ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
ভারতের আদালতে ১৬টি নথি জমা দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ মুসলিম ব্যক্তি
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের ‘প্রজনন গণহত্যা’, ১৮৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উঠে এল যে ভয়াবহ তথ্য
নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙা হলো তিন মসজিদ ও মাজার
পশ্চিম তীরে ১০০ স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরাইল
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে আছে ইরান: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য তীব্রভাবে চেষ্টা করছে। ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বক্তব্যের শুরুতেই মার্কিন সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, আমাদের কাছে এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সেরা সামরিক বাহিনী রয়েছে। এ সময় তিনি ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক সংকট এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসনের সাম্প্রতিক কৌশলগত পদক্ষেপ ও সামরিক তৎপরতার প্রসঙ্গ টেনে আনেন।
ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ইরান এখন একটি চুক্তি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে সামনে কী ঘটে, তা আমাদের
দেখতে হবে। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানান যে, ইরানের ওপর মার্কিন প্রশাসন সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করেছে এবং দেশটির ওপর অত্যন্ত জোরালো আঘাত হানা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, আমাদের সামনে এটি করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প বা উপায় ছিল না। কারণ ইরান কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন করতে পারে না। আমরা তাদের এটি কোনোভাবেই করতে দেব না। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞার যে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বক্তব্য তারই ইঙ্গিত বহন করে। পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে ইরানকে একটি নতুন ও কঠোর চুক্তিতে বাধ্য করাই যে ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য,
ট্রাম্পের এই হুশিয়ারিতে তা আবারও স্পষ্ট হলো। সূত্র: আল-জাজিরা।
দেখতে হবে। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানান যে, ইরানের ওপর মার্কিন প্রশাসন সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করেছে এবং দেশটির ওপর অত্যন্ত জোরালো আঘাত হানা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, আমাদের সামনে এটি করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প বা উপায় ছিল না। কারণ ইরান কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন করতে পারে না। আমরা তাদের এটি কোনোভাবেই করতে দেব না। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞার যে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বক্তব্য তারই ইঙ্গিত বহন করে। পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে ইরানকে একটি নতুন ও কঠোর চুক্তিতে বাধ্য করাই যে ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য,
ট্রাম্পের এই হুশিয়ারিতে তা আবারও স্পষ্ট হলো। সূত্র: আল-জাজিরা।



