সূচনা হলো আমার নতুন অধ্যায়: রুমিন ফারহানা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ জানুয়ারি, ২০২৬
     ১:২৪ অপরাহ্ণ

সূচনা হলো আমার নতুন অধ্যায়: রুমিন ফারহানা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১:২৪ 33 ভিউ
বহিষ্কারের ঘটনা স্বাভাবিক হলেও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনই দল থেকে বহিষ্কারের আদেশ আসা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন রুমিন ফারহানা। তবে এটাও বলেছেন, এটা আমার জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা ও নতুন যাত্রা। যেহেতু স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন, তাই বহিষ্কারের ঘটনা ঘটবে জানতেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মঙ্গলবার ভোরে খালেদা জিয়া মারা যান। পরে সকাল ১১টায় বিএনপির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক বৈঠকে রুমিন ফারহানাসহ নয়জনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় রুমিন ফারহানাসহ নয়জনকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা

হয়েছে। বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, 'বহিষ্কার আদেশ এসেছে এটা স্বাভাবিক। এটাতো হবেই। তবে উনি যেদিন চলে গেলেন সেদিনই বহিষ্কার আদেশ আসাটা, এটাকে আমি বলবো যে, এটা আল্লাহর একটা ইশারাও বটে। যিনি আমাকে এনেছিলেন, যার ছায়ায় আমি ছিলাম, তিনি যেদিন চলে গেলেন, বিএনপির সাথে আমার যাত্রাও সেদিনই শেষ হলো।' বাবা অলি আহাদ মারা যাওয়ার পর ২০১২ সালে রাজনীতিতে হাতেখড়ি পেশায় আইনজীবী রুমিন ফারহানার। বাবা রাজনীতিবিদ হলেও বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না। ওই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহালের দাবিতে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন করছিল। সে সময় বিএনপির আন্তর্জাতিক কমিটির সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে পথচলা শুরু করেছেন রুমিন ফারহানা। পরবর্তী সময়ে তাকে বিএনপির পক্ষে

গণমাধ্যমে বেশ সরব হয়ে উঠতে দেখা গেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর বিএনপির মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য রুমিন ফারহানার সংসদে একটি বক্তব্য নিয়ে মূলত ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তিনি তার বক্তব্যের শুরুতেই বলেন যে, এই সংসদ জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, তখন সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা ব্যাপক শোরগোল শুরু করেন। ওই সময় নানা ইস্যুতে সংসদ অধিবেশনে মন্তব্যের কারণে রুমিন ফারহানা আলোচনায় ছিলেন। একপর্যায়ে সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউটও করেন তিনিসহ বিএনপির এমপিরা। রুমিন ফারহানা জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার 'আহ্বানে, অভিভাবকত্বে এবং ছায়ায়' গত ১৭ বছর বিএনপির সাথে ছিলেন। অনেক সময়ই বয়স এবং অভিজ্ঞতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলেও খালেদা জিয়া তাকে দলে অনেক বড় বড় কাজ

দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনেই বিএনপির বৈঠক করে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, 'সাধারণত বাঙালি সংস্কৃতি বলেন বা পশ্চিমা সংস্কৃতিই বলেন, মৃত্যুর একটা ভাবগাম্ভীর্য আছে। এরকম দিন আমরা সাধারণত কোনো রকম সিদ্ধান্তে যাই না'। তিনি বলেন, 'খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিন, যেখানে রাষ্ট্রীয় শোক... সেদিন দলের স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং হওয়া, বহিষ্কার আদেশ আসা... আমি জানি না, বাংলাদেশের মানুষ এটাকে কীভাবে নেবে।' এই বহিষ্কার আদেশই বিএনপির সাথে রুমিন ফারহানার 'যাত্রা শেষের ক্লিয়ার ইনডিকেশন' বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির যে রাজনীতি তাতে তার অবস্থান কোথায়? এমন প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর দেননি তিনি। দলীয় সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই গত

