ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যৌন নিপীড়ক এপস্টেইনের নতুন নথি প্রকাশ, আবার এল ট্রাম্প, গেটস, মাস্কদের নাম
ভ্রমণে কঠোর নীতিমালা, পর্যটন শিল্পে ধসের শঙ্কায় আমেরিকা
আইস সংস্কার ইস্যুতে সরকার শাটডাউনের হুমকি ডেমোক্র্যাটদের
ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রভাবে নভেম্বরে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৫৬.৮ বিলিয়ন ডলার
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক সোনার দিকে, দাম ছাড়াল ৫,৫০০ ডলার
ভিসানীতিতে পরিবর্তন, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের জন্য বড় ধাক্কা
ক্রেতা দেখলেই মরার ভান ভেড়ার, দামে রেকর্ড
নিউ ইয়র্কে উৎসবের ঝলমল প্রস্তুতি, রকেফেলারে ক্রিসমাস ট্রি
নিউ ইয়র্ক সিটির উৎসবের হৃদয় বলা হয়ে থাকে রকেফেলার সেন্টারের ক্রিসমাস ট্রি।
ক্রিসমাস ডে-কে সামনে রেখে হাজারো মানুষের উল্লাসে আবারও জ্বলে উঠেছে ৭৫ ফুট উঁচু নরওয়ে স্প্রুস।
এ বছর ৪৫ ফুট ব্যাস আর প্রায় ১১ টন ওজনের এ বিশাল গাছটি সাজানো হয়েছে ৫০ হাজার মাল্টিকালারড এলইডি লাইটে।আর চূড়ায় জ্বলছে ৯০০ পাউন্ড ওজনের সোয়ারোভস্কি স্টার।
বর্ণাঢ্য এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় করেন হাজারো মানুষ। তাদের উল্লাস ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে ম্যানহাটনের এ এলাকা।
প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আলোকিত থাকবে গাছটি। ক্রিসমাসের আগের রাত জ্বলবে পুরো ২৪ ঘণ্টা। আর নিউ ইয়ারস ইভ-এ দেখা যাবে রাত ৯টা পর্যন্ত।
তবে উৎসবের এ প্রস্তুতি শুধু রকেফেলার সেন্টার
ঘিরে নয়, পুরো শহর জুড়েই। মেসির এ বছরের থিম—’পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর গল্পের যাত্রা এখান থেকে শুরু।’ ১৮৭৪ সাল থেকে শুরু করে ১৯২৪ সালের ঐতিহাসিক থ্যাংকসগিভিং ডে প্যারেড সবই ফিরে এসেছে তাদের ঝলমলে ডিসপ্লেতে। এমনকি রয়েছে ক্যারাওকে কর্নার, যেখানে দর্শনার্থীরা নিজেরাই গাইতে পারেন উৎসবের গান। ব্লুমিংডেলসের সাজ আরও একধাপ এগিয়ে। ব্রিটিশ লাক্সারি ব্র্যান্ড বার্বেরির সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করেছে ’হ্যাপি টুগেদার।‘ স্টোরটিকে জড়িয়ে ধরেছে বর্বেরির প্রতীকী প্ল্যাড স্কার্ফ। আর প্রতিটি জানালায় আধুনিক ব্রিটিশ স্টাইলের ছোঁয়া। বিশেষ বর্বেরি-স্টাইলের বেয়ার বিক্রির অর্থ যাবে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করা চাইল্ড মাইন্ড ইনস্টিটিউটে। ফিফথ অ্যাভিনিউর ঐতিহ্যবাহী লাইট শো ‘হলিডে ইউর ওয়ে’ থিমে তাদের ডিসপ্লেতে দেখা যাচ্ছে বর্ণিল সব আয়োজন। স্টোরগুলোর এ ডিসপ্লে থাকবে ২০২৬
এর জানুয়ারি মাস পর্যন্ত।
ঘিরে নয়, পুরো শহর জুড়েই। মেসির এ বছরের থিম—’পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর গল্পের যাত্রা এখান থেকে শুরু।’ ১৮৭৪ সাল থেকে শুরু করে ১৯২৪ সালের ঐতিহাসিক থ্যাংকসগিভিং ডে প্যারেড সবই ফিরে এসেছে তাদের ঝলমলে ডিসপ্লেতে। এমনকি রয়েছে ক্যারাওকে কর্নার, যেখানে দর্শনার্থীরা নিজেরাই গাইতে পারেন উৎসবের গান। ব্লুমিংডেলসের সাজ আরও একধাপ এগিয়ে। ব্রিটিশ লাক্সারি ব্র্যান্ড বার্বেরির সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করেছে ’হ্যাপি টুগেদার।‘ স্টোরটিকে জড়িয়ে ধরেছে বর্বেরির প্রতীকী প্ল্যাড স্কার্ফ। আর প্রতিটি জানালায় আধুনিক ব্রিটিশ স্টাইলের ছোঁয়া। বিশেষ বর্বেরি-স্টাইলের বেয়ার বিক্রির অর্থ যাবে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করা চাইল্ড মাইন্ড ইনস্টিটিউটে। ফিফথ অ্যাভিনিউর ঐতিহ্যবাহী লাইট শো ‘হলিডে ইউর ওয়ে’ থিমে তাদের ডিসপ্লেতে দেখা যাচ্ছে বর্ণিল সব আয়োজন। স্টোরগুলোর এ ডিসপ্লে থাকবে ২০২৬
এর জানুয়ারি মাস পর্যন্ত।



