাচন ,ভোট বর্জনের আহ্বান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

অবৈধ ইউনুস সরকারের সাজানো নির্বাচন ,ভোট বর্জনের আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ |
অবৈধ ইউনুস সরকারের ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে সাজানো এই তথাকথিত নির্বাচন আজ দেশের মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। এটি কোনো প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, কোনো কারিগরি ত্রুটিও নয় এটি জনগণের ভোটাধিকার হরণ করার একটি ঠান্ডা মাথার, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক নকশা। এই নির্বাচন জনগণের জন্য নয় এটি জনগণের বিরুদ্ধেই দাঁড় করানো এক নির্মম প্রহসন। একতরফা নির্বাচন নিশ্চিত করতেই প্রায় ৮০ শতাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন পরিকল্পিতভাবে বাতিল করা হয়েছে। যারা ভোটের মাঠে প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারত, জনগণকে বিকল্প দিতে পারত তাদেরই টার্গেট করে ছাঁটাই করা হয়েছে। অথচ একই অভিযোগ ও একই আইনি সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বিএনপি–জামায়াতঘনিষ্ঠ প্রার্থীদের মনোনয়ন নির্বিঘ্নে বহাল রাখা

হয়েছে। এই দ্বৈত নীতি স্পষ্ট করে দেয় এখানে আইনের শাসন নেই, আছে দলীয় পক্ষপাত ও নগ্ন রাজনৈতিক কারচুপি। দেশের অধিকাংশ এলাকায় বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পরিকল্পিতভাবে বাদ দিয়ে ভোটারদের সামনে কৃত্রিম শূন্যতা তৈরি করা হয়েছে। জনগণকে সচেতন নাগরিক নয়, নীরব দর্শকে পরিণত করাই ছিল এই নকশার মূল লক্ষ্য। আরও ভয়াবহ হলো—বিদেশি নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপি হেভিওয়েট প্রার্থীরাও বিএনপির পরিচয়ে অবাধ ছাড় পেয়েছেন। যাদের ক্ষেত্রে আইন সবচেয়ে কঠোর হওয়ার কথা, তাদের জন্যই আইন হয়েছে অন্ধ ও বধির। ফলে নির্বাচন কমিশন আজ আর সাংবিধানিক কোনো প্রতিষ্ঠান নয় এটি ক্ষমতার আজ্ঞাবহ যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে কাগজে-কলমে বাইরে রেখেও দেশকে ঠেলে দেওয়া

হচ্ছে এক চরম একপাক্ষিক নির্বাচনের দিকে। এই প্রহসনের মাধ্যমে যে সরকারই গঠিত হোক না কেন, তার কোনো নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ঐতিহাসিক বৈধতা থাকবে না। এ সরকার জনগণের সম্মতিতে নয় জালিয়াতি ও দমন–পীড়নের ওপর দাঁড়াবে। আর ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, জনসমর্থনহীন ক্ষমতা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। এই কারণেই আজ জনমনে ক্ষোভ জমেছে এই ক্ষোভ বিস্ফোরণের অপেক্ষায়। এটি কোনো দলের উসকানি নয়; এটি ভোটবঞ্চিত মানুষের স্বাভাবিক ও ন্যায্য প্রতিক্রিয়া। শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র, তরুণ, পেশাজীবী—সবাই বুঝে গেছে, এটি আর কোনো দলের নির্বাচন নয়; এটি জনগণের অস্তিত্ব, অধিকার ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন। “একতরফা নির্বাচন মানি না”—এই স্লোগান আজ রাজপথে, অলিগলিতে এবং মানুষের হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। এই নির্বাচন

প্রতিহত করাই এখন সময়ের দাবি। গণতন্ত্র ভিক্ষায় মেলে না, ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে তৈরি হয় না—গণতন্ত্র আদায় করে নিতে হয়। জনগণের ঐক্যই আজ সবচেয়ে বড় শক্তি। যদি এই অবৈধ নির্বাচনী নাটক বন্ধ না হয়, তবে জনগণ শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় প্রতিরোধের মাধ্যমেই তার জবাব দেবে। ইতিহাসের চাকা থামিয়ে রাখা যায় না, আর জনগণের জাগরণ কোনো সাজানো নকশাতেই দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ইরানে ১৩৯ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফ করলেন মোজতবা খামেনি শিরোপাহীন দুই যুগ, কোন পথে ব্রাজিল? বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন ডিজে সঞ্জয় যেভাবে বিশ্ব ফ্যাশনের গতিপথ বদলে দিচ্ছে ফুটবল ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় সেই শিবির নেতা জিসান গ্রেফতার এডিসিকে ২৪ দিনে ৩ বার বদলি, নেপথ্যে কে? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ২ ‘অপহৃত’ সেই শিবির নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা ফেসবুক-মেসেঞ্জারে হঠাৎ বিভ্রাট, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, ঢাকায় ৩ রাউজানে মাথায় গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা চার দফা কমার পর বাড়ল স্বর্ণের দাম এলএনজি টার্মিনাল রক্ষণাবেক্ষণে গ্যাসের স্বল্পচাপ, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও বাংলাদেশের পতাকা হাতে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে সঞ্জয় রাজধানীতে ৩ ঘণ্টার ঝুমবৃষ্টি তাপমাত্রা কমল ১০ ডিগ্রি নিউইয়র্ক উৎসবে তানভীর মোকাম্মেলের ‘মতুয়ামঙ্গল’ ‘ছিন্ন বিশ্বে’ একতার গান