১০ বছর ধরে ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনে নির্বাচনের জন্য রাজনীতি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। এর আগে, ওই আসনে ২০১৮ সালে বিএনপি নেতা উকিল আব্দুস সাত্তার নির্বাচন করেছিলেন। পরে ২০২৩ সালে সাত্তার দল পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। সে সময় ওই আসনে নির্বাচন করতে দলের হাইকমান্ড নির্দেশ দিয়েছিল বলে দাবি করেন রুমিন ফারহানা। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ওই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের এক নেতাকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। পরে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, 'আমি গত ১০ বছর ধরেই কাজ করছিলাম। এখন হঠাৎ করে জুনায়েদ আল

হাবিব জোটের প্রার্থী আসাটা আমার জন্য একটু বিস্ময়কর ছিলে।' বিএনপি মঙ্গলবার যে নয়জনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানায় তাদের প্রত্যেকেই আগামী সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তবে, বিএনপিতে দলীয় রাজনীতির সমাপ্তি হলেও রুমিন ফারহানা এটিকে তার জীবনে 'নতুন অধ্যায়ের সূচনা ও নতুন যাত্রা' বলে মনে করেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কতটুকু সাড়া পাবেন এমন প্রশ্নে জানান, এলাকার মানুষের চাওয়ার প্রেক্ষিতেই একা লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শেষে তিনি বলেন, 'রাজনীতিতে এমপি বা মন্ত্রী হওয়া এগুলো একেকটা ঘটনা। কিন্তু রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা অনেক বড় একটা ব্যাপার। আমি একজন রাজনীতিবিদ হতে চাইছি।' বিবিসি বাংলা অবলম্বনে

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ধানমন্ডি ৩২ শে যাওয়া কি অপরাধ? “আমার মা কখনও কাউকে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের নির্দেশ দেননি, শুধুমাত্র যারা পুলিশ বা অন্যদের ওপর হামলা করছিল, তাদের ক্ষেত্রে ছাড়া।” – সজীব ওয়াজেদ নিরঙ্কুশ জয়, এখনো সরকার গঠন হয়নি: এর আগেই ধানমন্ডিতে ঢাবি শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান লাঞ্ছিত, প্রশ্নবিদ্ধ ‘ভবিষৎ গণতন্ত্র’ ছয়বার জামিন পেয়েও মেলেনি মুক্তি, কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃত্যু গণতন্ত্রের নতুন সমীকরণ: আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা, আন্তর্জাতিক চাপ ও বিএনপির ‘কৌশলী’ দাবার চাল শেখ কবির হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গভীর শোক বাংলাদেশের নির্বাচন এবং আস্থার সংকট দেশব্যাপী নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার রক্তক্ষয়ী রুপ গণভোট ২০২৬: সংখ্যার রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক কারচুপির নেপথ্যে গণভোট ২০২৬: নম্বরের উপর প্রশ্ন হাইকোর্ট থেকে ৬ বার জামিন হলেও বারবার গ্রেফতার হয়েছেন জেল গেটে – আজ মৃত্যু। এটা হত্যাকান্ড! ৬ মাস ধরে কারাগারে ছাত্রলীগ কর্মী ফাইজা: দলের ‘নিষ্ক্রিয়তায়’ হতাশ পরিবার ইউনূস ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিচার করতে হবে’: মহসীন রশীদ নওগাঁয় আজব কাণ্ড: মোট ভোটারের চেয়ে ৮৩৬ ভোট বেশি! চাইলে অনেক আগেই প্রধানমন্ত্রী হতে পারতাম, ক্ষমতার লোভ নেই: সজীব ওয়াজেদ জয় প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চাচতো ভাই শেখ কবির হোসেন এর মৃত্যুতে জননেত্রী শেখ হাসিনার শোক বার্তা angladesh’s Vote: A Mandate Under Scrutiny শুধু ভোটের হারে ‘অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচন বোঝায় না: ইইউ পর্যবেক্ষক দল ২০০১ থেকে ২০০৬ এই সময়কাল মানেই দেশের মানুষের স্মৃতিতে আতঙ্ক